খুঁজুন
                               
, ,
           

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে অপূর্ব: ‘শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমাজের অস্তিত্ব অর্থহীন’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে অপূর্ব: ‘শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমাজের অস্তিত্ব অর্থহীন’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে শোক ও ক্ষোভে স্তব্ধ দেশের মানুষ। নৃশংস এ ঘটনার বিচার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এবার শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অপূর্ব বলেন, একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠা তার মৌলিক অধিকার। অথচ বারবার শিশুদের ওপর এমন নৃশংসতার ঘটনা সমাজ ও মানুষের বিবেক নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে।

অভিনেতা লেখেন, ‘একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার কথা যেখানে সবচেয়ে স্বাভাবিক অধিকার, সেখানে বারবার শিশুদের ওপর এমন নৃশংসতা আমাদের সমাজ ও বিবেকের চরম পতনের ইঙ্গিত দেয়।’

সাম্প্রতিক শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো একজন বাবা ও দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান অপূর্ব।

তিনি বলেন, ‘এই পশুবৃত্তি ও অমানুষিকতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে আজ এক হতে হবে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এই সমাজের অস্তিত্ব অর্থহীন।’

শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদেরও আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেতা। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তানদের প্রতি বাড়তি নজরদারি ও সচেতনতা অনেক বড় বিপদ এড়াতে সহায়তা করতে পারে।

অপূর্ব লেখেন, ‘আমাদের নিজেদের জায়গা থেকেও অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। আজকের এই বাস্তবতায় আমাদের প্রত্যেককে আমাদের শিশু ও অভিভাবকদের আরও বেশি সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে।’

ঘরের বাইরে কিংবা ভেতরে—সব জায়গাতেই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, তাদের সুরক্ষায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে।

এদিকে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অপূর্ব। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের জন্য দেশকে নিরাপদ করে তোলার চেয়ে বড় দায়িত্ব আর কিছু হতে পারে না।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশয়ের প্রত্যাশা জানিয়ে অপূর্ব লেখেন, ‘সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব চাই। বিচার চাই।’

অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের একাধিক তারকাও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএ

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় পরিবর্তন, অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যে কড়াকড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় পরিবর্তন, অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যে কড়াকড়ি

বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য বদলে যাচ্ছে জনপ্রিয় তিন গন্তব্য—অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা। নতুন বিধিনিষেধের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় নির্বাচনের পাশাপাশি ভিসার শর্ত, আর্থিক সক্ষমতা, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদে থাকার নিয়মও এখন আগেভাগে বিবেচনা করতে হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় পরিবার নেওয়ার সুযোগে পরিবর্তন

অস্ট্রেলিয়া অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন নীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সরকারের লক্ষ্য, চলতি অর্থবছরে নেট ওভারসিজ মাইগ্রেশন ২ লাখ ৪৫ হাজার এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা।

নতুন ব্যবস্থায় অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আগের মতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। তবে দেশটিতে ইতিমধ্যে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও আসিয়ানভুক্ত কিছু দেশের শিক্ষার্থী এবং পিএইচডির মতো নির্দিষ্ট কোর্সে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রম থাকবে।

এ ছাড়া এক ভিসা থেকে অন্য ভিসায় যাওয়ার প্রবণতা বা ‘ভিসা হপিং’ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। শিক্ষার্থী ভিসার অপব্যবহার ঠেকাতেই এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট সময়ের ভিসার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, এফ-১ ও জে-১ ভিসাধারীদের জন্য আগের ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ ব্যবস্থার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়ের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রস্তাবে এফ-১ শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণভাবে সর্বোচ্চ চার বছরের সময়সীমার কথা বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্স শেষ করতে না পারলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে হতে পারে।

এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, পিএইচডি বা অন্যান্য উচ্চশিক্ষা কর্মসূচিতে থাকা শিক্ষার্থীদের কোর্সের সময়সীমা ও ভিসার মেয়াদ নিয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে।

যুক্তরাজ্যে কমছে গ্র্যাজুয়েট ভিসার সময়

যুক্তরাজ্যেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভিসায় পড়াশোনা শেষে থাকার সময় দুই বছর থেকে কমে ১৮ মাস হবে।

তবে পিএইচডি ও অন্যান্য ডক্টরাল ডিগ্রিধারীদের জন্য তিন বছরের সময়সীমা বহাল থাকবে।

অর্থাৎ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করা শিক্ষার্থীরা বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী দুই বছরের সুযোগ পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে আবেদন করলে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ হবে ১৮ মাস।

ফলে পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজা এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মভিসায় যাওয়ার প্রস্তুতির জন্য সাধারণ গ্র্যাজুয়েটদের হাতে আগের তুলনায় কম সময় থাকবে।

বাড়ছে যুক্তরাজ্যে প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ

যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী ভিসায় জীবনযাত্রার খরচ বহনের সক্ষমতা দেখানোর শর্তও পরিবর্তিত হচ্ছে। নতুন বিধি অনুযায়ী, লন্ডনে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মাসে ১ হাজার ৫৭০ পাউন্ড এবং লন্ডনের বাইরে ১ হাজার ২০৩ পাউন্ড অর্থের সক্ষমতা দেখাতে হবে।

বর্তমানে এই পরিমাণ যথাক্রমে ১ হাজার ৫২৯ পাউন্ড ও ১ হাজার ১৭১ পাউন্ড। শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি বর্তমানে ৫৫৮ পাউন্ড।

শিক্ষার্থীদের জন্য বদলে যাচ্ছে পরিকল্পনার হিসাব

তিন দেশের নিয়মে পার্থক্য থাকলেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অভিবাসন ব্যবস্থায় সরকারি নজরদারি বাড়ছে। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে আগ্রহীদের এখন শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং বা কোর্সের মান বিবেচনা করলেই হচ্ছে না।

মোট পড়াশোনার খরচ, ভিসার মেয়াদ, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ, প্রয়োজনীয় অর্থের প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট দেশের শ্রমবাজার এবং ভবিষ্যতে অন্য ভিসায় যাওয়ার নিয়ম—সবকিছু মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে পিএইচডি, গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে যেতে আগ্রহীদের জন্য ভিসার সময়সীমা এবং অতিরিক্ত অনুমতির নিয়ম আগে থেকেই যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

ফলে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকলেও পরিবর্তিত ভিসা ও অভিবাসন নীতির কারণে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিও আগের চেয়ে বেশি পরিকল্পিত হতে হবে।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, এনডিটিভি

কালের আলো/এসএ

জাল সনদে চাকরি করে ১৯ বছরে নিলেন ৪২ লাখ, ফেরতের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
জাল সনদে চাকরি করে ১৯ বছরে নিলেন ৪২ লাখ, ফেরতের নির্দেশ

জাল শিক্ষাগত সনদ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলাকে চাকরিকালীন উত্তোলন করা ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা।

আদেশ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর হাতিরপুলের বাসিন্দা মোহাম্মদ গোলাম মাওলা ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে অফিস সহকারী পদে চাকরিতে যোগ দেন। দীর্ঘদিন চাকরি করার পর তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল ও জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। মামলা নম্বর ০৯/২০২১। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, জাল ও জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে তিনি অফিস সহকারী পদে চাকরি নিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

আদেশে আরও বলা হয়, চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য হওয়ায় চাকরিকালে তিনি কোনো বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকারী নন। কিন্তু ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা উত্তোলন করেছেন।

এ কারণে উত্তোলন করা ওই অর্থ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সন্তান জন্মের পর ক্যাটরিনাকে ট্রোলিং, ক্ষোভ ঝাড়লেন সালমান

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
সন্তান জন্মের পর ক্যাটরিনাকে ট্রোলিং, ক্ষোভ ঝাড়লেন সালমান

সন্তান জন্মের কয়েক মাস পর সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। এরপর থেকেই তাঁর চেহারা ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা মন্তব্য ও ট্রোলিং। এবার বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অভিনেতা সালমান খান।

রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’-এর মঞ্চে ক্যাটরিনা ও বয়সী তারকাদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে করা কটূক্তির প্রসঙ্গ ওঠে। তখন তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনলাইন আক্রমণের তীব্র প্রতিবাদ জানান সালমান।

সালমান বলেন, কোনো নারী মা হওয়ার পর তাঁর শরীরে পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। কিন্তু সমাজের একাংশ বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে না দেখে ‘মোটা হয়ে গেছে’ বলে কটাক্ষ শুরু করে। একজন মাকে নিয়ে কেন এভাবে ট্রোল করা হবে—এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অভিনেতার মতে, সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীরা নিজেদের সময় নিয়ে শারীরিকভাবে প্রস্তুত হয়ে আবার পর্দায় ফিরতে পারেন। তাই তাঁদের ওপর দ্রুত আগের চেহারায় ফেরার অযথা চাপ তৈরি করা উচিত নয়।

নিজের ট্রোলিংয়েরও জবাব সালমানের

শুধু নারীদের নিয়ে করা মন্তব্য নয়, নিজের বয়স ও ওজন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে চলা ট্রোলিংয়ের জবাব দেন সালমান। তিনি বলেন, তিনি আর ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ সিনেমার সময়কার বয়সে নেই। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে পরিবর্তন আসাটাই স্বাভাবিক।

সমালোচকদের জবাব দিতে মঞ্চেই নিজের কাউবয় টুপি, জ্যাকেট ও টি-শার্ট খুলে ফেলেন সালমান। এরপর মেকআপও মুছে ফেলেন। ট্রোলারদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘ভাই মোটা হয়ে গেছে! ট্রল করো ভাইকে নিয়ে।’

‘সমালোচনা করুন, ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়’

দর্শকদের উদ্দেশে সালমান বলেন, কোনো সিনেমা ভালো না লাগলে বা অভিনয় পছন্দ না হলে দর্শকের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। এতে তাঁর আপত্তি নেই। তবে সেই সমালোচনা যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটূক্তি ও অনলাইন গালাগালিতে পরিণত হয়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়।

তাঁর বক্তব্যের মূল কথা, সিনেমার টিকিট কিনে দেখার অর্থ এই নয় যে পর্দার পেছনে থাকা শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্রমণ করার অধিকারও পাওয়া গেল।

কালের আলো/এসএ