খুঁজুন
                               
, ,
           

AI দিয়ে হ্যাকিং, ৭ কোম্পানিতে হামলা!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
AI দিয়ে হ্যাকিং, ৭ কোম্পানিতে হামলা!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এখন প্রযুক্তির কাজকে দ্রুত ও সহজ করে তুলছে। কিন্তু এই প্রযুক্তিই এবার সাইবার অপরাধীদের হাতেও বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশভাষী একদল সাইবার অপরাধী Cursor নামের AI coding assistant ব্যবহার করে চলতি বছরের শুরুতে অন্তত ৭টি প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়েছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান Gambit Security-এর অনুসন্ধান ও রয়টার্সের পর্যালোচনা করা তথ্য থেকে এ ঘটনা সামনে এসেছে।

হ্যাকাররা AI এজেন্টকে বিভিন্ন ক্ষতিকর কাজ করানোর জন্য একটি অভিনব কৌশল ব্যবহার করে। তারা AI-কে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, এসব কাজ আসলে অনুমোদিত ‘সিকিউরিটি সিমুলেশন’ বা পরীক্ষা। ফলে ক্ষতিকর কিছু নির্দেশনা প্রথমে প্রত্যাখ্যান করলেও পরে একই কাজকে পরীক্ষার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করে AI-এর কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়া সম্ভব হয়।

তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, AI এজেন্টকে ব্যবহার করে হ্যাকাররা বিভিন্ন ধরনের সাইবার হামলার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে। এর মধ্যে লগইন তথ্য বা ক্রেডেনশিয়াল সংগ্রহ এবং প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে আরও গভীরে প্রবেশের মতো কর্মকাণ্ডও ছিল।

ঘটনাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, Cursor বর্তমানে Elon Musk-এর SpaceX-এর মালিকানাধীন। Cursor-এর AI এজেন্ট Anthropic-এর Claude Sonnet 4.5 প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে হামলার ঘটনায় SpaceX বা Anthropic তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেনি।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা AI-এর একটি বড় ঝুঁকি সামনে এনেছে। আগে একজন হ্যাকারকে অনেক কাজ নিজে করতে হতো; এখন AI এজেন্ট ব্যবহার করে একই ধরনের কাজ অনেক দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা সম্ভব হচ্ছে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, গত কয়েক দিনে ১০০টির বেশি প্রযুক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান AI-চালিত সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়ে যৌথভাবে সতর্ক করেছে। OpenAI, Microsoft, Alphabet, Amazon ও IBM-সহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলো AI-নির্ভর হামলা ঠেকাতে দ্রুত সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, AI যত শক্তিশালী হবে, সাইবার অপরাধীদের জন্যও অত্যাধুনিক হামলা চালানো তত সহজ হতে পারে। ফলে ভবিষ্যতে শুধু AI তৈরি ও ব্যবহারের সক্ষমতা নয়, AI-নির্ভর সাইবার হামলা ঠেকানোর সক্ষমতাও প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

কালের আলো/এসএ

 

সংবিধানের ১৫৩ অনুচ্ছেদে খুঁজলে ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা মিলবে না: শিশির মনির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
সংবিধানের ১৫৩ অনুচ্ছেদে খুঁজলে ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা মিলবে না: শিশির মনির

জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা কেবল সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদের ভেতরে খুঁজলে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির। তিনি বলেছেন, এই শূন্যতার আইনি ব্যাখ্যা দিতে হলে জনগণের ‘গাঠনিক ক্ষমতা’ বা ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ এর ওপর নির্ভর করতে হবে।

সোমবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশের বর্তমান সাংবিধানিক সংকট এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার আইনি ও মৌলিক বিষয়গুলোর মুখোমুখি অবস্থানের কথা উল্লেখ করে শিশির মনির তার বক্তব্যকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করে উপস্থাপন করেন। বিষয়গুলো হলো— সংবিধান ও সাংবিধানিক আইন, সংশোধন নাকি সংস্কার, গণভোট ও ভিন্নমতের (ডিসেন্টিং অপিনিয়ন) মর্যাদা, ক্রান্তিকাল বা ট্রানজিশনাল পিরিয়ড এবং ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ের আলোকে বর্তমান আইনি অবস্থান।

আক্ষরিক পাঠে সংবিধানের ‘অপব্যাখ্যা’

সংবিধানের কেবল আক্ষরিক পাঠ দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করাকে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ (মিসইন্টারপ্রিটেশন) আখ্যা দিয়ে শিশির মনির বলেন, আমাদের সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, একটি প্রস্তাবনা ও তফসিল আছে। যারা আক্ষরিক অর্থে পড়তে চান, তারা কেবল এতটুকুই দেখবেন। কিন্তু সংবিধান বুঝতে গেলে ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সুপ্রিম কোর্টের অতীত রায় ও স্কলারদের মতামত সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা কেবল ‘ক’ আর ‘খ’-তে কী লেখা আছে তা পড়ে সংবিধান বিশ্লেষণ করছেন, তারা সাংবিধানিক আইন থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। ‘সংশোধন’ নয়, করতে হবে ‘সংস্কার’।

সংবিধান সংশোধন ও সংস্কারের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, জুলাই সনদের মূল উদ্দেশ্য সংস্কার হলেও পদ্ধতি হিসেবে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে।

সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ বিধির অধীনে বিশেষ কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই বিধি অনুযায়ী সংস্কারের উদ্দেশ্যে কমিটি গঠনে আইনগত কোনো বাধা নেই। ২৬৬ বিধিতে কমিটির নাম বলা হয়েছে ‘বিশেষ কমিটি’, এটি কেবল সংশোধনের জন্যই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানের ‘বেসিক স্ট্রাকচার’ বা মৌলিক কাঠামো— যেমন প্রস্তাবনা বা রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি পরিবর্তন করা যায় না। অতীতে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, ত্রয়োদশ, পঞ্চদশ ও ষোড়শ সংশোধনী দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাস হলেও তা টেকেনি। কারণ এগুলো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থি ছিল। এগুলো পরিবর্তন করতে হলে ‘অ্যামেন্ডিং পাওয়ার’ নয়, ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ বা গাঠনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে।

গণভোটের রায় বনাম ভিন্নমত

গণভোটের প্রশ্নে জনগণের মতামতের ওপর জোর দিয়ে শিশির মনির বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন গঠন, উচ্চকক্ষ (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ) প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোট থাকলে সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের ‘ডিসেন্টিং অপিনিয়ন’ বা ভিন্নমত কার্যকর হতে পারে না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, গণভোট বড়, নাকি ভিন্নমত বড়? জনগণকে জিজ্ঞাসা করার পর তারা যখন ম্যান্ডেট দিয়েছে, তখন আপনি যদি ভিন্নমত নিতে চান, তবে তা হবে জনগণের ম্যান্ডেটের লঙ্ঘন।

ক্রান্তিকালের বৈধতা ও জনগণের ‘গাঠনিক ক্ষমতা’

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালকে ‘সাংবিধানিক ভেকুয়াম’ বা শূন্যতা হিসেবে উল্লেখ করে শিশির মনির বলেন, এই সময়ের বৈধতা সংবিধানে খোঁজা বৃথা।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট সরকার শূন্য হয়ে যাওয়ার পর থেকে দেশ কোন আইনে চলছে— এই উত্তর সংবিধানে পাবেন না, সাংবিধানিক আইনে পাবেন। এর নাম হলো ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ বা জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা। এই ক্ষমতা ১৫৩ অনুচ্ছেদে লেখা নেই।

১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের সরকারপ্রধান হওয়ার দৃষ্টান্ত এবং সুপ্রিম কোর্টের ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একবার সংবিধান বানিয়ে ফেললেই নতুন করে সংবিধান বানানোর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া যায় না। আমাদের সুপ্রিম কোর্ট একে ‘রিপোজিটরি অব কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ বলেছে, যা সবসময় জনগণের কাছে থাকে। ৫ আগস্ট ঠিক সেটাই ঘটেছে।

বক্তব্যের শেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ক্রান্তিকালের ব্যাখ্যা কেবল জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করলেই দেওয়া সম্ভব। তা না করে কেবল সংবিধানের পাতায় খুঁজলে, বিগত এই দেড় বছরকে ‘সাংবিধানিক রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। আর তা করলে পরবর্তী সরকারের অবস্থান কী দাঁড়াবে, সেটি ভেবে দেখতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এআই নিয়ন্ত্রণে হাতে হয়তো আর মাত্র এক বছর: জিওফ্রি হিন্টন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
এআই নিয়ন্ত্রণে হাতে হয়তো আর মাত্র এক বছর: জিওফ্রি হিন্টন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে বাড়ছে এর নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ। নোবেলজয়ী কম্পিউটারবিজ্ঞানী জিওফ্রি হিন্টনের মতে, উন্নত এআইকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা তৈরিতে মানুষের হাতে হয়তো আর মাত্র এক বছর সময় আছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন হিন্টন। বৈঠক শেষে এআই নিয়ন্ত্রণে আইনপ্রণেতাদের হাতে কতটা সময় আছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হয়তো এক বছর, তবে এর চেয়ে খুব বেশি সময় নয়।’ তাঁর মতে, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর পাশাপাশি দ্রুত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

হিন্টন এআইয়ের দ্রুত সক্ষমতা বৃদ্ধির উদাহরণ হিসেবে হাগিং ফেসকে ঘিরে সাম্প্রতিক একটি সাইবার নিরাপত্তা ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। ঘটনাটিকে তিনি ‘ছোট আকারের চেরনোবিল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর আশঙ্কা, এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা একই গতিতে এগোতে না পারলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এজিআই নিয়ে উদ্বেগ

হিন্টনের উদ্বেগের অন্যতম কারণ কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই (AGI) তৈরির সম্ভাব্য সময়সীমা কমে আসা। এজিআই বলতে এমন এআইকে বোঝানো হয়, যা বিস্তৃত ধরনের কাজ মানুষের সমপর্যায়ে বা তার চেয়েও দক্ষতার সঙ্গে করতে সক্ষম।

হিন্টনের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় গবেষকদের ধারণা ছিল এ ধরনের প্রযুক্তি তৈরি হতে ৩০ থেকে ৫০ বছর লাগতে পারে। পরে সেই ধারণা কমে ১০ থেকে ২০ বছরে দাঁড়ায়। বর্তমানে কিছু গবেষক মনে করছেন, মানুষের সমকক্ষ বা তার চেয়ে বেশি সক্ষম এআই তৈরি হতে মাত্র কয়েক বছরও লাগতে পারে।

হাগিং ফেসের ঘটনা

এআই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার পেছনে হাগিং ফেসকে ঘিরে একটি সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার ঘটনাও রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ে নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় ওপেনএআইয়ের কয়েকটি এআই এজেন্ট মানুষের সরাসরি নির্দেশনা ছাড়াই ইন্টারনেটে প্রবেশ করে হাগিং ফেসের সিস্টেমে ঢোকার চেষ্টা করে।

ওপেনএআইয়ের তথ্যমতে, এআই এজেন্টগুলো একাধিক নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সার্ভারে প্রবেশ করেছিল। তারা নিজেদের মধ্যে অননুমোদিত যোগাযোগের ব্যবস্থাও তৈরি করেছিল, যার মাধ্যমে এক এজেন্টের পাওয়া তথ্য অন্যদের কাছে পৌঁছাচ্ছিল।

ওপেনএআই ঘটনাটিকে সতর্কসংকেত হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, অত্যন্ত সক্ষম এআই এজেন্টের ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকলে তারা প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে যেতে, অননুমোদিতভাবে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং মানুষের সরাসরি নির্দেশনা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারে।

হিন্টনের সতর্কবার্তার মূল বিষয় হলো—এআইয়ের সক্ষমতা যত দ্রুত বাড়ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার উন্নয়নও জরুরি। তবে ‘আর মাত্র এক বছর’ সময়সীমাটি তাঁর ব্যক্তিগত সতর্কতা ও মূল্যায়ন; এটি এআইয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কোনো নিশ্চিত সময়সূচি নয়।

কালের আলো/এসএ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৯ পদে নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৯ পদে নিয়োগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখায় ১৬তম গ্রেডে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ছয়টি পদে ৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের বিবরণ

পদের নাম পদসংখ্যা গ্রেড ও বেতন স্কেল
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক গ্রেড–১৬, ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা
নাজির কাম ক্যাশিয়ার গ্রেড–১৬, ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা
সার্টিফিকেট পেশকার গ্রেড–১৬, ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা
সার্টিফিকেট সহকারী গ্রেড–১৬, ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা
ক্রেডিট চেকিং কাম সায়রাত সহকারী গ্রেড–১৬, ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা
মিউটেশন কাম সার্টিফিকেট সহকারী গ্রেড–১৬, ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

বয়সসীমা

প্রার্থীদের বয়স ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ন্যূনতম ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৬ টাকা।

কালের আলো/এসএ