খুঁজুন
                               
, ,
           

ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে কার্যক্রম চলছে: শামা ওবায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে কার্যক্রম চলছে: শামা ওবায়েদ

ভারতে অবস্থানরত পলাতক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেছেন, ভারত সরকারের কাছ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দিক থেকেও একটি আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বাংলাদেশ জানতে পেরেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রচলিত আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভারতে অবস্থানরত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী কাজ চলছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চিঠিপত্র আদান-প্রদানও হচ্ছে।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া রায়ের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রায়টি যেহেতু সদ্য হয়েছে, তাই আদালতের আনুষ্ঠানিক সব কাগজপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

এ ছাড়া ভারতে অবস্থানরত সাবেক আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরাতে আগে পাঠানো চিঠির অগ্রগতির বিষয়েও সাংবাদিকরা জানতে চান।

জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ভারত সরকারের কাছ থেকে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দিক থেকেও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বাংলাদেশ জানতে পেরেছে।

তিনি বলেন, পলাতক আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

সরকারি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৭৭ কোটি টাকা বা ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে এ মসুর ডাল কেনা হবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে রয়েছে টিসিবি।

টিসিবি ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করলে তিনটি দরপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি দরপ্রস্তাবই কারিগরিভাবে রেসপনসিভ বিবেচিত হয়।

দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশ অনুযায়ী রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড, খুলনা থেকে মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে টিসিবির গুদাম পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি ৭৬ টাকা ৭৯ পয়সা দরে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এ অর্থের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার গ্যারান্টি থাকবে।

প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে টিসিবির মসুর ডাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১৭ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন (+১০ শতাংশ) বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১৯৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে এ সার আমদানি করা হবে। আমদানির ব্যয় কৃষি ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ বাজেট থেকে পরিশোধ করা হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সরকার ২০০৭ সাল থেকে জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের সাবিক থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে আসছে। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানির সঙ্গে মোট ৮ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন চুক্তির আওতায় এবং জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত ৫ লাখ মেট্রিক টন আমদানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

চুক্তিতে নির্ধারিত প্রাইসিং ফর্মুলা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারদর বিবেচনায় পঞ্চম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন (+১০ শতাংশ) বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব করা হয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৬ হাজার ৪০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের দাম পড়বে ৩৯১ দশমিক ৬৬ মার্কিন ডলার।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের ফলে এখন নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সৌদি আরবের সাবিক থেকে এ লটের ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভুটানের উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের জনশক্তি দেওয়ার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
ভুটানের উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের জনশক্তি দেওয়ার প্রস্তাব

ভুটানের জেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) উন্নয়ন কার্যক্রমে দক্ষ, আধা-দক্ষ ও পেশাজীবী মানবসম্পদ দিয়ে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাতে ভুটানের রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ভুটানের জেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পেশাজীবী, দক্ষ ও আধা-দক্ষ মানবসম্পদ দিয়ে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে পারে।

এ সময় দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার চিন্তার কথা স্মরণ করে সার্ককে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রে ভুটানের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, সার্ক পুনরুজ্জীবিত হলে এ অঞ্চলের দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে।

অন্যদিকে, গত ২৬ আগস্ট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির উষ্ণ অভ্যর্থনার কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভুটানের রাষ্ট্রদূত। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জানান।

কালের আলো/এমএসআইপি