খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাতে গুরুত্ব পেল জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাতে গুরুত্ব পেল জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বঙ্গভবনে এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। পরে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণসহ সফরের বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ও তুলে ধরেন তিনি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি ভাষণটিকে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক বলে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করতেও সফরটি তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আস্থার পুলিশিংয়ে নতুন কাঠামোতে নজর আইজিপির

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
আস্থার পুলিশিংয়ে নতুন কাঠামোতে নজর আইজিপির

পুলিশি সেবায় বদল আনতে হলে আগে বদলাতে হবে জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি দরকার মানবিকতা, আস্থা ও অংশীদারত্ব। এই তিন ভিত্তিতে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, বিপিএম।

  • পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমানোর উদ্যোগ
  • কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংয়ে নতুন নীতিমালা
  • কিশোর গ্যাং, মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার ওপর জোর

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের বহুমুখী হলে দুই দিনব্যাপী ‘কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন’ কর্মশালার উদ্বোধনে এ আহ্বান জানান তিনি। আইজিপির বার্তা স্পষ্ট—অপরাধ ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধের আগেই তা ঠেকাতে হবে। আর এ কাজে পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে জনগণ।

‘মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে’
কর্মশালাকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘পেশাদারত্বের সঙ্গে মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দিতে হবে।’ তাঁর মতে, জনমুখী পুলিশিংয়ের ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা। নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারত্বে রূপ দিতে হবে। কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল কমিউনিটি গড়ার লক্ষ্যে জনগণের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করে পারস্পরিক আস্থা অর্জনের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে।’

কিশোর গ্যাং, মাদকেও নজর
আইজিপির বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কিশোর গ্যাং ও মাদক। স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেন তিনি। অপরাধ প্রতিরোধে শুধু পুলিশের তৎপরতা নয়, স্থানীয় মানুষের তথ্য, সহযোগিতা ও সচেতনতাকেও কাজে লাগানোর কথা উঠে আসে কর্মশালায়। এতে বিট পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে মানুষের সরাসরি যোগাযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।

কাবাডিতেও কমিউনিটির কাছে পুলিশ
জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে খেলাধুলাকেও কাজে লাগানোর কথা তুলে ধরেন আইজিপি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর কথা উল্লেখ করেন তিনি। আইজিপি বলেন, কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ও গৌরবের অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পুলিশের পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

পুলিশিংয়ে আসছে নতুন কাঠামো
অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন: একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর ও অতিরিক্ত আইজি কাজী মোঃ ফজলুল করিম, বিপিএম-সেবা।

তিনি বিদ্যমান অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর ও জনসম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন। মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোঃ সায়েদুর রহমান এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ভাইস-রেক্টর ড. মোঃ আব্দুস সোবহান। তাঁরা মাঠপর্যায়ে এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

মাঠের অভিজ্ঞতা থেকেই নীতিমালা
দুই দিনের কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন। মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ একত্র করে তৈরি হবে বাস্তবমুখী নীতিমালা। লক্ষ্য শুধু একটি নীতিমালা তৈরি নয়। কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় শক্তিশালী করে অপরাধ প্রতিরোধে জনগণকে পুলিশের সক্রিয় অংশীদারে পরিণত করা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর ও অতিরিক্ত আইজি কাজী মোঃ ফজলুল করিম, বিপিএম-সেবা। তাঁর নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই কর্মশালায় মূলত মাঠের বাস্তবতা, পুলিশের অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে নতুন কাঠামোর পথ খোঁজা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামাতে হবে: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামাতে হবে: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম: মাদক সামাজিক অপরাধ ও পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম উৎস উল্লেখ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেছেন, মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে।মাদক চোরাচালান ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান-২০২৬ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর হেলাল বলেন, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও অসৎ সঙ্গ তরুণদের অন্ধকার জগতে ঠেলে দিতে পারে। তাই ভবিষ্যৎ গড়ার সময়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বাস্তবমুখী, কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানের প্রতি তরুণদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকার লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নিয়েছে। আধুনিক, টেকসই ও গুণগত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ চলছে।

পরে হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন মীর হেলাল। একই সঙ্গে শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সুসংহত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে হাটহাজারী এলাকার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করেন তিনি। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোনামাছও অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

এলজিইডির অধীনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে ৩৫ জন কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি। নজরুলবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এদিন উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার ওষুধ ছিটানোর ফগার মেশিন বিতরণ করা হয়। জনগণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে ‘হাটহাজারী হাসপাতাল সড়ক পুনর্বাসন’ কাজের ফলক উন্মোচন ও উদ্বোধনও করেন মীর হেলাল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

প্রবীণদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
প্রবীণদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য—‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সচেতন ও সতর্ক। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি এর পরিমাণ বৃদ্ধি ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের অবহেলা না করে তাঁদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিবার ও সমাজের ভিত্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ কিংবা প্রবীণ—প্রতিটি মানুষ যেন নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি