খুঁজুন
                               
, ,
           

বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বে পুরস্কার, বাহিনীজুড়ে প্রেরণা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বে পুরস্কার, বাহিনীজুড়ে প্রেরণা

পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্ববোধ ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ২০২৫ সালের শ্রেষ্ঠ সাত সদস্যকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, এ সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বীকৃতি; একই সঙ্গে এটি অন্য সদস্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে।

  • অসাধারণ দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি
  • সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে
  • পুরস্কার অন্যদেরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হবে: বিমান বাহিনী প্রধান

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার)-দের হাতে ট্রফি ও সনদপত্র তুলে দেন বিমান বাহিনী প্রধান। দায়িত্ব পালনে অসাধারণ অবদানের জন্য সাত সদস্যের হাতে দেওয়া এই ট্রফি ও সনদ শুধুমাত্র একটি পুরস্কার নয়; বিমান বাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষের ধারায় নিজেদের আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সদস্যদের প্রতি একটি প্রাতিষ্ঠানিক উৎসাহ হিসেবেও বিবেচিত।

পুরস্কারের মঞ্চে বিমান বাহিনী প্রধানের বার্তা
ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ শেষে উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিমান বাহিনী প্রধান। সম্মাননাপ্রাপ্ত সাত সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাঁদের অর্জনকে দায়িত্ব পালনে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, কর্মক্ষেত্রে অর্জিত এই সম্মান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বীকৃতি নয়; এটি অন্য সদস্যদের আরও নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।

সাতজনের হাতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি
অসাধারণ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালের জন্য সাতজন বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ট্রফি ও সনদপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁদের পেশাগত অবদান আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল। বিমান বাহিনীতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উৎকর্ষ, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠাকে উৎসাহিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তিগত অর্জন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রেরণা
একজন সদস্যের ভালো কাজ যখন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়, তখন তার প্রভাব ব্যক্তিগত গণ্ডি ছাড়িয়ে পুরো কর্মপরিবেশে পড়ে। বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠ সদস্য নির্বাচনের এই উদ্যোগও সেই লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ। বিমান বাহিনী প্রধানের বক্তব্যে সেই দিকটিই উঠে এসেছে—শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সদস্যরা নিজেদের সাফল্যের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বনিষ্ঠার উদাহরণ তৈরি করবেন। ফলে সম্মাননাটি একই সঙ্গে স্বীকৃতি ও প্রেরণার বার্তা বহন করছে। অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধানরা, বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের এয়ার অধিনায়ক, বিমান সদরের পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামাতে হবে: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামাতে হবে: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম: মাদক সামাজিক অপরাধ ও পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম উৎস উল্লেখ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেছেন, মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে।মাদক চোরাচালান ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান-২০২৬ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর হেলাল বলেন, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও অসৎ সঙ্গ তরুণদের অন্ধকার জগতে ঠেলে দিতে পারে। তাই ভবিষ্যৎ গড়ার সময়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বাস্তবমুখী, কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানের প্রতি তরুণদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকার লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নিয়েছে। আধুনিক, টেকসই ও গুণগত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ চলছে।

পরে হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন মীর হেলাল। একই সঙ্গে শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সুসংহত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে হাটহাজারী এলাকার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করেন তিনি। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোনামাছও অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

এলজিইডির অধীনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে ৩৫ জন কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি। নজরুলবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এদিন উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার ওষুধ ছিটানোর ফগার মেশিন বিতরণ করা হয়। জনগণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে ‘হাটহাজারী হাসপাতাল সড়ক পুনর্বাসন’ কাজের ফলক উন্মোচন ও উদ্বোধনও করেন মীর হেলাল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

প্রবীণদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
প্রবীণদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য—‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সচেতন ও সতর্ক। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি এর পরিমাণ বৃদ্ধি ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের অবহেলা না করে তাঁদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিবার ও সমাজের ভিত্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ কিংবা প্রবীণ—প্রতিটি মানুষ যেন নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী পেল আইএফআইসি ব্যাংকের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী পেল আইএফআইসি ব্যাংকের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নিতে বিশেষ আর্থিক অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স হলে ‘আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব অনুদান ও বৃত্তি হস্তান্তর করা হয়।

গবেষণায় ৫০, বৃত্তি পেলেন ৩০ শিক্ষার্থী

অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ৫০ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান এবং ৩০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের সহায়তা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার মো. মনিতুর রহমান, চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস হেলাল আহমেদ এবং হেড অব ট্রেজারি মোহাম্মদ শাহীন উদ্দিন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মো. তারিক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও আইএফআইসি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরাও অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ।

২০১২ সালে গঠিত ট্রাস্ট ফান্ড

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০১২ সালে আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়।

ফান্ডটি চালুর পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের সাড়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়—এ লক্ষ্যেই ট্রাস্ট ফান্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ