খুঁজুন
                               
, ,
           

গবেষণা-উদ্ভাবনে বুটেক্সে জাতীয় প্রতিযোগিতা

কাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
গবেষণা-উদ্ভাবনে বুটেক্সে জাতীয় প্রতিযোগিতা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ‘টেক্সভার্স ২.০’। বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

৩০ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব। বুটেক্সের অডিটোরিয়াম, সেমিনার কক্ষ, একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় মাঠে আলাদাভাবে আয়োজন করা হবে বিভিন্ন ইভেন্ট।

গবেষণা ও উদ্ভাবনে তরুণদের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্য

আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই ‘টেক্সভার্স ২.০’-এর অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে টেক্সটাইল খাতের বাস্তব সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে তরুণদের উৎসাহিত করাও এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় থাকবে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা, কুইজ, টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা, ট্রেজার হান্ট, প্রবন্ধ লেখা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতা।

অন্যদিকে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হবে বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা, গণিত অলিম্পিয়াড, পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও রসায়ন অলিম্পিয়াড।

এক ক্যাম্পাসে নানা আয়োজন

আয়োজকেরা জানান, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব বুটেক্স ক্যাম্পাসের পৃথক ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, পোস্টার উপস্থাপনা ও টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা। সেমিনার কক্ষে হবে কুইজের মঞ্চ পর্ব।

একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হবে কুইজের লিখিত পর্ব, বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা প্রতিযোগিতা। কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজন করা হবে ট্রেজার হান্ট। এ ছাড়া প্রবন্ধ লেখা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে।

প্রতিযোগিতার প্রতিটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণ সনদ। পাশাপাশি প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, প্রথম রানারআপ ও দ্বিতীয় রানারআপকে সনদ, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি দেওয়া হবে।

‘শুধু প্রতিযোগিতা নয়, গবেষণার সংস্কৃতি গড়াই লক্ষ্য’

বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রুবায়েত রশীদ রনি বলেন, ‘টেক্সভার্স ২.০-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা সবার সামনে তুলে ধরতে চাই।’

তিনি বলেন, আয়োজনটির লক্ষ্য শুধু একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি টেক্সটাইল শিল্পের বাস্তব সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে তাদের অনুপ্রাণিত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কে এম শফিক রাইয়্যান বলেন, ‘টেক্সভার্স ২.০-এর মূল উদ্দেশ্য দেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার আগ্রহ সৃষ্টি করা।’

তার ভাষ্য, এ আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের টেক্সটাইল খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন, যা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধন

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘টেক্সভার্স ২.০’-এ অংশগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি বুটেক্স ক্যাম্পাসে স্পট নিবন্ধনের মাধ্যমেও অংশ নিতে পারবেন।

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগ, নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত নির্দেশনা বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামাতে হবে: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামাতে হবে: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম: মাদক সামাজিক অপরাধ ও পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম উৎস উল্লেখ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেছেন, মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে।মাদক চোরাচালান ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান-২০২৬ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর হেলাল বলেন, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও অসৎ সঙ্গ তরুণদের অন্ধকার জগতে ঠেলে দিতে পারে। তাই ভবিষ্যৎ গড়ার সময়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বাস্তবমুখী, কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানের প্রতি তরুণদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকার লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নিয়েছে। আধুনিক, টেকসই ও গুণগত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ চলছে।

পরে হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন মীর হেলাল। একই সঙ্গে শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সুসংহত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে হাটহাজারী এলাকার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করেন তিনি। মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোনামাছও অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

এলজিইডির অধীনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে ৩৫ জন কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি। নজরুলবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এদিন উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার ওষুধ ছিটানোর ফগার মেশিন বিতরণ করা হয়। জনগণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে ‘হাটহাজারী হাসপাতাল সড়ক পুনর্বাসন’ কাজের ফলক উন্মোচন ও উদ্বোধনও করেন মীর হেলাল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

প্রবীণদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
প্রবীণদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য—‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সচেতন ও সতর্ক। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি এর পরিমাণ বৃদ্ধি ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের অবহেলা না করে তাঁদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিবার ও সমাজের ভিত্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ কিংবা প্রবীণ—প্রতিটি মানুষ যেন নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী পেল আইএফআইসি ব্যাংকের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ঢাবির ৮০ শিক্ষার্থী পেল আইএফআইসি ব্যাংকের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নিতে বিশেষ আর্থিক অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স হলে ‘আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব অনুদান ও বৃত্তি হস্তান্তর করা হয়।

গবেষণায় ৫০, বৃত্তি পেলেন ৩০ শিক্ষার্থী

অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ৫০ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান এবং ৩০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের সহায়তা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার মো. মনিতুর রহমান, চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস হেলাল আহমেদ এবং হেড অব ট্রেজারি মোহাম্মদ শাহীন উদ্দিন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মো. তারিক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও আইএফআইসি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরাও অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ।

২০১২ সালে গঠিত ট্রাস্ট ফান্ড

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০১২ সালে আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়।

ফান্ডটি চালুর পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের সাড়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়—এ লক্ষ্যেই ট্রাস্ট ফান্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ