খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

সেনাপ্রধানের ভারত সফর : দু’দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়ের বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
সেনাপ্রধানের ভারত সফর : দু’দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়ের বার্তা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের ভারত সফরের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার বার্তা মিলেছে। একে অন্যের প্রতি সহযোগিতা প্রসারিত করার সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে আশাবাদী হয়ে উঠেছে দু’দেশই।

আরও পড়ুনঃ ভারতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন

সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো ভারত সফর করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। নানা দিক থেকেই গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ছিল এই সফর। সফরের শুরু থেকে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত ব্যস্ত এক সময়ই পার করতে হয়েছে তাকে। ভারতের প্রতিরক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর পৃথক পৃথক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারত সফরকালে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দন আহমেদ ভারতের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা পরিষদ সচিবালয়ের সামরিক উপদেষ্টা লেঃ জেনারেল (অবঃ) ভিনোদ জি খান্ডারে, প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুনঃ মিত্রবাহিনীর শহীদদের নামাঙ্কিত ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে সেনাপ্রধান

এছাড়াও তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৫০ স্বতন্ত্র প্যারাশুট ব্রিগেড, ওয়ারগেমিং ডেভলপমেন্ট সেন্টার, ডিফেন্স ইমেজ প্রসেসিং এন্ড এনালাইসিস সেন্টার এবং ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) পরিদর্শন করেন।

সফরের প্রথম দুই দিন সেনাবাহিনী প্রধান দিল্লি এবং আগ্রায় বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি আগ্রায় অবস্থিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৫০ স্বতন্ত্র প্যারাশুট ব্রিগেড পরিদর্শন করেন। সেখানে উক্ত ব্রিগেডের সক্ষমতা, কার্যক্রম এবং প্রশিক্ষণ সম্পর্কে সেনাবাহিনী প্রধানকে ধারণা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, এই ব্রিগেডটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসেবে সর্বপ্রথম টঙ্গী হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। সেনাবাহিনী প্রধান ভারতের ওয়ারগেমিং ডেভলপমেন্ট সেন্টার এবং ডিফেন্স ইমেজ প্রসেসিং এন্ড এনালাইসিস সেন্টার পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম ও কারিগরি বিষয়াদি সম্পর্কে অবগত হন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা পরিষদ সচিবালয়ের সামরিক উপদেষ্টা লেঃ জেনারেল (অবঃ) ভিনোদ জি খান্ডারে এর সাথে সাক্ষাতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন সেনাবাহিনী প্রধান। বিকালে ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পররাষ্ট্র নীতি এবং নিরাপত্তা বিষয়ক আয়োজিত এক সেমিনারে এনডিসি কোর্স মেম্বার এবং অনুষদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সেমিনার শেষে উন্মুক্ত আলোচনায় তিনি এনডিসি কোর্স মেম্বারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ভারত সফরের শেষ দিনে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মিত্র বাহিনীর জীবন উৎসর্গকারীদের নাম খচিত স্থান ঘুরে দেখেন এবং আলাদাভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করেন।

পরবর্তীতে তিনি সাউথ ব্লকে পৌঁছালে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার শেষে তিনি ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে এবং প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে তাঁকে ভারতের নিরাপত্তা চিন্তাধারা এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন বিষয়ে দু’টি পৃথক ব্রিফিং প্রদান করা হয়।

বৈঠক সমাপনান্তে সেনাবাহিনী প্রধান ভারতের বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া এবং চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত এর সাথে তাদের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এর সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

এর আগে গত শনিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। পরে বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সেনাপ্রধান দেশে ফিরেন।

কালের আলো/আরআই/এমকে

‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী সিল্ক শুধু রাজশাহীর নয়, এটি সারা বাংলাদেশের সম্পদ এবং আমাদের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং এর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সরকার মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রেশম শিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং একে আরও উন্নত করার রূপরেখা তৈরি করতে রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এই বোর্ডের উন্নয়নে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই শিল্পকে আধুনিকীকরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে রেশমের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও উৎপাদন তলানিতে। এ প্রসঙ্গে শরীফুল আলম জানান, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে; তবে এর প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই মূলত এই পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে।

এই সংকট কাটাতে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

রেশম শিল্পের প্রাণ হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী কারিগর বা ‘বোসনি’দের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এই দক্ষ কারিগরদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন। বয়সের কারণে তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। বোসনিদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা না গেলে এই শিল্পের ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে এবং সিল্কের প্রসার ঘটাতে নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। চীন ও জাপানের মতো বড় দেশগুলোতে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বাজার তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগিরই সমন্বিত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে পরিদর্শনে আসা প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে, পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বোর্ডের সার্বিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশাসহ রেশম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/ইএম

জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে রাজধানীর জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়া সরণি নাম হওয়ায় মানুষের কল্যাণে এই খাল নিয়ে কিছুই করেনি অবৈধ সরকার। আপাতত সিটি করপোরেশনের অর্থে খালটিতে অবৈধ স্থাপনাসহ সব কাজ চলছে।

সব খাল দখলমুক্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, গণমানুষের ভোটে নির্বাচিত হয় বিএনপি সরকার। যেহেতু বিনাভোটে নির্বাচিত হইনি সেক্ষেত্রে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কাজ করা হবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।

কালের আলো/এসএকে

সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর দেহে হাম প্রাদুর্ভাব

সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর দেহে হাম প্রাদুর্ভাব

সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জে বেড়েছে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জে ১৭ শিশুর দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামের টিকা দেওয়ার আগেই এ রোগে অধিকাংশ শিশুরা আক্রান্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবক ও স্বজনেরা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাম ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্য বিভাগের।

সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, চলতি মাসের ২৯ মার্চ থেকে হাম রোগী কাউন্ট শুরু হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। এসব রোগী শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর মধ্যে ৭০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

বর্তমানে মনসুর আলী মেডিকেলে ১৫ জন, সদর জেনারেল হাসপাতালে ২ জন, উল্লাপাড়ায় ২ জন ও রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন ভর্তি রয়েছে। এদিকে, সারাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়ার প্রেক্ষাপটে শহীদ এম মনসুর আলী হাসপাতালেও খোলা হয়েছে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাম সিরাজগঞ্জে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/ইএম