খুঁজুন
                               
, ,
           

সেনাপ্রধানের ভারত সফর : দু’দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়ের বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
সেনাপ্রধানের ভারত সফর : দু’দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়ের বার্তা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের ভারত সফরের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার বার্তা মিলেছে। একে অন্যের প্রতি সহযোগিতা প্রসারিত করার সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে আশাবাদী হয়ে উঠেছে দু’দেশই।

আরও পড়ুনঃ ভারতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন

সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো ভারত সফর করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। নানা দিক থেকেই গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ছিল এই সফর। সফরের শুরু থেকে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত ব্যস্ত এক সময়ই পার করতে হয়েছে তাকে। ভারতের প্রতিরক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর পৃথক পৃথক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারত সফরকালে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দন আহমেদ ভারতের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা পরিষদ সচিবালয়ের সামরিক উপদেষ্টা লেঃ জেনারেল (অবঃ) ভিনোদ জি খান্ডারে, প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুনঃ মিত্রবাহিনীর শহীদদের নামাঙ্কিত ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে সেনাপ্রধান

এছাড়াও তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৫০ স্বতন্ত্র প্যারাশুট ব্রিগেড, ওয়ারগেমিং ডেভলপমেন্ট সেন্টার, ডিফেন্স ইমেজ প্রসেসিং এন্ড এনালাইসিস সেন্টার এবং ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) পরিদর্শন করেন।

সফরের প্রথম দুই দিন সেনাবাহিনী প্রধান দিল্লি এবং আগ্রায় বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি আগ্রায় অবস্থিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৫০ স্বতন্ত্র প্যারাশুট ব্রিগেড পরিদর্শন করেন। সেখানে উক্ত ব্রিগেডের সক্ষমতা, কার্যক্রম এবং প্রশিক্ষণ সম্পর্কে সেনাবাহিনী প্রধানকে ধারণা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, এই ব্রিগেডটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসেবে সর্বপ্রথম টঙ্গী হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। সেনাবাহিনী প্রধান ভারতের ওয়ারগেমিং ডেভলপমেন্ট সেন্টার এবং ডিফেন্স ইমেজ প্রসেসিং এন্ড এনালাইসিস সেন্টার পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম ও কারিগরি বিষয়াদি সম্পর্কে অবগত হন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা পরিষদ সচিবালয়ের সামরিক উপদেষ্টা লেঃ জেনারেল (অবঃ) ভিনোদ জি খান্ডারে এর সাথে সাক্ষাতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন সেনাবাহিনী প্রধান। বিকালে ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পররাষ্ট্র নীতি এবং নিরাপত্তা বিষয়ক আয়োজিত এক সেমিনারে এনডিসি কোর্স মেম্বার এবং অনুষদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সেমিনার শেষে উন্মুক্ত আলোচনায় তিনি এনডিসি কোর্স মেম্বারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ভারত সফরের শেষ দিনে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মিত্র বাহিনীর জীবন উৎসর্গকারীদের নাম খচিত স্থান ঘুরে দেখেন এবং আলাদাভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করেন।

পরবর্তীতে তিনি সাউথ ব্লকে পৌঁছালে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার শেষে তিনি ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে এবং প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে তাঁকে ভারতের নিরাপত্তা চিন্তাধারা এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন বিষয়ে দু’টি পৃথক ব্রিফিং প্রদান করা হয়।

বৈঠক সমাপনান্তে সেনাবাহিনী প্রধান ভারতের বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া এবং চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত এর সাথে তাদের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এর সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

এর আগে গত শনিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। পরে বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সেনাপ্রধান দেশে ফিরেন।

কালের আলো/আরআই/এমকে

১৩ বছর বয়সে যিনি গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন, তিনিই এখন এমবাপ্পের কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
১৩ বছর বয়সে যিনি গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন, তিনিই এখন এমবাপ্পের কোচ

ফ্রান্স জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে জিনেদিন জিদানকে পাওয়ার বিষয়টিকে ‘সিনেমার গল্পের মতো’ মনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে।

প্রায় ১৫ বছর আগে রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলে ট্রায়াল দিতে গিয়ে প্রথমবার জিদানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল এমবাপ্পের। সেই সময়ের পরিচিত জিদানই এখন ফ্রান্স জাতীয় দলের প্রধান কোচ। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় এমন পরিবর্তনকে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবেই দেখছেন এমবাপ্পে।

গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন জিদান

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুরোনো স্মৃতি মনে করেন এমবাপ্পে। তিনি জানান, রিয়াল মাদ্রিদের অনুশীলন কেন্দ্রে যাওয়ার সময় জিদানই প্রথম তাকে গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন।

তখন এমবাপ্পের বয়স ছিল মাত্র ১৩ বা ১৪ বছর। সেই সময়ের স্মৃতি এখনো তার মনে গেঁথে আছে। এত বছর পর সেই জিদানই জাতীয় দলের কোচ হওয়ায় বিষয়টিকে অবিশ্বাস্য এক যাত্রা হিসেবে দেখছেন তিনি।

এমবাপ্পের ভাষায়, বিষয়টি যেন সিনেমার গল্পের মতো। তবে সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার হলো, সেই গল্প বাস্তবেই ঘটছে।

জিদানের অধীনে নতুন অধ্যায়

তুরস্কের বিপক্ষে শুক্রবার উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচ দিয়ে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে প্রথমবার ডাগআউটে বসবেন জিদান। তার অধীনে নতুন একটি অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে ফ্রান্স।

নতুন কোচের অধীনে দলের লক্ষ্যও পরিষ্কার বলে জানিয়েছেন এমবাপ্পে। সামনে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য দুই বছর সময় রয়েছে তাদের।

‘নতুন প্রক্রিয়া শুরু করছি’

এমবাপ্পে বলেন, ফ্রান্স নতুন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নেশনস লিগের চারটি ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুত করার পাশাপাশি নতুন কোচের সঙ্গে কাজের ধরনও বুঝে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।

২০২৮ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে এখন থেকেই দলকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন এমবাপ্পে।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন শুরু

গত জুলাইয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় ফ্রান্স। সেই হতাশা পেছনে ফেলে এবার নতুনভাবে পথচলা শুরু করতে চাইছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

জিদানের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারের অধীনে ফ্রান্সের নতুন অধ্যায় কেমন হয়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা। আর সেই অধ্যায়ের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র এমবাপ্পে—যিনি কৈশোরে পাওয়া জিদানকে এবার জাতীয় দলের কোচ হিসেবেই পাশে পাচ্ছেন।

কালের আলো/এসএ

রাজনীতির পিচে নামছেন মোহাম্মদ শামি?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
রাজনীতির পিচে নামছেন মোহাম্মদ শামি?

ক্রিকেটের মাঠে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মোহাম্মদ শামি। এবার তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনীতিতে পা রাখার জল্পনা। ভারতের জাতীয় লোক দল (আরএলডি) সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে শামির সাক্ষাতের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই নতুন করে এই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে শামি বা আরএলডির পক্ষ থেকে এখনো রাজনীতিতে যোগ দেওয়া কিংবা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

জয়ন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরেই যত আলোচনা

সম্প্রতি দিল্লিতে জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেন মোহাম্মদ শামি। পরে জয়ন্ত চৌধুরী নিজেই সামাজিক মাধ্যমে তাদের সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শামির সম্ভাব্য রাজনৈতিক অভিষেক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে আমরোহা সদর আসন থেকে শামিকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বিষয়টি এখনো জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।

শামি নাকি ভাই হসিব?

শুধু মোহাম্মদ শামি নন, তার ভাই মোহাম্মদ হসিবের নামও আলোচনায় এসেছে। এর আগে হসিবের আমরোহা আসন থেকে আরএলডির সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে শামি নিজে নির্বাচনে না দাঁড়িয়ে ভাইকে রাজনীতির মাঠে নামাতে পারেন—এমন আলোচনাও চলছে।

তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে শামি ও তার ভাই—দুজনের পক্ষ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো স্পষ্ট ঘোষণা না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আমরোহার সঙ্গে শামির পুরোনো সম্পর্ক

মোহাম্মদ শামির শিকড় উত্তরপ্রদেশের আমরোহায়। আমরোহা সদর তহসিলের সাহসপুর আলিনগর তার পারিবারিক এলাকা। ফলে স্থানীয় রাজনীতিতে তাকে ঘিরে ‘নিজের এলাকার মানুষ’ হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার আলোচনা তৈরি হয়েছে।

শামির পরিবারেও স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার ইতিহাস রয়েছে। তার ভাই হসিব এর আগে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন বলেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে—নতুন অধ্যায়?

মোহাম্মদ শামি সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০২৫ সালের ৯ মার্চ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন তিনি।

এর মধ্যেই জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে শামির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্যের চেয়ে জল্পনাই বেশি।

অতএব, ক্রিকেটের মাঠে পরিচিত এই পেসার সত্যিই রাজনীতির মাঠে নামবেন কি না, নাকি জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎটি ছিল নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ—সেটির উত্তর মিলবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই।

কালের আলো/এসএ

মেসি গোল করেই চলেছেন, ইন্টার মিয়ামি ড্রয়ের বৃত্তেই

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
মেসি গোল করেই চলেছেন, ইন্টার মিয়ামি ড্রয়ের বৃত্তেই

লিওনেল মেসি গোল করেই চলেছেন, কিন্তু জয় যেন ধরা দিচ্ছে না ইন্টার মিয়ামির। সান দিয়েগো এফসির বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ২-২ গোলে ড্র করেছে মেসির দল। এর ফলে মেজর লিগ সকারে টানা চতুর্থ ম্যাচে ড্র করল ইন্টার মিয়ামি।

তবে ব্যক্তিগতভাবে মেসির জন্য ম্যাচটি ছিল আরেকটি মাইলফলকের। ইন্টার মিয়ামির জার্সিতে নিজের ১০১তম গোল করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। চলতি মৌসুমে লিগে এটি তার ২০তম গোল।

শুরুতেই এগিয়ে সান দিয়েগো

ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় সান দিয়েগো। জেপ্পে টভের্সকভের বাড়ানো বল কাজে লাগিয়ে গোল করেন আন্দ্রেস দ্রেয়ার। ইন্টার মিয়ামির গোলরক্ষক দেইন সেন্ট ক্লেয়ারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

তবে পিছিয়ে পড়ার পর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি মেসিদের। ২৪ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মেসি। ডান দিক থেকে নেওয়া তার ফ্রি-কিক কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শ ছাড়াই দূরের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ায়।

সুয়ারেজের গোলে এগিয়েও জয় পেল না মিয়ামি

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ইন্টার মিয়ামি।

অবশেষে ৭৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। রদ্রিগো ডি পলের বাড়ানো বল থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন উরুগুইয়ান তারকা।

তবে সেই লিডও ধরে রাখতে পারেনি মিয়ামি। মাত্র আট মিনিট পর আবারও গোল করেন দ্রেয়ার। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সান দিয়েগোর এই ডেনিশ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

মেসির গোল, তবু জয়ের দেখা নেই

এই ড্রয়ের ফলে ইন্টার মিয়ামির পয়েন্ট এখন ৪৬। চলতি এমএলএসে ১২টি জয়, ১০টি ড্র ও ৪টি হারে এই পয়েন্ট পেয়েছে তারা। একই সঙ্গে টানা চার ম্যাচ ড্র করার হতাশাও সঙ্গী হলো মেসিদের।

ম্যাচের শেষ দিকেও জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিল ইন্টার মিয়ামি। তবে সান দিয়েগোর গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত আর গোল পায়নি মেসির দল।

সামনে কলম্বাস ক্রু

এমএলএসে ইন্টার মিয়ামির পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে। অন্যদিকে সান দিয়েগো এফসি আগামী শনিবার অস্টিন এফসির মুখোমুখি হবে।

মেসি ব্যক্তিগতভাবে গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন, কিন্তু দলকে টানা ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বের করতে পারছেন কি না—সেটিই এখন ইন্টার মিয়ামিকে ঘিরে বড় প্রশ্ন।

কালের আলো/এসএ