খুঁজুন
                               
, ,
           

গৌরবময় সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট সেনাপ্রধান, কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৮:১২ অপরাহ্ণ
গৌরবময় সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট সেনাপ্রধান, কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

‘প্রাণ দেব মান নয়’ মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোর। প্রায় ৫০ বছর আগে গৌরবময় এক পথচলা শুরু হয় কোরটির। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামেও রয়েছে তাদের গৌরবোজ্জ্বল এক ইতিহাস। সুদীর্ঘ যাত্রাপথে তাঁরা পেয়েছে সাতজন কর্নেল কমান্ড্যান্ট। বর্ণাঢ্য সামরিক ঐতিহ্য ও রীতিতেই এবার তাঁরা পেয়েছেন অষ্টম কর্নেল কমান্ড্যান্ট।

গভীর দেশপ্রেম আর সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখা এই কোরের নতুন কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বগুড়ায় অবস্থিত মাঝিরা সেনানিবাসে আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের শহীদ লে. বদিউজ্জামান প্যারেড গ্রাউন্ডে অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

সাঁজোয়া কোরের ইতিহাসের সঙ্গে নিজেকে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত এবং গর্বিত জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এই দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ায় তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন।

নিজেকে বিশেষ ভাগ্যবান মনে করে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে কোরের জন্য কল্যাণকর যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন। পাশাপাশি কোরের অগ্রযাত্রাকে বেগবান ও আধুনিকায়নেও সবার সহযোগিতা চেয়েছেন নতুন এই কর্নেল কমান্ড্যান্ট।

সেনাপ্রধান সাঁজোয়া কোরের ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট’ হিসেবে দায়িত্বভার নেওয়ায় নব উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে কোরটির সদস্যদের মাঝেও। অতীতের ধারাবাহিকতায় সামনের দিনগুলোতেও দেশসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রতিটি সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর নি:স্বার্থ সংগ্রামেই সার্বভৌম দেশ
সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ নিজের বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন বাঙালি জাতির চির আরাধ্য পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি বলেন, ‘মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, বহু যুগের নিঃস্বার্থ সংগ্রাম এবং অসামান্য আত্মত্যাগ বাঙালি জাতিকে এনে দিয়েছিল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ।’

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদদের অপরিমেয় শ্রদ্ধা-বিনয়ের সঙ্গে স্মরণ করে জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আহবানে সাড়া দিয়ে সাঁজোয়া কোরের অকুতোভয় সদস্যরা দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে সাঁজোয়া কোরের ৩৯০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করে ৫৯ জন বীর সেনানী শহীদ হন এবং ০৪ জন সদস্য অনন্য দেশপ্রেম, কর্তব্যবোধ ও বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য খেতাবপাপ্ত হন। স্বাধীনতা যুদ্ধে এই কোরের সদস্যগণ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে সে গৌরবজ্জল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তা আগামী দিনে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘মাতৃভূমিকে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত করার প্রয়াসে মহান মুক্তিযুদ্ধে এই কোরের সদস্যরা যে সাহস, উদ্দীপনা ও অপ্রতিরোধ্য লড়াই করেছিলেন জাতি তা গভীর শ্রদ্ধার সাথে চিরদিন স্মরণ করবে।’

পূর্বসূরীদের স্মরণ; ইতিহাসের বর্ণচ্ছটায় সাঁজোয়া কোর
জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, ‘অভিষেক প্যারেডের মাধ্যমে আমাকে কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে বরণ দিবসের এই তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্তে আমি স্মরণ করছি সাঁজোয়া কোরের ভূতপূর্ব সকল কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও সেন্টার কমান্ড্যান্টসহ সকল প্রাক্তন সদস্যদের, যাদের দুরদর্শিতা, নিরলস পরিশ্রম ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই কোর আজ সুদৃঢ় ভিত্তির উপর অধিষ্ঠিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সাঁজোয়া কোর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সামরিক ঐতিহ্য ও ইতিহাসসমৃদ্ধ জ্যেষ্ঠতম কোর। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে তথা ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে ঢাকা সেনানিবাস্থ বালুঘাটে, ১ম বেংগল ল্যান্সার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাঁজোয়া কোর তথা সমর সম্রাট এর যাত্রা শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাঁজোয়া কোর দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। ১৯৮৯ সালের ৫ এপ্রিল মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুস সালাম সাঁজোয়া কোরের প্রথম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত হন। সাঁজোয়া কোর ১৯৯৪ সালের ২৫ এপ্রিল জাতীয় পতাকা এবং একই বছরের ২৬ এপ্রিল রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করে।’

সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত সম্পর্কের মাত্রা
অষ্টম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত হয়ে জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি পদাতিক রেজিমেন্টের সদস্য হলেও পেশাগত জীবনের সুদীর্ঘ যাত্রাপথে এই কোরের সাথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিওসি, আর্টডক হিসেবে দায়িত্ব পালানকালে সেই সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়।

চলতি বছরের ২৪ জুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ পূর্বক আজ সাঁজোয়া কোরের ‘কর্নেল কমান্ড্যান্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ায় এই সম্পর্কের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠতম ও ঐতিহ্যবাহী এই কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় আমি আবারো বলছি, আমি অত্যন্ত গর্বিত।

অনুষ্ঠানে আর্টডকের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, সেনা সদরের অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৪১ তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে যোগদান
আইএসপিআর জানায়, এদিন প্যারেড স্কয়ারে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধানকে আনুষ্ঠানিক অভিবাদন জানানো হয় এবং সাঁজোয়া কোরের একটি চৌকষ দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। পরে সেনাবাহিনী প্রধান মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী সাঁজোয়া কোরের বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ ‘সাঁজোয়া চিরন্তন’ এ পুস্পস্তবক অর্পন করেন এবং আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের ঐতিহ্যবাহী সাঁজোয়া জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে সেনাবাহিনী প্রধান সাঁজোয়া কোরের ৪১তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে যোগ দেন। তিনি সম্মেলনে উপস্থিত সাঁজোয়া কোরের ইউনিটসমূহের অধিনায়ক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন এবং সাঁজোয়া কোরের উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও দেশে-বিদেশে পরিচালিত কার্যক্রম বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

সেনাপ্রধান সাঁজোয়া কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে সাঁজোয়া কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআরকে/এনএল

‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ থেকে বিয়ে নিয়ে নতুন ভাবনায় আরিফিন শুভ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ থেকে বিয়ে নিয়ে নতুন ভাবনায় আরিফিন শুভ

চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ এখন নিজের মতো করেই জীবন কাটাচ্ছেন। কখনো দেশে, কখনো দেশের বাইরে—কাজের ব্যস্ততার পাশাপাশি নিজের জন্যও সময় রাখছেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর কথায় সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে এসেছে নতুন উপলব্ধি।

গত কোরবানির ঈদে মুক্তি পেয়েছে শুভ অভিনীত সিনেমা ‘মালিক’। সিনেমাটি মুক্তির পর আবারও দেশের বাইরে চলে যান তিনি। এর আগে দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থেকে সনি লিভ অরিজিনাল সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’তে কাজ করেছেন। সিরিজটিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।

বর্তমানে নিজেকে ‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ বললেও ভবিষ্যতে তাঁর জীবনে আবার সম্পর্ক বা বিয়ে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন শুভ। তাঁর ভাষায়, মানুষ হয়তো একা থাকার জন্য তৈরি হয়নি।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাকে হারানোর পর ব্যক্তিজীবনে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছেন এই অভিনেতা। সে সময় নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছিলেন। তবে ধীরে ধীরে জীবন ও সম্পর্ক নিয়ে তাঁর ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে।

শুভ বলেন, বিয়ে বা সম্পর্ক তাঁর জীবনে আবার আসতে পারে। তবে সেটি কখন হবে, তা তিনি জানেন না। এ বিষয়ে নিজের স্বভাবসুলভ রহস্যময় ভঙ্গিতে তাঁর মন্তব্য, ‘আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই দেখতে পাবেন।’

একসময় জীবন নিয়ে অনেক পরিকল্পনা থাকলেও এখন আর সবকিছু নির্দিষ্ট ছকে বাঁধতে চান না শুভ। জীবনের স্রোত যেদিকে নিয়ে যাবে, সেভাবেই এগিয়ে যেতে চান তিনি।

বিয়ে নিয়ে নিজের উপলব্ধি প্রসঙ্গে শুভ বলেন, সুখী দাম্পত্য শুধু সামাজিকভাবে দৃশ্যমান কিছু বিষয় বা ছবি দিয়ে নির্ধারিত হয় না। বরং বোঝাপড়া, দেওয়া-নেওয়া ও সমঝোতার মতো ছোট ছোট বিষয়ই একটি সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী ও স্থিতিশীল করে।

তাহলে ‘হ্যাপিলি সিঙ্গেল’ শুভ কি ভবিষ্যতে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ হতে চলেছেন? সেই উত্তর আপাতত নিজের কাছেই রেখেছেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, সময়ই বলে দেবে জীবনের স্রোত তাঁকে কোথায় নিয়ে যায়।

কালের আলো/এসএ

২০ কর্মকর্তা নিয়ে বৈঠকে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
২০ কর্মকর্তা নিয়ে বৈঠকে ইসি

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ। তার আগে ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসেছে ইসি সচিবসহ ২০ কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইসি সচিব আখতার আহমেদের নেতৃত্বে নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কিভাবে ভোট গ্রহণ করা হবে, কত সময় মধ্যে শেষ করতে হবে এ বিষয়গুলো আলোচনা হবে বৈঠকে।  এরপর ১১ টা ৪৫ মিনিট ভোটের সকল সামগ্রী নিয়ে ইসি ভবন থেকে সংসদ ভবনে যাবেন তারা।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমরা কর্মকর্তা যারা রয়েছি, আমরা আগামীকাল ১২ টা থেকে সোয়া ১২ টার মধ্যে জাতীয় সংসদে পৌঁছাব।

‘নির্বাচনি কর্তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন স্যার আরেকটু সময় পরে সংসদে পৌঁছাবেন’ বলেও তিনি জানান।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচনী কর্তা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনকে সহায়তার জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

তারা হলেন- ইসি সচিব আখতার আহমেদ, যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দীন খান, উপসচিব রাশেদুল ইসলাম, পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন, উপসচিব মুনীর হোসাইন খান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম, সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান, সিনিয়র সহকারী সচিব এ টি এম শামীম মাহমুদ,  সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দ আফজাল আহাম্মেদ, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া, একান্ত সচিব এএসএম জাকির হোসেন, একান্ত সচিব এসএম হাবিবুর রহমান, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম, একান্ত সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সিনিয়র সহকারী সচিব আসমা দিলারা জান্নাত, একান্ত সচিব রৌশন আরা বেগম, সিনিয়র সহকারী সচিব আরাফাত আরা ও সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম ইকবাল হাসান। জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতা দেখিযে পদত্যাগ করলে ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ ভোটে রয়েছেন। ভোটগ্রহণ দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ট্রাম্পের সঙ্গে ‘গোপন যোগাযোগের’ দাবি নাকচ করলেন কিমের বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ট্রাম্পের সঙ্গে ‘গোপন যোগাযোগের’ দাবি নাকচ করলেন কিমের বোন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন-এর সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তবে কিমের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো-জং দুই নেতার মধ্যে গোপন যোগাযোগের দাবি নাকচ করেছেন।

ট্রাম্প সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, কিমের সঙ্গে তাঁর গোপনে কথাবার্তা চলছে। এমনকি কিমের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আয়োজন করতে কর্মকর্তাদের চাপ দিচ্ছেন বলেও মার্কিন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। আগামী নভেম্বরে চীনের শেনঝেনে এপেক সম্মেলনের সময় দুই নেতার বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে কিম ইয়ো-জং বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো যোগাযোগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁর মতে, ট্রাম্প ও কিমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো হলেও উত্তর কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্র এখনো শত্রুদেশ।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে কিম ইয়ো-জং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর কোরিয়াবিরোধী নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এখনো উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যেই ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এ বছর কিমের সঙ্গে বসতে চান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বসব।’ কিমের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ের কথাও উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তিনি কিমকে ভালোভাবে চেনেন এবং আশা করেন তিনি ভালো থাকবেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র’ রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা নিয়ে এমন নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করাকে অস্বাভাবিক বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন।

যদিও কিম ইয়ো-জং দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রতি কিমের ব্যক্তিগত আবেগ রয়েছে এবং দুই নেতার মধ্যে ভালো কিছু স্মৃতিও রয়েছে।

ফলে ট্রাম্প-কিম বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় কোনো অগ্রগতি এখনো নিশ্চিত নয়।

সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান

কালের আলো/এসএ