খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

চট্টলায় নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত করলেন সেনাপ্রধান, যুক্ত হলো দু’টি বিশেষায়িত হেলিকপ্টার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
চট্টলায় নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত করলেন সেনাপ্রধান, যুক্ত হলো দু’টি বিশেষায়িত হেলিকপ্টার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

দেশের উত্তরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের পর এবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করলো ‘আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’। কৌশলগতভাবে আলাদা গুরুত্ব বহন করা বীর চট্টলার মাটিতে এই ফরোয়ার্ড বেস স্থাপনের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা দু’টি বিশেষায়িত বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার সেখানে সংযোজনের মাধ্যমে সূত্রপাত হলো নতুন এক অধ্যায়ের। পাশাপাশি সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও আরও একধাপ এগিয়ে গেলো আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ।

উচ্ছ্বাস আর আনন্দমুখরতায় সোমবার (১১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর এলাকায় সুইচ বাটন চেপে এবং লাল ফিতা কেটে আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস ও অত্যাধুনিক বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টারের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

এরই মধ্যে দিয়ে ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণের স্বাক্ষী হলেন তিন বাহিনীর উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের গণমাধ্যমের কর্মীরাও।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নানা কারণেই বৃহত্তর চট্টগ্রামের ভূকৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। তিন পার্বত্য জেলায় সন্ত্রাস দমনের সঙ্গে সঙ্গে দুর্গম অঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সেখানে বসবাসরত জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষে নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এই অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদানেও তাদের রয়েছে অনন্য ভূমিকা। কিন্তু এখানে ছিল না কোন এভিয়েশন বেস এবং বিশেষায়িত হেলিকপ্টার। এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এবার ‘আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’ স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন।

একই সূত্র জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে ফোর্সেস গোল অর্জনের অংশ হিসেবেই আধুনিক এই দু’টি হেলিকপ্টার কেনা এবং ফরোয়ার্ড এভিয়েশন বেস স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩ মার্চ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেনা সদস্যেদের সহায়তা প্রদানে লালমনিরহাট আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’র পথচলা শুরু হয়।লালমনিরহাট সেনানিবাসে উদ্বোধন করা হয় আর্মি এভিয়েশন স্কুলের নবনির্মিত হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্স।

নবীন বৈমানিকদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
চট্টগ্রামে আনন্দঘন পরিবেশে এই অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আর্মি এভিয়েশন’র আধুনিকায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে দু’টি অত্যাধুনিক বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার।

এ দু’টি হেলিকপ্টার নবীন বৈমানিকদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে আকাশ থেকে ভূমিতে অনুসন্ধান, পর্যবেক্ষণেও কাজ করবে।’

দেশের দক্ষিণাচল, সেন্টমার্টিন দ্বীপসহ পার্বত্য অঞ্চলের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলা, চিকিৎসা সহায়তা, আভিযানিক ও প্রশাসনিক কাজ, পার্বত্য অঞ্চলে রসদ সরবরাহসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখন থেকে চট্টগ্রাম আর্মি এভিয়েশন বেস থেকে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা
সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি আধুনিক ও যুগোপযুগী সেনাবাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্ব এবং আন্তরিকতায় জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক উদ্যোগের কারণেই চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে আর্মি এভিয়েশন ফরওয়ার্ড বেস নির্মান এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন দু’টি বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বহরে অন্তর্ভূক্তি সম্ভব হয়েছে।’

বিমান অপারেশন খরচও উল্লেখযোগ্যহারে কমবে
আর্মি এভিয়েশনের গ্রুপ কমান্ডার মেজর জেনারেল আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এতোদিন তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে ১০ পদাতিক ডিভিশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় জরুরি সহায়তা পৌঁছানো আর্মি এভিয়েশনের জন্য একটি সময় সাধ্য বিষয় ছিল।

কিন্তু চট্টগ্রামে ‘আর্মি এভিয়েশন ফরোয়ার্ড বেস’ স্থাপনের মাধ্যমে একদিকে যেমন আমাদের সময় কমে আসবে তেমিন বিমান অপারেশন খরচও উল্লেখযোগ্যহারে কমে আসবে।’

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগোচ্ছে আর্মি এভিয়েশন
সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুযোপযোগী সামরিক সক্ষমতা অর্জন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই এই কথা বলে আসছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য সেনাবাহিনীর আভিযানিক কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে বিমান সহায়তা প্রদান করা। ফলশ্রুতিতে আধুনিক সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিল রেখে আর্মি এভিয়েশনে সংযোজিত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমান।

এদিন দু’টি বেল ৪৭০ জিএক্সআই হেলিকপ্টার সংযোজনের আগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিমান বহরে সংযোজিত হয় ৪ টি ডায়মন্ড ডিএ৪০এনজি প্রশিক্ষণ বিমান।

এছাড়া আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে রয়েছে সেসনা-১৫২ এ্যারোব্যাট, সেসনা গ্রান্ড ক্যারাভান সিই-২০৮বি বিমান, বেল-২০৬ এল ৪ হেলিকপ্টার, ইউরোকপ্টার ডফিন এএস ৩৬৫ এন৩+, এমআই ১৭১ এস এইচ হেলিকপ্টার এবং কাসা সি-২৯৫ ডব্লিউ বিমান।

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম 

 

৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুঃসময় যেন কাটছেই না। এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুক্রবার গুজরাটের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর নতুন আরেকটি লজ্জার নজির গড়েছে কলকাতা।

গুজরাটের কাছে হারায় আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে কোনো মৌসুমের প্রথম ৬টি ম্যাচেই জয়হীন থাকল কেকেআর।

প্রথম দল হিসেবে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা ২০১২ সালের আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম) মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পায়নি।

২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকেও একই লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। পঞ্চম দল হিসেবে এই তালিকায় নাম উঠল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের।

ইডেন গার্ডেন্সের পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট পান রাহানেরা। বাকি পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছেন তারা। ফলে মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পেল না নাইট শিবির। বাজে ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছে শাহরুখের দল।

কালের আলো/এসএকে