খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শেখ হাসিনা-সোলিহের উপস্থিতিতে নব দিগন্তের উন্মোচন করলেন জেনারেল শফিউদ্দিন-শামাল!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
শেখ হাসিনা-সোলিহের উপস্থিতিতে নব দিগন্তের উন্মোচন করলেন জেনারেল শফিউদ্দিন-শামাল!

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

দুবাই এয়ার শো প্রদর্শনীর ফাঁকে প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের। হৃদ্যতাপূর্ণ সেই সাক্ষাৎ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইট করেছিলেন মালদ্বীপের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্স মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ শামাল।

আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চায় মালদ্বীপ, বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের প্রতি কৃতজ্ঞতায় টুইট জেনারেল শামালের

লিখেছিলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তিনি সম্মানিত।

গতবারের গুরুত্বপূর্ণ ওই বৈঠকটি ছিল সাইডলাইনে। মাস ঘুরতেই আবারো একত্রে মিলিত হয়েছেন তাঁরা। তবে এবারের সাক্ষাৎ পেয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম মোহাম্মদ সোলিহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে দু’দেশের দু’সেনাপ্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্স মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ শামাল উন্মোচন করলেন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপকে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ১৩ টি সামরিক যানের প্রতীকী চাবি তুলে দিলেন মালদ্বীপের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্স মেজর জেনারেল আব্দুল্লাহ্ শামালের হাতে। এরই মধ্যে দিয়ে সামরিকভাবে অগ্রসরমান বাংলাদেশ বৈশ্বিক পরিমন্ডলেও নিজেদের স্বপ্নের পালে লাগিয়ে দিয়েছে নতুন হাওয়া। আরও সুদৃঢ় করেছে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সেনাবাহিনীর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-মালদ্বীপের মধ্যে চার এমওইউ-চুক্তি সই

দু’দেশের দু’সরকারপ্রধানের উপস্থিতিতে আনন্দঘন এই মুহুর্তটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ দু’টির গভীর বন্ধুত্বেরই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পর্যবেক্ষক মহল বলছে, দীর্ঘদিন যাবত দু’প্রতিবেশী বাংলাদেশ-মালদ্বীপ দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করছে। বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসাবে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সঙ্কটে মালদ্বীপ পাশে পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের দাবিসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশকেও মালদ্বীপ সমর্থন দিয়েছে আকুন্ঠচিত্তেই।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নিজের টানা প্রধানমন্ত্রীত্বের তিন মেয়াদে এবার দ্বিতীয়বারের মতো মালদ্বীপ সফর করছেন। প্রথমবার সার্ক সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি মালদ্বীপে গেলেও গত বুধবার (২২ ডিসেম্বর) প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে এই দ্বীপরাষ্ট্রের উদ্দ্যেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

আর চলতি বছরের মার্চ মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনে যোগ দেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম মোহাম্মদ সোলিহ।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপে শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা

স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালকে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য ‘যুগান্তকারী বছর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এবারের সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে প্রেসিডেন্ট সলিহর দফতরে পৌঁছলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

পরে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন এবং বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দ্বৈত কর পরিহার এবং যুব ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং একটি চুক্তি নবায়ন করা হয়।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম সলিহ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ উন্নয়নের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সলিহের সঙ্গে তার বিশদ আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠক অত্যন্ত ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে। সেখানে দুই দেশের মধ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

পক্ষান্তরে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট সলিহ বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সফর বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এ বছর বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এরপর দু’নেতার উপস্থিতিতে নিজেদের মধ্যকার ‘বন্ধুত্বের প্রতীক’ হিসেবে মালদ্বীপকে ১৩ টি সামরিক যান উপহার দেয় বাংলাদেশ। মালদ্বীপের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্স মেজর জেনারেল আব্দুল্লাহ্ শামালের হাতে ১৩টি সামরিক যানের চাবি প্রতীকী হস্তান্তর করেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

এর মাধ্যমে দু’দেশ তথা সেনাবাহিনীর সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার পাশাপাশি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককেও উন্নীত করেছে নতুন মাত্রায়-মত সামরিক পর্যবেক্ষকদের।

এর আগে গত রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মালদ্বীপ সফরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা দপ্তরকে ১৩টি সামরিক যান উপহার দেওয়া হবে।

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা দপ্তরের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৩টি সামরিক যান বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা দপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাজারে চলছে অস্থিরতা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
বাজারে চলছে অস্থিরতা

বাজারে নিতপণ্যের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলে সরকার রেশনিং আরোপ করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামে বাড়তি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। এতে ট্রাক ভাড়া আগের তুলনায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহণ খাতেও খরচ বেড়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। যা এক মাস আগেও ১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৪০ টাকা। যা এক মাস আগে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি। আগে ছিল ৭৫০ টাকা। এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে অস্থিরতা। আরেক দফা মূল্য বাড়াতে বাজার থেকে উধাও হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। পাশাপাশি সংকট দেখিয়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা। যা এক মাস আগে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে চিনির দামও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা। যা ঈদের আগে ১০০ টাকা ছিল।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় বেড়েছে। তাই দেশের বাজারেও দাম বাড়াতে হবে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকায়। বিআর-২৮ জাতের মাঝারি দানার চাল ৬৮ টাকা, সরু চালের মধ্যে মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে দাম না বাড়লেও প্রতি কেজি সরু মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, মাঝারি দানার মসুর ডাল ১২০-১৩০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

নয়াবাজারের ব্যবসায়ী মো. আকবর বলেন, পরিবহণ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সবজি থেকে শুরু করে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জ্বালানি পরিস্থিতির জন্য পণ্যের দাম যেটুকু বাড়ার কথা তার তুলনায় বেশি দাম নেওয়ায় সাধারণ মানুষ বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

কেজিপ্রতি ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এক মাস আগে ছিল ৮০-৯০ টাকা। পটোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। যা আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম ৩ দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কম ছিল। মূলত ট্রাক ভাড়া বাড়ার কারণে সবজির দাম বেড়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুম বলেন, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মাসে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাই। মা-বাবা, স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে আমার সংসার। সেখান আমিসহ তাদের খাবার জোগাড় করতে মাসে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল ৪ হাজার, ৫ লিটার তেল ৮৫০, বাসা ভাড়া ১২ হাজার, সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগিসহ তরকারি রান্নার উপকরণ কিনতে ৮ হাজার, গ্যাস সিলিন্ডার ২০০০, সাবান-ডিটারজেন্ট ও শ্যাম্পু ৫০০, মুদি বাজার আরও ২ হাজার, বিদ্যুৎ বিল ১০০০ ও মোবাইল টকটাইমে খরচ হয় ৫০০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহণ ব্যয় বাড়ার প্রভাব সরাসরি পণ্যের দামে পড়ছে। পাশাপাশি বাজার সিন্ডিকেটের কারণে ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই বাজারে কঠোরভাবে তদারকি দরকার।

কালের আলো/এম/এএইচ

বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমি-ফাইনালে উঠেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

মঙ্গলবার রাতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে শুরুতেই আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। চতুর্থ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল এবং ২৪তম মিনিটে ফেররান তোরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা, ফলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরে। তবে ৩১তম মিনিটে আদেমোলা লুকমান গোল করে আতলেতিকোকে আবারও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন, যা শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।

পুরো ম্যাচে প্রায় ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা আক্রমণ চালালেও দুই দলই নেয় ১৫টি করে শট; লক্ষ্যে ছিল বার্সেলোনার ৮টি ও আতলেতিকোর ৫টি। বারবার সুযোগ তৈরি করেও গোল বাড়াতে পারেনি কাতালানরা, বিপরীতে গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দৃঢ়তায় টিকে থাকে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষ দিকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বার্সেলোনার জন্য। ৭৭তম মিনিটে এরিক গার্সি‌য়া লাল কার্ড দেখলে যোগ করা সময়সহ শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের। প্রথম লেগেও তারা খেলেছিল ১০ জনে।

শেষদিকে রবার্ট লেভানদোভস্কি ও রোনাল্ড আরাওহো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ২-১ ব্যবধানে জিতেও হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

অন্যদিকে প্রায় ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠেই উল্লাসে মাতে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

কালের আলো/এসএকে

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

ইউরোপে যখন অভিবাসননীতি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে তখন ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নিলো স্পেন। প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে দেশটি। অর্থনীতি, জনসংখ্যা আর বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরে এই উদ্যোগকে ন্যায়ের পদক্ষেপ বলছে স্পেন সরকার।

এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তের পর বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উদযাপনের দৃশ্য দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এ ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েছেন তারা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে স্পেন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ এবং পরিচ্ছন্ন অপরাধমুক্ত রেকর্ড দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা কাজের সুযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবেন।

সরকার বলছে, এই অভিবাসীরাই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন। জনসংখ্যার বার্ধক্য মোকাবিলা এবং শ্রমঘাটতি পূরণে তাদের বৈধতা দেওয়া জরুরি। অতীতে স্পেনের নাগরিকদের বিদেশে কাজের জন্য পাড়ি জমানোর ইতিহাসও এই সিদ্ধান্তের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

তবে দেশটির বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগ অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে এবং নতুন করে আরও মানুষের আগমন বাড়াতে পারে।

যদিও ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু মহল এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। ইউরোপজুড়ে কড়াকড়ির প্রবণতার বিপরীতে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসাআর/এএএন