খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

রকেট-শোরাড মিসাইলে আরও অপ্রতিরোধ্য সেনাবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন মাত্রার কথা সেনাপ্রধানের কন্ঠে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
রকেট-শোরাড মিসাইলে আরও অপ্রতিরোধ্য সেনাবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন মাত্রার কথা সেনাপ্রধানের কন্ঠে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখার পাশাপাশি বহি:শত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় অত্যাধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর বহরে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নানা যুদ্ধাস্ত্র ও সরঞ্জাম। সেনাবাহিনীর ‘হোম অফ গানার্স’ হিসেবে পরিচিত বন্দর নগরী চট্টগ্রামের আর্টিলারি সেন্টারে মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সকালে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন সমরাস্ত্রের আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তিকরণ অনুষ্ঠান হয়েছে।

এসব আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ও সরঞ্জামে আরও অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে সতের কোটি মানুষের আস্থা ও গর্বের ঠিকানা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এদিন সকালে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ড.এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ ফরমান তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বেলুন উড়িয়ে অত্যাধুনিক শোরাড মিসাইল মিসাইল ও আকাশ প্রতিরক্ষার রকেট যুক্ত করার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি দুটি রেজিমেন্টের পতাকাও উত্তোলন করেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সেনাবাহিনীতে নতুন সংযোজিত এই ওয়েপন সিস্টেম নি:সন্দেহে একটি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র বলেও মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে এসব সমরাস্ত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমর সক্ষমতাকে এক নতুন মাত্রা দেবে বলেও তিনি দৃঢ়কন্ঠে উচ্চারণ করেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘৪৪ শোরাড মিসাইল রেজিমেন্ট আর্টিলারির প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। আধুনিক এফএম ৯০ এয়ার ডিফেন্স মিসাইলের সমন্বয়ে গঠিত ৪৪ শোরাড মিসাইল রেজিমেন্ট আর্টিলারি নিঃসন্দেহে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহকে দুর্ভেদ্য আকাশ-প্রতিরক্ষা প্রদানের এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।’

এ সময় জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা অর্জনে বর্তমান সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেন। আধুনিক এসব সমরাস্ত্র বাহিনীতে সংযোজন এবং রেজিমেন্টের পতাকা উত্তোলন করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশের সেবায় সর্বোচ্চ ত্যাগের অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে।’

সূত্র জানায়, সেনবাহিনীর বহরে যুক্ত হওয়া তুরস্ক থেকে আনা অত্যাধুনিক টাইগার এমএলআরএস মিসাইল ১২০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। একই সঙ্গে যুক্ত হওয়া চীন থেকে আনা শোরাড মিসাইল; ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার গতি সম্পন্ন এই ক্ষেপনাস্ত্র দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, আকাশ ও সীমানা প্রতিরক্ষায় প্রতিহত করবে বহি:শত্রুর আক্রমণ।

একই সূত্র বলছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরের নতুন সংযোজন শোরাড হলো সেনাবাহিনী বহরের অত্যাধুনিক মিসাইল। ২০২১ সালের মার্চে সফল মিসাইল ফায়ারিং সম্পন্ন হওয়ার পর ওই বছরই শোরাড মিসাইল রেজিমেন্ট পূর্নাঙ্গ ইউনিট হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সে সাথে রেজিমেন্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো আকাশ-প্রতিরক্ষার ৫১ এমএলআরএস রেজিমেন্ট।

তৃতীয় এমএলআরএস ব্যাটারীতে যুক্ত হওয়া এসব সমরাস্ত্র ব্যবহারে পারদর্শী হতে সেনা সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘প্রিয় সেনাসদস্যগণ আমি আশা করবো সমরাস্ত্রে আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিজেদের যথাযোগ্যভাবে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলবেন। যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে সমরাস্ত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আপনারা সক্ষম হন। আমাদের মনে রাখতে হবে, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের সর্বদা প্রস্তুত রাখা প্রতিটি সেনাসদস্যের নৈতিক দায়িত্ব।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, পরে দুপুরে চট্টগ্রাম সেনানিবাসের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন সেনাপ্রধান। এখানে অংশ নেন দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৪৭টি ইউনিটের অধিনায়করা। আর্টিলারি ব্যাটারীর অন্তর্ভুক্তিকরণ ও নবগঠিত ইউনিটের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর বক্তব্যে সেনাবাহিনীর নতুন ইউনিটসমূহের সকল সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সেই উন্নয়নের পথ ধরে আজকের এই ইউনিটের অন্তর্ভুক্তিকরণ ও পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠিত হলো এবং একই সাথে বাস্তবায়িত হলো সামরিক বাহিনীর উন্নয়নের রূপকল্প ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আরেকটি ধাপ।’

আইএসপিআর আরও জানায়, এরপর সেনাবাহিনী প্রধান দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন এবং এই রেজিমেন্টের উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও দেশে-বিদেশে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ে মতবিনিময় করেন। সেনাবপ্রধান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য, দেশমাতৃকার সেবায় সক্রিয় অবদানের কথা স্মরণ করেন। আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই রেজিমেন্টের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী, সেনা সদর দপ্তরের এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল মুহাম্মদ জুবায়ের সালেহীনসহ ঊর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তা, অসামরিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইউএইচএফপিও সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
ইউএইচএফপিও সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবারই প্রথম বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবাকে জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা, সার্বিক কার্যক্রম অবহিত হওয়াসহ সরকারের নির্দেশনা তাদের কাছে দেওয়ার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন।

এ সময় শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/এসএকে

৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইটের যাত্রীরা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩০০১ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ ফ্লাইটে হজযাত্রী ছিলেন ৪১৯ জন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম।

হজযাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের হাতে রিফ্রেশমেন্ট কিট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইয়াহিয়া রাদি ও হাজিদের অভ্যর্থনায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর যে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার, তা পর্যালোচনা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, চলমান বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে (শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা এই ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সঙ্গে এ ব্যাপারে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবো।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শিক্ষার্থী-জনতার তীব্র আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে যান। বর্তমানে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্রয়ে নয়াদিল্লিতে একটি বাড়িতে থাকছেন তিনি।

অভ্যুত্থানের পর ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একাধিকবার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে সে সময়ও বলা হয়েছিল— অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনকারী দল বিএনপি সম্প্রতি সেই নিষেধাজ্ঞাকে আইনে পরিণত করেছে। শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে নতুন এই আইনের ব্যাপারেও জয়সওয়ালের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন সাংবাদিকরা।

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

কয়েক দিন আগে নয়াদিল্লিতে বৈঠক হয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের। সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়সওয়াল বলেছেন, আমি এখানে বলব যে অতীতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছিলেন, এবারও তা-ই পুনর্ব্যক্ত করেছেন; আর তা হলো— বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে ভারত গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকতে চায়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ