খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

যুব গেমস আয়োজনে সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীকেই কৃতিত্ব সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
যুব গেমস আয়োজনে সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীকেই কৃতিত্ব সেনাপ্রধানের

বিশেষ প্রতিবেদক, কালের আলো:

দেশের সর্ববৃহৎ ইভেন্ট শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস’র সফল আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই কৃতিত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণার কারণেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অলিম্পিক এসোসিয়েশন দেশের সর্ববৃহৎ ইভেন্ট এই যুব গেমস আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে।’

আরও পড়ুন: উৎসবের আবহে যুব গেমসের আলো ঝলমলে উদ্বোধন, স্মার্ট খেলোয়াড় তৈরির রূপরেখা প্রধানমন্ত্রীর

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ কামাল বাংলাদেশ যুব গেমস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেনাপ্রধান ও বিওএ সভাপতি জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি শুরুতেই মহান আল্লাহ’র নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। যার অশেষ রহমতে শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে এবং আমরা সকলেই সুস্থ থেকে আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরেছি। আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি। যিনি আমার ওপর আস্থা রেখে সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। সেই সাথে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও অলিম্পিক এসোসিয়েশনের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা, পৃষ্ঠপোষকতা এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করেছেন।’

আরও পড়ুন: যুব গেমস হবে জৌলুসময় ও আনন্দময় : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলে থাকি এবং আজও বলছি, বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন ও বিশ্ব দরবারে আমাদের যে সম্মান অর্জন হয়েছে এর কোন কিছুই হতো না যদি না বাংলাদেশ স্বাধীন হতো। তাই আমি এই মাহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই আমাদের স্বাধীনতার মূল রূপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গমাতাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্য ও জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। বিশেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতি, যার নামে নামকরণ করা হয়েছে এ যুব গেমসের। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ৩০ লক্ষ শহীদদের। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা পেয়েছি। আমি আরও স্মরণ করছি সশ্রদ্ধ বাহিনীর সকল শহীদদের যারা স্বাধীনতার সময় এবং পরবর্তী সময়েও দেশে ও বিদেশে মাতৃভূমির জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছে।’

বিওএ সভাপতি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাস ভাষার মাস। ফেব্রুয়ারি মাস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মাস। এই মাসে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সকল ভাষা শহীদদের। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি রইলো গভীর সমবেদনা।’

বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আজ সর্বত্র দৃশ্যমান
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘সকল শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আজ সর্বত্র দৃশ্যমান। দেশের ক্রমাগত উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে রচিত হয়েছে অনেক সাফল্যের অধ্যায়। যার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণায় রয়েছেন আমাদের প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শত ব্যস্ততার মাঝেও আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি কী পরিমাণ ক্রীড়া অনুরাগী এবং ক্রীড়াকে তিনি সব সময় প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমসের প্রধান পৃষ্ঠপোষকও প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালে প্রথম শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস অনুষ্ঠিত হয়। তখন আমরা ২১ টি বিভাগে খেলাধূলার আয়োজন করেছিলাম। এবার আমরা আরও তিনটি খেলা বাড়িয়েছি। জিমন্যাস্টিকস, রাগবি ও সাইক্লিং। প্রথম এই যুব গেমসে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল ৩৬ হাজার ৫৯৪। আর এবারের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, সবাইকে অভিনন্দন।’

প্রতিযোগিদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, ‘জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তোমরা কৃতিত্ব ও দক্ষতার প্রমাণ দিয়েই তোমরা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়েছে। চূড়ান্ত পর্বে তোমরা সেরাটা দিতে পারবে সেই কামনাই করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আগামীতেও তোমরা আরও কৃতিত্ব দেখিয়ে এগিয়ে যাবে। সর্বদা মনে রাখবে নিয়মিত অনুশীলন, কঠোর শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই।

আমরা প্রত্যাশা করছি তোমাদের মাঝ থেকেই আগামী দিনের তারকা বেরিয়ে আসবে। যারা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করবে। খেলাধূলা যুব সমাজের বিনোদনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম, এ বিষয়ে কোন বিতর্কের সুযোগ নেই। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়াঙ্গনকে আরও জনপ্রিয় ও ভালো প্রতিযোগিমূলক মনোভাব প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশও সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে আমাদের চিহ্ন ভবিষ্যতে রাখতে পারবে’-যোগ করেন যুব গেমসের সাংগঠনিক কমিটির কো চেয়ারম্যান ও স্টিয়ারিং কমিটির এই নির্বাহী চেয়ারম্যান।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইউএইচএফপিও সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
ইউএইচএফপিও সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবারই প্রথম বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবাকে জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা, সার্বিক কার্যক্রম অবহিত হওয়াসহ সরকারের নির্দেশনা তাদের কাছে দেওয়ার জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন।

এ সময় শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/এসএকে

৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
৪১৯ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দায় পৌঁছেছে

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইটের যাত্রীরা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩০০১ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ ফ্লাইটে হজযাত্রী ছিলেন ৪১৯ জন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম।

হজযাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের হাতে রিফ্রেশমেন্ট কিট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইয়াহিয়া রাদি ও হাজিদের অভ্যর্থনায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর যে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার, তা পর্যালোচনা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, চলমান বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে (শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা এই ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সঙ্গে এ ব্যাপারে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবো।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শিক্ষার্থী-জনতার তীব্র আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে যান। বর্তমানে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্রয়ে নয়াদিল্লিতে একটি বাড়িতে থাকছেন তিনি।

অভ্যুত্থানের পর ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একাধিকবার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে সে সময়ও বলা হয়েছিল— অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনকারী দল বিএনপি সম্প্রতি সেই নিষেধাজ্ঞাকে আইনে পরিণত করেছে। শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে নতুন এই আইনের ব্যাপারেও জয়সওয়ালের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন সাংবাদিকরা।

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

কয়েক দিন আগে নয়াদিল্লিতে বৈঠক হয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের। সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়সওয়াল বলেছেন, আমি এখানে বলব যে অতীতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছিলেন, এবারও তা-ই পুনর্ব্যক্ত করেছেন; আর তা হলো— বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে ভারত গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকতে চায়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ