খুঁজুন
                               
, ,
           

যুব গেমস আয়োজনে সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীকেই কৃতিত্ব সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
যুব গেমস আয়োজনে সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীকেই কৃতিত্ব সেনাপ্রধানের

বিশেষ প্রতিবেদক, কালের আলো:

দেশের সর্ববৃহৎ ইভেন্ট শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস’র সফল আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই কৃতিত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণার কারণেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অলিম্পিক এসোসিয়েশন দেশের সর্ববৃহৎ ইভেন্ট এই যুব গেমস আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে।’

আরও পড়ুন: উৎসবের আবহে যুব গেমসের আলো ঝলমলে উদ্বোধন, স্মার্ট খেলোয়াড় তৈরির রূপরেখা প্রধানমন্ত্রীর

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ কামাল বাংলাদেশ যুব গেমস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেনাপ্রধান ও বিওএ সভাপতি জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি শুরুতেই মহান আল্লাহ’র নিকট শুকরিয়া আদায় করছি। যার অশেষ রহমতে শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে এবং আমরা সকলেই সুস্থ থেকে আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরেছি। আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি। যিনি আমার ওপর আস্থা রেখে সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। সেই সাথে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও অলিম্পিক এসোসিয়েশনের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা, পৃষ্ঠপোষকতা এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করেছেন।’

আরও পড়ুন: যুব গেমস হবে জৌলুসময় ও আনন্দময় : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলে থাকি এবং আজও বলছি, বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন ও বিশ্ব দরবারে আমাদের যে সম্মান অর্জন হয়েছে এর কোন কিছুই হতো না যদি না বাংলাদেশ স্বাধীন হতো। তাই আমি এই মাহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই আমাদের স্বাধীনতার মূল রূপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গমাতাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্য ও জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। বিশেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতি, যার নামে নামকরণ করা হয়েছে এ যুব গেমসের। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ৩০ লক্ষ শহীদদের। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা পেয়েছি। আমি আরও স্মরণ করছি সশ্রদ্ধ বাহিনীর সকল শহীদদের যারা স্বাধীনতার সময় এবং পরবর্তী সময়েও দেশে ও বিদেশে মাতৃভূমির জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছে।’

বিওএ সভাপতি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাস ভাষার মাস। ফেব্রুয়ারি মাস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মাস। এই মাসে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সকল ভাষা শহীদদের। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তাদের পরিবারের প্রতি রইলো গভীর সমবেদনা।’

বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আজ সর্বত্র দৃশ্যমান
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘সকল শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আজ সর্বত্র দৃশ্যমান। দেশের ক্রমাগত উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে রচিত হয়েছে অনেক সাফল্যের অধ্যায়। যার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণায় রয়েছেন আমাদের প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শত ব্যস্ততার মাঝেও আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি কী পরিমাণ ক্রীড়া অনুরাগী এবং ক্রীড়াকে তিনি সব সময় প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমসের প্রধান পৃষ্ঠপোষকও প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালে প্রথম শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস অনুষ্ঠিত হয়। তখন আমরা ২১ টি বিভাগে খেলাধূলার আয়োজন করেছিলাম। এবার আমরা আরও তিনটি খেলা বাড়িয়েছি। জিমন্যাস্টিকস, রাগবি ও সাইক্লিং। প্রথম এই যুব গেমসে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল ৩৬ হাজার ৫৯৪। আর এবারের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, সবাইকে অভিনন্দন।’

প্রতিযোগিদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, ‘জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তোমরা কৃতিত্ব ও দক্ষতার প্রমাণ দিয়েই তোমরা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়েছে। চূড়ান্ত পর্বে তোমরা সেরাটা দিতে পারবে সেই কামনাই করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আগামীতেও তোমরা আরও কৃতিত্ব দেখিয়ে এগিয়ে যাবে। সর্বদা মনে রাখবে নিয়মিত অনুশীলন, কঠোর শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই।

আমরা প্রত্যাশা করছি তোমাদের মাঝ থেকেই আগামী দিনের তারকা বেরিয়ে আসবে। যারা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করবে। খেলাধূলা যুব সমাজের বিনোদনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম, এ বিষয়ে কোন বিতর্কের সুযোগ নেই। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়াঙ্গনকে আরও জনপ্রিয় ও ভালো প্রতিযোগিমূলক মনোভাব প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশও সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে আমাদের চিহ্ন ভবিষ্যতে রাখতে পারবে’-যোগ করেন যুব গেমসের সাংগঠনিক কমিটির কো চেয়ারম্যান ও স্টিয়ারিং কমিটির এই নির্বাহী চেয়ারম্যান।

কালের আলো/এমএএএমকে

মোংলায় এসএমআর প্রকল্পে বিনামূল্যে জমির প্রস্তাব চীনের

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
মোংলায় এসএমআর প্রকল্পে বিনামূল্যে জমির প্রস্তাব চীনের

মোংলায় প্রস্তাবিত ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তিনির্ভর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ ও চীনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে চীনের চারজন বিশেষজ্ঞ এসএমআর প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশের মতামত জানতে চান।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পক্ষ থেকে আটজন করে প্রতিনিধি অংশ নেন। আলোচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক আলোচনায় প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশকে বিনামূল্যে জমি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে চীন। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক মওকুফের বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার বিবেচনা করতে পারে বলেও জানানো হয়।

এসএমআর প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের নিজস্ব দক্ষতা ও জনবল গড়ে তুলতে প্রকল্পে স্থানীয় কর্মীদের নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রযুক্তি পরিচালনায় দেশের দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত প্রকল্পের অংশ হিসেবে মোংলা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য চীনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৈঠকে চীনের বিশেষজ্ঞরা এসএমআর প্রযুক্তির বিভিন্ন কারিগরি ও ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ও মতামত জানতে চান। প্রকল্পটি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আরও আলোচনা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নির্মাণের এক বছরেই ঢাকা বাইপাসে ধস, ২৫০ মিটারজুড়ে ফাটল

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
নির্মাণের এক বছরেই ঢাকা বাইপাসে ধস, ২৫০ মিটারজুড়ে ফাটল

গাজীপুর-জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ঢাকা বাইপাস এশিয়ান হাইওয়ের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলার সিংলাব-পাকুন্দা এলাকায় একটি আন্ডারপাসের পূর্ব পাশে প্রায় ২৫০ মিটারজুড়ে সড়ক দেবে গিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

শনিবার সকালে স্থানীয়দের নজরে আসে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল। পরে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্তৃপক্ষ ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে ব্যস্ত মহাসড়কটিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়েন শত শত যানবাহনের চালক ও যাত্রী।

খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বাইপাস সড়ক চার লেন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) সৈয়দ আসলাম আলী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ঘুরে দেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।

স্থানীয়রা জানান, সড়কের বিভিন্ন স্থানে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে দীর্ঘ ফাটল তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচের স্তর উঠে নিচের মাটি ও নির্মাণসামগ্রী বেরিয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে সড়কের একটি অংশ নিচের দিকে দেবে গেছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সড়কের এমন অবস্থায় নির্মাণকাজের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, নির্মাণের সময় সড়কের দুই পাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়া, অপর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে সড়ক দুর্বল হয়ে থাকতে পারে। কেউ কেউ রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় মো. আলামিন বলেন, নির্মাণকাজের সময় সড়কে ব্যবহৃত খোয়া ও বিটুমিনের মান নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছিলেন। আরেক বাসিন্দা তাজুল ইসলাম বলেন, সড়ক নির্মাণের সময় দুই পাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় পার্শ্ববর্তী অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

তবে নির্মাণকাজের মান নিয়ে ওঠা অভিযোগ নাকচ করেছেন প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী। তিনি বলেন, টানা দুই-তিন দিনের বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে যায়। এর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল করায় নরম মাটি সরে গিয়ে সড়কের ওই অংশ বসে ফাটল তৈরি হয়েছে।

সৈয়দ আসলাম আলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সচল করতে প্রকল্পের বেসরকারি অংশীদার ‘ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড’-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প বা ডাইভারশন সড়ক তৈরির কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ড্রিলিং করে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, আপাতত সড়ক সচল করার পাশাপাশি ধস ও ফাটলের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নগরগুলো এখন শুধু নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়; এগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।

বাংলাদেশের নগরাঞ্চল ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, যানজট, দূষণ এবং অপর্যাপ্ত ও মানহীন আবাসনের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বাস্তবতায় এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে আবাসন সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ সংকট আরও প্রকট।

অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান রাষ্ট্রপতি। সুবিধাবঞ্চিতদের আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ প্রয়োগ, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ কাজে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সুপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি