প্রথম শুভেচ্ছা বিনিময়েই বঙ্গভবন কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রাষ্ট্রপতির
বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
বর্ণাঢ্য রাজনীতি বা কর্মময় জীবন-স্বচ্ছতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক চেতনায় উজ্জীবিত থেকেই পার করেছেন অনেক জটিল পথ। উজ্জ্বলতর আলোকে জাতির মানসে উদ্ভাসিত করেছেন নিজেকে। সামাজিক জীবনের প্রবাহমান ভাব ও চিন্তার তরঙ্গে স্মৃতিতর্পণে আবেগের ফেনা সরিয়ে চিরায়ত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছিলেন কঠোর।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বুধবার (০৩ মে) বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিজের প্রথম শুভেচ্ছা বিনিময়কালেও দায়িত্ব পালনের প্রতিটি স্তরে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শাণিত বুদ্ধির ঝলকে গাম্ভীর্যময় দীপ্ত উচ্চারণে বলেছেন, সরকারের আইন, বিধি-বিধান ও জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দিকনির্দেশনামূলক ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণের সেবক, প্রভু নয়। জনগণ যাতে সহজেই তাদের প্রত্যাশিত সেবা পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

বঙ্গভবনের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আশা করেন বঙ্গভবনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করবেন।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কুচক্রিরা হত্যা করলেও তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খানসহ বঙ্গভবনের সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে


আপনার মতামত লিখুন
Array