খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের কুয়েত সফরে মিলেছে সুসংবাদ, বাংলাদেশি সেনা বাড়ছে ওকেপি কার্যক্রমে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩, ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
সেনাপ্রধানের কুয়েত সফরে মিলেছে সুসংবাদ, বাংলাদেশি সেনা বাড়ছে ওকেপি কার্যক্রমে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রায় তিন দশক যাবত নিরাপদ ও আধুনিক কুয়েত গঠনে নিজেদের মেধা ও শ্রম দিচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। মরুভূমির এই দেশ পুনর্গঠনে এখন কাজ করছেন ৫ হাজার ২৪৯ জন সেনা সদস্য। এটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনের পর কোন বৈদেশিক দায়িত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ সংখ্যক মোতায়েন। উষ্ণ মরুভূমির প্রতিকূল আর বৈরী আবহাওয়ায় দক্ষতা আর পেশাদারিত্বের সঙ্গে তাঁরা নিজেদের গৌরব আর সুনামকে দেদীপ্যমান করেছেন।

বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর পরিশ্রম, দক্ষতা, সাহস আর নিষ্ঠার ওপর বরাবরই আস্থাশীল দেশটি এবার অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন (ওকেপি) কার্যক্রমে আরও অধিক সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র কুয়েত সফরে দুই দেশের এই সম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

স্বয়ং সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ গত মঙ্গলবার (০১ আগস্ট) কুয়েতে বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্ট (বিএমসি) সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে দিয়েছেন সুসংবাদ। তিনি বলেছেন, ‘নিকট ভবিষ্যতে কুয়েতের শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর লোকবল আরও বৃদ্ধি পাবে। অন্যান্য সেক্টরে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে কুয়েতের সঙ্গে সফল আলোচনা হয়েছে।’

বন্ধুপ্রতিম দেশ কুয়েতের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ, নিবিড় ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল গাজী হাসান আল-শামারি’র আমন্ত্রণে গত রোববার (৩০ জুলাই) দেশটি সফর করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এ সময় তিনি আরবের উত্তরাঞ্চলীয় পারস্য উপসাগরের প্রান্তে অবস্থিত দেশটির ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা শেখ আহমেদ আল-ফাহাদ, ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখা ড. শামায়েল আহমেদ খালেদ আল-সাবাহ, সশস্ত্র বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেজর জেনারেল গাজী হাসান আল-শামারি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ন্যাশনাল গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সাক্ষাতকালে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। তন্মধ্যে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন (ওকেপি) কার্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আরো অধিক সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন সংক্রান্ত বিষয় ছিল অন্যতম। এরই ধারাবাহিকতায় কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল চলতি মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ সফর করবেন।

বাংলাদেশের সেনা সদস্যদের নিষ্ঠা, নৈতিক মনোবল, সাহস ও আত্মত্যাগকে বিশেষ মর্যাদায় দেখে আসছে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ কুয়েত। বরাবরই তাঁরা উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেছেন বাংলাদেশি সেনাদের। সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন শুক্রবার (০৪ আগস্ট) চারদিনের কুয়েত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। তাঁর এই সফরের মধ্য দিয়ে কুয়েত ও বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আইএসপিআর। একই রকম মত প্রকাশ করে সামরিক কূটনীতিকরা মনে করছেন, সেনাপ্রধানের সরকারি এই সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ কুয়েতে বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টস্ (বিএমসি) সদর দপ্তর পরিদর্শনসহ এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত হন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এর পাশাপাশি তিনি কুয়েত সামরিক বাহিনীর আলী আল সাবাহ্ মিলিটারি একাডেমি পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্ট (বিএমসি) সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান থেকে শুরু করে প্রত্যেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পারফরম্যান্সে অত্যন্ত খুশি। আশা করা হচ্ছে, এই সেক্টর থেকে আরও কিছু লোক পাঠানো সম্ভব হবে কুয়েতে।

এক প্রশ্নের উত্তরে সেনাপ্রধান সেদিন আরও বলেন, ‘অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনে (ওকেপি) অন্যান্য দেশের যারা আছেন তাদের চেয়ে বাংলাদেশিরা অনেক বেশি পরিশ্রমী, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও মানবিক। এসব গুণাবলি শান্তি মিশনে বাংলাদেশকে এগিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে এক নম্বরে অবস্থান করছে।’

এ সময় কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব পুতিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব পুতিনের

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গতকাল সোমবার মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পুতিনের মুখপাত্র ও ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ।

ব্রিফিংয়ে পেসকভ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। আগেও আমরা এমন একটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম।”

সোমবারের ব্রিফিংয়ে পেসকভ আরও জানান, আগের দিন রোববার টেলিফোনে কথা হয়েছে পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে। পেজেশকিয়ান ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠকের বিভিন্ন তথ্য পুতিনকে জানিয়েছেন।

“প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”, বলেছেন পেসকভ।

ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে। এই ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ বা পরিশুদ্ধ। জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী এই বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হলেই পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারবে ইরান।

ইরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে বোমা তৈরির প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে, তবে দেশটির পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে বিরোধ চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই বিরোধের জেরেই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ।

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইরানকে ১৫টি পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই প্রস্তাবনার একটি পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে— ইরানের এই ইউরেনিয়াম হয় ধ্বংস করতে হবে, নয়তো অপসারণ করতে হবে।

সূত্র : এএফপি, ফার্স্টনিউজ

কালের আলো/এসএকে

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে