খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

প্রথমবারের মতো ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জ’র পথচলা শুরু, যুগোপযোগী সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
প্রথমবারের মতো ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জ’র পথচলা শুরু, যুগোপযোগী সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রায় দেড় বছর আগে শরিয়তপুরের জাজিরায় পথচলা শুরু হয়েছিল ‘শেখ রাসেল সেনানিবাস’-এর। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে নিজের প্রাণোচ্ছ্বল ছোট ভাইয়ের নামে সেনানিবাসটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন স্নেহ-মমতা আর শ্রদ্ধার মিশেলে অন্তরপূর্ণ স্বার্থক হৃদয়ে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর ভালোবাসার সারণিতে ফিরিয়ে আনা হয় বাঙালির মুক্তিদাতার কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলকে। সময়ের গতিধারায় এই সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য ফায়ারিং অনুশীলনের ধারায় নতুন সংযোজন ঘটেছে অত্যাধুনিক ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জ’র।

বুধবার (১৬ আগস্ট) শেখ রাসেল সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে এই প্রথম বৃহৎ আকারে ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জ’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এই সেনানিবাসের সৈনিক ও কর্মকর্তাদের যুগোপযোগী ও আধুনিক প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপের সূচনা করলেন সেনাপ্রধান। এদিন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী সেনাবাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এগিয়ে যাচ্ছে।’

জানা যায়, সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এদিন প্রথমে নতুন নির্মিত অত্যাধুনিক ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জের সৈনিকদের দক্ষতা প্রত্যক্ষ করেন। তিনি বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ১০০ মিটার দূরত্ব থেকে ফায়ারিংসহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তনের সুবিধা ঘুরে দেখেন ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের যে মূল মন্ত্র এক গুলি, এক শত্রু, এটাকে বাস্তবায়ন করতে হলে ফায়ারিং চর্চার বিকল্প নেই। আর সেই ফায়ারিং যদি সঠিকভাবে চর্চা করতে হয় তাহলে আমাদের ফায়ারিং রেঞ্জের দরকার আছে। এই প্রথম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আমরা অত্যাধুনিক ইনডোর ফায়ারিং রেঞ্জে করলাম বড় আকারে। ট্রেনিং ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্টের একটা মাত্রা যোগ হলো। ভবিষ্যতে আমরা অন্যান্য গ্যারিসনে যেখানে স্টপবাট এবং জায়গা স্বল্পতা আছে সেখানে এই ধরণের ফায়ারিং রেঞ্জ করতে পারি। এবং এর থেকে ফিডব্যাক নিয়ে ভবিষ্যতে পরিকল্পনা করতে হবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘একটি সেনানিবাসের যে সমস্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকা দরকার সেগুলো আমরা চেষ্টা করছি সবার মধ্যে যাতে বিরাজমান থাকে। যাতে এখানে যে সমস্ত সৈনিক ও অফিসাররা থাকবেন সঠিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেসিও ও অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যদের পারিবারিক বাসস্থান, গ্যারিসন কেন্দ্রীয় মসজিদসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের প্রশংসা করেন জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন বলে উল্লেখ করেন।’ ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় শেখ রাসেল সেনানিবাস বাস্তবায়ন হয়েছে বলেও জানান সেনাপ্রধান।

তিনি পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড ভবিষ্যতে এই এলাকার মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হয়ে আরও সুদূর প্রসারী ও কার্যকরী ভূমিকা রাখবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অকুতোভয় সেনানীরা জাতীয় যেকোন দুর্যোগ মোকাবিলায় অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, নবম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও সাভারের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহিনুল হক, সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সৈনিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে রাজধানীর জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়া সরণি নাম হওয়ায় মানুষের কল্যাণে এই খাল নিয়ে কিছুই করেনি অবৈধ সরকার। আপাতত সিটি করপোরেশনের অর্থে খালটিতে অবৈধ স্থাপনাসহ সব কাজ চলছে।

সব খাল দখলমুক্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, গণমানুষের ভোটে নির্বাচিত হয় বিএনপি সরকার। যেহেতু বিনাভোটে নির্বাচিত হইনি সেক্ষেত্রে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কাজ করা হবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।

কালের আলো/এসএকে

সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর দেহে হাম প্রাদুর্ভাব

সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর দেহে হাম প্রাদুর্ভাব

সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জে বেড়েছে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জে ১৭ শিশুর দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামের টিকা দেওয়ার আগেই এ রোগে অধিকাংশ শিশুরা আক্রান্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবক ও স্বজনেরা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাম ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্য বিভাগের।

সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, চলতি মাসের ২৯ মার্চ থেকে হাম রোগী কাউন্ট শুরু হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। এসব রোগী শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর মধ্যে ৭০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

বর্তমানে মনসুর আলী মেডিকেলে ১৫ জন, সদর জেনারেল হাসপাতালে ২ জন, উল্লাপাড়ায় ২ জন ও রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন ভর্তি রয়েছে। এদিকে, সারাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়ার প্রেক্ষাপটে শহীদ এম মনসুর আলী হাসপাতালেও খোলা হয়েছে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাম সিরাজগঞ্জে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/ইএম

পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। একই দল নিয়েই নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে নামতে যাচ্ছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আজ (শনিবার) বিসিবির নবগঠিত নির্বাচক প্যানেল প্রথম দুই ওয়ানডের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। অপরিবর্তিত স্কোয়াড নিয়ে তাদের ব্যাখ্যা– দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের আরও সুযোগ দিতে চান।

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমরা যখন দলটা দেখেছি, মনে হয়েছে সর্বশেষ সিরিজ তো সফল ছিল। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং সেখানে কিছু খেলোয়াড় হয়তো সুযোগ পায়নি একাদশে। কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে। আমাদের নীতি হলো, যখন কেউ আসবে, তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে। যারা খেলেছে তারা খারাপ খেলেনি। আমরা সুযোগ দেওয়ায় বিশ্বাস করতে চাই, সে কারণে আমরা এই সিরিজে দল পরিবর্তন করিনি।’

এক বছর পরই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এর আগে বড় পরিবর্তন নয়, ম্যাচ জেতার দিকেই মূল নজর নির্বাচকদের। দুটো বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচক জানান, ‘আমরা বিশ্বকাপের আগে কোনও বড় পরিবর্তন করতে চাই না। যদি কাউকে দেখতে হয়, তবে আগামী ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে দেখে নেব। বাংলাদেশ দলের প্রথম প্রাধান্য হলো ম্যাচ জেতা। জেতার জন্য আমরা সেরা দলটাই বানাব। এর মধ্যে আমরা বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাচ্ছি। তবে জেতার মানসিকতা ত্যাগ করে নয়।’

এ ছাড়া পেসার ও বিভিন্ন পজিশনের ব্যাটারদের রোটেশন নীতি নিয়ে বাশার বলেন, ‘পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টে আমাদের অনেক অপশন আছে। এখানে রোটেশন করলে আমরা খুব একটা কিছু মিস করছি না। ইনজুরি ম্যানেজমেন্টের জন্য আমরা পেসারদের রোটেট করে খেলাব। কিন্তু টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারে আমাদের সেটেল হওয়া দরকার। সেখানে আমাদের কাজ করার আছে।’

প্রসঙ্গত, আগামী ১৭ এপ্রিল সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। ২০ এপ্রিল দ্বিতীয় ম্যাচ, প্রথম দুই ওয়ানডে হবে মিরপুর শের-ই বাংলায়। এরপর তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে (২৩ এপ্রিল) খেলতে দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো শুরু হবে বেলা ১১টায়।

কালের আলো/এসএকে