খুঁজুন
                               
, ,
           

কঠোর প্রশিক্ষণে গুরুত্ব সেনাপ্রধানের, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩, ১১:০২ অপরাহ্ণ
কঠোর প্রশিক্ষণে গুরুত্ব সেনাপ্রধানের, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বহি:শত্রুর আগ্রাসন রুখে দিতে চান। নিজ নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে উজ্জীবিত-উদ্দীপ্ত করেছেন ‘কঠিন প্রশিক্ষণ সহজ যুদ্ধ’ থিওরিতে। বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার উন্নয়ন সাধনকে মোটা দাগে উপস্থাপন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বহি:শত্রুর যেকোন আগ্রাসন প্রতিহত করার দৃঢ় বার্তাই দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। সোমবার (২১ আগস্ট) ১০ পদাতিক ডিভিশন ও কক্সবাজার এরিয়া পরিদর্শনকালেও সেনাপ্রধান বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আধুনিক ও যুগোপযোগী সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণে গুরুত্বারোপের মাধ্যমে নিজের প্রত্যয়দীপ্ত অঙ্গীকারকে সামনে এনেছেন।

পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ রামু সেনানিবাসে কর্মরত সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবারে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদা প্রস্তুত থাকতে এবং যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে দেশের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার জন্য সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, এদিন সেনাপ্রধান রামু সেনানিবাসের ইউনিটসমূহে চলমান বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন।

এসময় ১০ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডার ছাড়াও ঊর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তা, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

‘সুড়ঙ্গ-২’-এ মেহজাবীন?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
‘সুড়ঙ্গ-২’-এ মেহজাবীন?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছে, নির্মাতা রায়হান রাফির বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘সুড়ঙ্গ-২’-এ অভিনয় করতে পারেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলমান থাকায় সম্ভাব্য অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় মেহজাবীনের নামও ব্যাপকভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

তবে এ গুঞ্জনকে এখনই সত্য বলে মানতে নারাজ নির্মাতা রায়হান রাফি। তিনি জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত সিনেমাটির কোনো শিল্পীকেই চূড়ান্ত করা হয়নি।

রাফি বলেন, “এ রকম কোনো কিছু হয়নি। কিছু মানুষ ফেসবুকে নানা ধরনের পোস্ট করছেন। কিন্তু এখনো কোনো শিল্পীকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী মাসে কাস্টিং নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত হবে। তখনই সবকিছু জানানো হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন যেসব নাম ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোর বেশির ভাগই অনুমাননির্ভর। অফিসিয়ালি কিছু চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত এসব তথ্যের সত্যতা নেই। সময় হলে আমরা নিজেরাই সব জানিয়ে দেব।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমার মাধ্যমে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় অভিষেক করেন। শাহরিয়ার শাকিলের প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটিতে ‘মাসুদ’ চরিত্রে নিশোর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। পাশাপাশি সিনেমাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলার পাশাপাশি বক্স অফিসেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ৮টি বিভাগে সম্মাননা পাওয়া ‘সুড়ঙ্গ’-এর সফলতার ধারাবাহিকতায় আবারও এক হচ্ছেন পরিচালক রায়হান রাফি ও অভিনেতা আফরান নিশো। বর্তমানে ‘সুড়ঙ্গ-২’-এর প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। খুব শিগগিরই সিনেমাটির অন্যান্য অভিনয়শিল্পী, কলাকুশলী এবং শুটিং সূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড প্রযোজিত ‘সুড়ঙ্গ-২’ চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে মুক্তির লক্ষ্যে নির্মাণ করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

সাতক্ষীরার (তালা) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনকালে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত মেডিকেল অফিসার ডা. শাওলী নানজিবা তন্নির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (২৬ জুলাই) তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন, রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছে মন্ত্রী প্রথমে রান্নাঘর পরিদর্শন করেন।

সেখানে রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের মান যাচাই করতে তিনি খাবার চেখে দেখেন। এরপর মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ড, ওয়াশরুম, ওষুধ স্টোর, অপারেশন থিয়েটার (ওটি), অফিস কক্ষ এবং চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাজিরা খাতা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ সরবরাহ এবং সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার মান সম্পর্কে তাদের মতামত নেন। এছাড়া হাসপাতালের পুকুর ও চত্বরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে হাসপাতালের সমস্যা, সেবার মান এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

এসময় তিনি হাসপাতালের এসি চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ওয়াশরুমসহ চলমান সংস্কার ও উন্নয়নকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের তদারকির নির্দেশ দেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। এ লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যেই মাটি পরীক্ষার (সয়েল টেস্ট) কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটিতে ৭ থেকে ৮ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে। নতুন ভবনে পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক প্যারালাইসিস সেন্টার, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, মাতৃদুগ্ধ কর্নার (ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার) এবং ট্রমা সেন্টার স্থাপন করা হবে।

পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিজুল হক (লিটু) প্রমুখ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নগরের সদরঘাট থানায় দশ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলায় মো.আকতার সর্দার (২৪) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।

মো.আকতার সর্দার সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার কুকড়াপর্শি এলাকার কাদের সর্দার বাড়ির মো.সাত্তার সর্দারের ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী নগরের সদরঘাট থানাধীন পূর্ব মাদারবাড়ী সাহেবপাড়া এলাকার ইউনুছ মিয়া সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

শিশুর পিতা একটি জুতার কারখানায় এবং মা একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে শিশুটি নগরের পূর্ব মাদারবাড়ীর সাহেবপাড়ার নার্গিস কলোনির একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতো।

অভিযুক্ত মো.আকতার সর্দার প্রতিবেশী হওয়ায় প্রায়ই বাসায় যাতায়াত করতো এবং শিশুটিকে বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখাতো। ২০২২ সালের ২ জুলাই সকালে শিশুটির বাবা-মা কর্মস্থলে গেলে বিকেল দিকে বাসায় একা থাকা শিশুটির কাছে যায় অভিযুক্ত।

এ সময় সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। ঘটনার পর ভয়ভীতির কারণে শিশুটি কাউকে কিছু জানায়নি। পরে ৬ জুলাই বিকেলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা বিষয়টি জানতে পারেন। শিশুটি তখন মাকে জানায়, কয়েকদিন আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাসায় ঢুকে তাকে মারধর করে এবং কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে পরীক্ষা করে শারীরিক আঘাতের আলামত দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানিয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুর বাবা মনির হোসেন সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বাংলানিউজকে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো.আকতার সর্দারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। সাজা পরোয়ানা মূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি