খুঁজুন
                               
, ,
           

জ্বালানি সংকট হলে পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম উঠতে পারে ১ হাজার রুপিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট হলে পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম উঠতে পারে ১ হাজার রুপিতে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের বাজারেও। আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি দামের চাপ সামলাতে গিয়ে দেশটিতে পেট্রোলের দামও বেড়েছে।

পাকিস্তানের পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক সতর্ক করে বলেছেন, দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিলে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১ হাজার পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত উঠতে পারে।

ইতিমধ্যে বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ৩৮৯ দশমিক ১৪ রুপিতে।

কয়েক মাসে দামের বড় পরিবর্তন

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকেই পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম বাড়তে শুরু করে। গত ১ মার্চ প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ছিল ২৬৬ দশমিক ১৭ রুপি। ৭ মার্চ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২১ দশমিক ১৭ রুপিতে।

এরপর ৩ এপ্রিল সরকার ৪ শতাংশের বেশি দাম বাড়ালে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম সর্বোচ্চ ৪৫৮ দশমিক ৪১ রুপিতে পৌঁছায়।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমে এলে পাকিস্তানেও পেট্রোলের দাম কমতে থাকে। ২০ জুন প্রতি লিটারের দাম নেমে আসে ২৯৯ দশমিক ৫০ রুপিতে।

পরবর্তী সময়ে আবার দাম বাড়তে শুরু করে। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ দশমিক ১৪ রুপিতে।

পাকিস্তানের অয়েল অ্যান্ড গ্যাস রেগুলেটরি অথরিটি (ওজিআরএ) জানিয়েছে, সর্বশেষ দাম নির্ধারণের সময় আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানির দাম, প্রিমিয়ামসহ বিভিন্ন মূল্য নির্ধারণের বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

আমদানিনির্ভর জ্বালানি বাজার

পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। এর অন্যতম কারণ দেশটির বিপুল পরিমাণ পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাকিস্তান ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টন মোটর স্পিরিট বা পেট্রোল আমদানি করেছে। একই সময়ে দেশটির স্থানীয় শোধনাগারগুলো সরবরাহ করেছে প্রায় ২৬ লাখ ৩০ হাজার টন পেট্রোল।

অন্যদিকে তেল বিপণন কোম্পানিগুলো (ওএমসি) প্রায় ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টন পেট্রোল বিক্রি করেছে। আমদানি করা পেট্রোলের পরিমাণ ওএমসিগুলোর মোট বিক্রির প্রায় ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশের সমান।

তবে সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায় থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলে এগুলোকে দেশের মোট পেট্রোল সরবরাহের শতভাগের সরাসরি বিভাজন হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

আমদানি খরচ থেকে পাম্পের দাম

পেট্রোলের পাম্প মূল্য শুধু আমদানি করা জ্বালানির খরচের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয় শুল্ক, পরিবহন ব্যয়, বিপণন কোম্পানির মার্জিন, ডিলার কমিশন এবং সরকারি বিভিন্ন লেভি।

১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর দামের হিসাবে শুল্কসহ পেট্রোলের আমদানি ও শোধনাগার পর্যায়ের দাম ছিল প্রতি লিটার ২৭৮ দশমিক ৫৮ রুপি।

এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ পরিবহন সমন্বয় মার্জিন হিসেবে ৭ দশমিক ৭১ রুপি, ওএমসি মার্জিন ৭ দশমিক ৮৭ রুপি এবং ডিলার কমিশন ৯ দশমিক ৯৮ রুপি যোগ হয়।

এ ছাড়া পেট্রোলিয়াম লেভি হিসেবে ৮০ রুপি এবং ক্লাইমেট সাপোর্ট লেভি হিসেবে আরও ৫ রুপি যোগ করা হয়। সব মিলিয়ে প্রতি লিটার পেট্রোলের চূড়ান্ত পাম্প মূল্য দাঁড়ায় ৩৮৯ দশমিক ১৪ রুপি।

দুর্বল রুপিতেও বাড়ছে চাপ

জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে পাকিস্তানের জন্য আরেকটি চাপ হলো দেশটির মুদ্রার দুর্বলতা। ডলারে মূল্য পরিশোধ করতে হওয়ায় পাকিস্তানি রুপির দর কমলে আমদানি করা জ্বালানির খরচ স্থানীয় মুদ্রায় আরও বেড়ে যায়।

২২ সেপ্টেম্বরের হিসাবে, ১ মার্কিন ডলারের মূল্য ছিল প্রায় ২৭৭ দশমিক ২১ পাকিস্তানি রুপি।

ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, আমদানি ব্যয়, পরিবহন ও প্রিমিয়াম, সরকারি লেভি এবং ডলারের বিপরীতে রুপির বিনিময় হার—সব মিলিয়েই পাকিস্তানের ভোক্তাদের পাম্পে পেট্রোলের চূড়ান্ত দাম নির্ধারিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

নয় গানে কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নয় গানে কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’

অডিও প্রযোজনার প্রচলিত বাজার যখন ধীরে ধীরে সংগীত থেকে সরে নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও দৃশ্যনির্ভর বিনোদনের দিকে ঝুঁকছে, তখন বাংলা গানের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)।

বাংলা গানের ভুবনকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন শিল্পীকে নিয়ে শুরু করেছে একক গানের ডিজিটাল অ্যালবাম প্রকাশের উদ্যোগ। সেই ধারাবাহিকতার প্রথম আয়োজন হিসেবে শিগগিরই প্রকাশ পাচ্ছে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’।

নয় গানে ভিন্ন স্বাদের আয়োজন

নয়টি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে অ্যালবামটি। এতে শ্রোতাদের ভিন্ন স্বাদের গান উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কাজী শুভ।

অ্যালবামের গান লিখেছেন তরুণ মুন্সী, প্রয়াত পাগল হাসান, এ মিজান, জিসান খান শুভ, সলাহউদ্দিন সাগর, হুমায়ুন কবির, আরিফ হোসেন বাবু, আলামিন সরকার ও হানিফ খান।

গানগুলোর সুর করেছেন তরুণ মুন্সী, প্রয়াত পাগল হাসান, কাজী শুভ, জিসান খান শুভ, হুমায়ুন কবির, আলামিন সরকার, আহমেদ সজীব, আদিব কবির ও হানিফ খান। সংগীতায়োজন করেছেন রাফি মোহাম্মদ, আহমেদ সজীব ও আদিব কবীর।

অ্যালবামের একটি গানে কাজী শুভর সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন বাঁধন সরকার পূজা।

দীর্ঘ বিরতির পর একক অ্যালবাম

দীর্ঘ বিরতির পর একক অ্যালবাম প্রকাশের খবরে উচ্ছ্বসিত কাজী শুভ। অ্যালবামটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ বছর পর আবার আমার একক অ্যালবাম প্রকাশ পাচ্ছে, বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দের। অডিওর এই খারাপ সময়ে ধ্রুব দা যে ঝুঁকিটা নিয়েছেন, তার জন্য দাদার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।’

তিনি আরও বলেন, অ্যালবামের নয়টি গানই নয় রকমভাবে করার চেষ্টা করেছেন। শ্রোতারা গানগুলো পছন্দ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলা গান নিয়ে ডিএমএসের নতুন ভাবনা

বাংলা সংগীতাঙ্গনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ও সংগীতশিল্পী ধ্রুব গুহ।

তিনি বলেন, ‘বাংলা গানকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ডিএমএস।’ তার মতে, শ্রুতির জগত যখন দৃশ্যনির্ভর বিনোদনের কাছে জায়গা হারাচ্ছে, তখন বাংলা গানের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

ডিএমএস সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ইউটিউব, স্পটিফাইসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে একযোগে প্রকাশ করা হবে ‘কেউ বুঝলো না’ অ্যালবামটি।

কালের আলো/এসএ

রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়নে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই সংযোগের ফলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ব্রিজটির উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল দুই এলাকার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। ফুটওভার ব্রিজটি চালু হওয়ায় এখন যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে। এতে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে।

তিনি জানান, শুধু এই ফুটওভার ব্রিজ নয়, এর পাশাপাশি আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ভবিষ্যতে এমআরটি নির্মাণের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোর ওপর চাপ কমাতে এসব ব্রিজ বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে যানজট নিরসনেও সহায়তা পাওয়া যাবে।

সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক বন্ধের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক বন্ধের উদ্যোগ

দেশের সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ওই সীমানার মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্র্যাকটিসের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান—হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার—স্থাপনের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দালালের মাধ্যমে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কর্মঘণ্টার পর আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে প্র্যাকটিস করার বিষয়টিও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালকেন্দ্রিক এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি