খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আরও দৃঢ়তর বাংলাদেশ ও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সম্পর্কের বন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৩, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
আরও দৃঢ়তর বাংলাদেশ ও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সম্পর্কের বন্ধন

কালের আলো রিপোর্ট:

দু’দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ থেকেই শুরু হয় ট্রাই সার্ভিসেস স্টাফ টক বা টিএসএসটি। সময়টি ২০১৯ সাল। এরপর ২০২২ সালে ভারতে দ্বিতীয়বারের অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার টিএসএসটি। একই গতিধারায় এবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তৃতীয় ট্রাই সার্ভিসেস স্টাফ টক বা টিএসএসটি।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে তৃতীয় ট্রাই সার্ভিসেস স্টাফ টকের মধ্যে দিয়ে আরও দৃঢ়তর হবে বাংলাদেশ ও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সম্পর্কের বন্ধন। এই সংলাপে প্রাণবন্ত হয়েছে দু’দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার আস্থা ও বন্ধুত্বের জ্যোতিও।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, এই সংলাপে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ এবং দ্বিপাক্ষিক সামরিক বিষয়সমূহ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অপারেশন ও পরিকল্পনা পরিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ মাসীহুর রহমান এবং ভারতের পক্ষে এয়ার ভাইস মার্শাল আশিষ ভোহরা নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

জানা যায়, মহান মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর অবদান ও আত্মত্যাগের কথা সব সময়ই কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক বিশ্বাস যেমন বেড়েছে তেমনি জোরদার হয়েছে সুসম্পর্কও। দেশ দু’টির এই সম্পর্ক বহুমাত্রিক, বহুমুখী ও সর্বদা বিকাশমান। এছাড়াও রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকসহ সবক্ষেত্রে দু’দেশের সম্পর্ক অনেক দৃঢ়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতের সাথে সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখ্যযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এই অগ্রগতি পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বকে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আরও জানায়, বাংলাদেশ ও ভারতের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশিক্ষণে সহযোগিতা প্রদানের জন্য ভারতের ক্রমাগত সহায়তা অত্যন্ত সুস্পষ্ট। প্রতিবছর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্য ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে। একইভাবে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন পর্যায়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এক সঙ্গে কাজ করে আসছে।

পরে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান’র সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আশিষ ভোহরা, ভিএসএম সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

Oplus_131072

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় আকারের একটি সহায়তা কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে উন্নত মানের জুতা দেওয়া হবে। প্রতিটি উপজেলার দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় আসবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জুতা প্রস্তুতকারী ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যার মাধ্যমে প্রথম ধাপে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত স্কুল জুতা বিতরণ করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশের বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারকে অনুদান দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই এই উদ্যোগটি শুধু একটি বিতরণ কর্মসূচি না হয়ে শিশুদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমন্বিত সহায়তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। এজন্য জুতার মান, স্টাইল ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জুতার গুণগত মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকলে সেটি শিশুদের মধ্যে অসম অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য মান নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক উপজেলায় দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের (প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী) জুতা বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে সীমিত পরিসরে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পাইলট হিসেবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ সময় তিনি টেকনিক্যাল ও কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ, লেদার ইন্সটিটিউট ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি সহযোগী প্রতিটি কোম্পানির একজন প্রতিনিধি রাখার নির্দেশনা দেন এবং ডিজাইন, কোয়ালিটি চেকিং, সার্টিফিকেশন সবকিছু যেন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হয়, সেজন্য টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সম্পৃক্ত রাখার কথাও বলেন।

কালের আলো/এসএকে

শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া শর্তে রাজি না হলে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর।

বুধবার (৬ মে) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২-এ চালু হলে ২৪-এ বন্ধ হয়, যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিল, তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল; যে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫টি থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

নূরুল হক বলেন, পরবর্তীতে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম, যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই, তবে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবেই থাকবে।

তিনি ব‌লেন, আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছেন যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে

এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

Oplus_131072

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন ব্যবস্থা কার্যকর হয়। এতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, সড়কে আইন অমান্য করলেই এখন থেকে অটো মামলা রেকর্ড হবে। নোটিশ ডাকযোগে পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া নেওয়া হতে পারে।

এর আগে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধে ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না। কোনো প্রতারণামূলক বার্তা পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে এআই-সমর্থিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

কালের আলো/এসএকে