খুঁজুন
                               
, ,
           

সেনা মালঞ্চে জাতির সূর্য সন্তানদের মিলনমেলা, গভীর শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
সেনা মালঞ্চে জাতির সূর্য সন্তানদের মিলনমেলা, গভীর শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

আপোসহীন ও রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্মলাভ করা দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতি বছরই পবিত্র মাহে রমজানে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করে। এবারো এই আয়োজনটি কার্যত স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে নিয়ে আসা জাতির বীর সন্তানদের এক মিলনমেলায় রূপ নেয়।

এ মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনার আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের পথ ধরেই আলোকিত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের পানসিতে চড়ে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবময় পথচলার অমিয় বাণীই উচ্চারণ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনা মালঞ্চে অনন্য এই মিলন মোহনায় সেনাবাহিনী প্রধান বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন বাঙালি জাতির মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের তরে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।

তিনি আরও স্মরণ করেন ত্রিশ লক্ষ শহিদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আছি। এছাড়াও, তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে যাদের দেশপ্রেম ও বীরত্ব স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

ইফতার মাহফিলের অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব:) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিবুর রহমান, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল যুবায়ের সালেহীনসহ উর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ইফতার মাহফিলে তিন শতাধিক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা অংশগ্রহণ করেন। সেনাবাহিনী প্রধান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছেই জাতির সূর্য সন্তানদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সেনাপ্রধান তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রেখেই কথা শুনেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
ঈদে মিলাদুন্নবীতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা রিজভীর

মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং কল্যাণ কামনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা ও কল্যাণ কামনা করেন।

বাণীতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ), এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে এক সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাব হয়। এই শিশুর শুভাগমনে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করছি। তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিশ্বমানবের নিকট এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা, শান্তি-সংগ্রাম-সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের আঁধার চরম সত্যবাদী ও পরম বিশ্বস্ত হযরত মোহাম্মদ (সা.)। তার কালজয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা ও মানুষের প্রতি সহানুভূতি মানবজাতির কাছে চিরকালীন এক পরম শিক্ষা হয়ে থাকবে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, কৈশোরকাল থেকেই মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) মিথ্যার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা ছিলেন। তিনি কোনো দিন আমানতের খেয়ানত করেননি। অন্যের উপকার করাকে তিনি পরম কর্তব্য বলে মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)।

তিনি বলেন, পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রমী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে তিনি তাওহিদের বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আল্লাহ তাআলা পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ করেন। এটি মানবজাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির যাবতীয় নির্দেশাবলি অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে।

তিনি আরও বলেন, তার জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মুসলিমরা শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠাসহ নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পায়।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালিন হযরত মোহাম্মদ (সঃ)-এর প্রতি সালাম জানাই।’ বাণীটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে মুক্তিযোদ্ধা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে মুক্তিযোদ্ধা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি এম এ শহীদ বাবলুসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হাম উপসর্গে ৫ ও ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে ৫ ও ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচজন শিশু এবং মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে ভুগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০৭ জন এবং হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৭৭ শিশুর শরীরে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন ও ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পৃথক প্রতিবেদন বলছে, গত ১৫ মার্চ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হাম ও এর উপসর্গে দেশে মোট ৯৪৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন এবং হাম উপসর্গে ৮৪৪ জন।

অন্যদিকে ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে। একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ৮৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৩৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৫৭৮।

এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ