খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

এক যুগ পর সেনাকুঞ্জে হাস্যেজ্জ্বল খালেদা জিয়া, নতুন ইতিহাসের যাত্রাপথে গর্বিত ড.ইউনূস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
এক যুগ পর সেনাকুঞ্জে হাস্যেজ্জ্বল খালেদা জিয়া, নতুন ইতিহাসের যাত্রাপথে গর্বিত ড.ইউনূস

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো, সেনাকুঞ্জ থেকে : 

প্রায় ১৪ বছর আগে শহীদ মইনুল রোডের বাসভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে। এরপর আর কখনও ক্যান্টনমেন্টের দিকে পা বাড়াননি দলটির শীর্ষ এই নেতা। অবশেষে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! নিজের চিরচেনা ক্যান্টনমেন্টে আবারও উপস্থিত বিএনপি চেয়ারপার্সন। এই উপস্থিতি চলতি বছরের সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সবশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে গিয়েছিলেন তিনি। মাঝখান থেকে হারিয়ে গেছে প্রায় এক যুগ।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে ছুটলো সেনাকুঞ্জের অভিমুখে। ৩টা ৫০ মিনিটে গাড়ি থেকে নেমে হুইল চেয়ারে করে ল্যাভেন্ডার রঙের শাড়ি পরিহিত খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে গিয়ে বসলেন প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের ঠিক পাশের সোফায়। এর মাধ্যমে প্রায় ৬ বছর পর প্রকাশ্যে কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। এর আগে সেনাকুঞ্জে তাকে অভ্যর্থনা জানালেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। সন্ধ্যার ঠিক আগ মুহুর্তে সেনাকুঞ্জ ছাড়ার আগ পর্যন্ত পুরোটা সময় হাস্যেজ্জ্বল দেখা গেছে তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়াকে ঘিরে পুরো অনুষ্ঠান যেন হয়ে ওঠে খালেদা জিয়াময়। অনেকেই এগিয়ে যান তাঁর সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করতে। শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবরও জানতে চান। অন্তর্বর্তীকালীন  সরকারের তিন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম বিনয় ও সম্মানের সঙ্গে কথা বলেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আপোসহীন লড়াকু নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে। কুশল বিনিময়কালে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জিজ্ঞেস করেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, ‘ম্যাডাম আপনার শরীর কেমন?’ এসময় খালেদা জিয়া জানান, ‘না, বেশি ভালো না।’ মাহফুজ আলম তখন বলেন, ‘আপনাকে ভালো থাকতে হবে। সামনে আসলে একটা কনফিডেন্স বের হয়।’

আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন ড.ইউনূস ও খালেদা জিয়া

নিজের পাশের সোফায় খালেদা জিয়াকে পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস। আলাপচারিতায় মেতে ওঠতে দেখা যায় তাদের দু’জনকেই। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার নজরকাড়া উপস্থিতিতে তাঁর অভিব্যক্তিও প্রকাশ করেন সোজাসাপ্টা উচ্চারণে। প্রধান উপদেষ্টা এ সময় বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। একযুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে।’ খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।’

জানা যায়, সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে গিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর ২০১৩ সালে আমন্ত্রণ পেলেও যাননি তিনি। এবার নতুন বাংলাদেশে চলতি বছরের সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বশরীরে গিয়ে তাকে নিমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। এদিন গোটা অনুষ্ঠানে হাস্যেজ্জ্বল এক খালেদা জিয়ার উপস্থিতি দৃষ্টি কেড়েছে সবার। ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফরের পর নানা ঘটনা প্রবাহে আর প্রকাশ্যে কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি খালেদা জিয়াকে। কিন্তু এই বছরের সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠান যেন নতুন এক ইতিহাস তৈরি করলো। সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। খালেদার গাড়ির সামনে ছিল মিলিটারি পুলিশের (এমপি) পাইলট কার ও পেছনে সেনাবাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্স।

এই অনুষ্ঠানে বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের সদর্প উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাসহ আমন্ত্রিত জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা কামাল হোসেন, জেএসডির আসম আবদুর রব, জোনায়েদ সাকী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নূরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও অনুষ্ঠানে এসেছিলেন।

তিন বাহিনী প্রধানকে মির্জা ফখরুলের ধন্যবাদ

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০১৮ সালে ষড়যন্ত্রমূলক দুর্নীতির মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর এই প্রথম কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। দুই বছর কারাগারে থাকার পর ২০২০ সালের মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি পান খালেদা জিয়া। গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি দণ্ড মওকুফ করে তাকে মুক্তি দেন। সাময়িক মুক্তির পর থেকে তিনি কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর বাইরে কখনো বাসা থেকে বের হননি। রাজনৈতিক কর্মসূচি বা কোনো ধরনের অনুষ্ঠানেও তাকে দেখা যায়নি। খালেদা জিয়া এদিন বাসা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় সড়কে জড়ো হওয়া বিএনপিকর্মীরা পুরো এলাকা স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তোলেন।

সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠান শেষে বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সেনাকুঞ্জে যাওয়ার এই ঘটনা গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে ‘ইতিবাচক ভূমিকা’ রাখবে। এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই, বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীকে- সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীর যারা প্রধান আছেন তাদেরকে, যারা অধিকর্তা আছেন তাদেরকে। ধন্যবাদ জানাতে চাই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে- আজকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এজন্য যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই ঘোষণাকে তিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং সেই সঙ্গে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে আপসহীন সংগ্রাম, এই দীর্ঘ বছর বছর ধরে নিরন্তর সংগ্রাম, সেই সংগ্রামকে তিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এদেশের মানুষ যে সংগ্রাম করেছে, আত্মত্যাগ করেছে, প্রাণ দিয়েছে, তাকে তিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে প্রাণগুলো চলে গেল, তাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমরা নিঃসন্দেহে এই কথায় স্মরণ করতে চাই, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের থেকে অনেক দূরে আছেন, আজকে তিনিও সবচেয়ে বেশি আনন্দিত, দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে যে আজকে তাদের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটি (খালেদা জিয়া) তার যে জায়গা, সেই জায়গা তিনি যেতে পেরেছেন।’

কালের আলো/এমএএএমকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে