খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নতুন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে আর্মি এভিয়েশন, আরও যুগোপযোগী করার অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
নতুন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে আর্মি এভিয়েশন, আরও যুগোপযোগী করার অঙ্গীকার সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

একাধিক ইউনিট ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ফরমেশন। সাধারণত শান্তিকালীন সময়ে আর্মি এভিয়েশন সেনা বৈমানিকদের প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন অনুশীলন ও মহড়ায় অংশহণ, জরুরী চিকিৎসার জন্য রোগী স্থানান্তর, সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে জরুরি প্রয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করে থাকে। ফিক্সড উইং বিমান, হেলিকপ্টার, প্রশিক্ষণ বিমান ও সিমুলেটর আর্মি এভিয়েশনকে করেছে আধুনিক। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এভিয়েশনের আরও সক্ষমতা বাড়াতে নজর দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সুসংবাদ দিয়ে জানিয়েছেন এভিয়েশনে নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের কাজ চলছে, যা বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ করবে। একই সঙ্গে তিনি আর্মি এভিয়েশন গ্রুপকে আধুনিক, যুগোপযোগী, পেশাদার ও শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলারও অঙ্গীকার করেছেন।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি এভিয়েশনে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের অধীনস্থ এভিয়েশন স্কুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এভিয়েশন বেসিক কোর্স-১৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। পরে সেনাপ্রধান নবীন বৈমানিকদের সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে ফ্লাইং ব্রেভেট অনুমোদন করেন।

জানা যায়, ‘গতি ও নিপুনতা’ এই মূলমন্ত্র ধারন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র উড্ডয়ন প্রতিষ্ঠান আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ১৯৭৮ সালের পহেলা জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য সেনাবাহিনীর আভিযানিক কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে বিমান সহায়তা প্রদান করা। যুদ্ধকালীন সময়ে আকাশ পর্যবেক্ষক হিসেবে গোলা নিয়ন্ত্রণ, জরুরি রিইনফোর্সমেন্ট সহায়তা, কমান্ডো অপারেশনে সহায়তা, জরুরি রশদ সরবরাহ ও যুদ্ধক্ষেত্রে রোগী স্থানান্তরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা রয়েছে তাদের। আধুনিক সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিল রেখে আর্মি এভিয়েশনে সংযোজিত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমান।

২০২১ সালের ১১ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে দু’টি অত্যাধুনিক বেল ফোর জিরো সেভেন জিএক্সআই হেলিকপ্টার। এই দু’টি হেলিকপ্টার নবীন বৈমানিকদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। একই সঙ্গে আকাশ থেকে ভূমিতে অনুসন্ধান ও পর্যবেক্ষণেও কাজ করছে। জিএক্সআই হেলিকপ্টার সংযোজনের পর ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সংযোজিত হয় দ্বিতীয় কাসা-সি ২৯৫ ডব্লিউ মিডিয়াম ইউটিলিটি সামরিক বিমান। এর আগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিমান বহরে অন্তর্ভূক্ত হয় ৪ টি ডায়মন্ড ডিএ৪০এনজি প্রশিক্ষণ বিমান। এছাড়া আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে রয়েছে সেসনা-১৫২ এ্যারোব্যাট, সেসনা গ্রান্ড ক্যারাভান সিই-২০৮বি বিমান, বেল-২০৬ এল ৪ হেলিকপ্টার, ইউরোকপ্টার ডফিন এএস ৩৬৫ এনথ্রি প্লাস, এমআই ১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টার এবং কাসা সি-২৯৫ ডব্লিউ বিমান।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তরুণ সামরিক এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে আসছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত সেনা, নৌ ও পুলিশ বাহিনীর ১৬২ জন অফিসারকে বৈমানিক হিসেবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই কোর্সে সেনাবাহিনীর ১৮ জন, নৌবাহিনীর ৪ জন ও বাংলাদেশ পুলিশের ২ জনসহ সর্বমোট ২৪ জন তরুণ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সেনাবাহিনীর স্পেশাল ফোর্সের প্যারাড্রপ ফাস্ট, ড্রপিং ও রেপলিং মিশনেও কাজ করবে প্রশিক্ষণ নেওয়া সবাই। এই কোর্সটিতে সকল প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ফিক্সিড উইং এ পি.নং-৩৫১৬ লেঃ আদনান রাকিব, (এক্স), বিএন; রোটারী উইং এ বিএ-১০১৮৫ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল হাসিব, এসি এবং ইউএভি রেজিমেন্ট এ বিএ-১০০৯৫ ক্যাপ্টেন মোঃ ফাহিম-আল-জামান, ইএমই শ্রেষ্ঠ বৈমানিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বলে জানিয়েছেন আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

সুশিক্ষিত ও সুনিপুণ সেনা বৈমানিকরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে আর্মি এভিয়েশন স্কুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এভিয়েশন বেসিক কোর্স-১৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আর্মি এভিয়েশন গ্রুপকে আধুনিক ও শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে সেনাবাহিনীর বৈমানিকরা।’ আর্মি এভিয়েশন গ্রুপকে আধুনিক, যুগোপযোগী, পেশাদার ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সুশিক্ষিত ও সুনিপুণ সেনা বৈমানিকরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।’

সেনাবাহিনীর বৈমানিকরা পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় অভিযান ও প্রশাসনিক সহায়তাও কাজ করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এসব বৈমানিকরা জাতীয় যেকোন দুর্যোগে আর্তমানবতার সেবায় ত্রাণ পরিবহন, বিতরণ, মুমূর্ষু ও সঙ্কটাপন্ন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর ও আটকে পড়া অসহায় মানুষদের নিরাপদ স্থানে পরিবহন করার জন্য দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে।’ উজ্জ্বল ভবিষ্যত নিশ্চিতে আরও আধুনিক হেলিকপ্টার ও উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার আশ্বাস দেন তিনি। আগামী দিনে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের গ্রুপ কমান্ডার মেজর জেনারেল আই কে এম মোস্তাহসেনুল বাকীসহ সেনা, নৌ, বিমান ও পুলিশ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার তিনি তেহরানে পৌঁছেছেন।

ইরানের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরানে পৌঁছেছেন।

তেহরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং দ্বিতীয় দফার আলোচনার সমন্বয় করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের এই প্রতিনিধিদল ইরান সফরে গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরআইবি বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মাঝে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে কোনও ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়া আলোচনার পর পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে বলে ইরানের পক্ষ থেকে জানানোর কয়েক ঘণ্টা পরই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ইরান সফরে গেছেন।

বুধবার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, গত রোববার ইরানি প্রতিনিধিদল তেহরানে ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে বেশ কিছু বার্তা বিনিময় করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনার ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের পাকিস্তানি এক প্রতিনিধিদলকে গ্রহণ করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদ সম্মলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ তেহরানের ‘অনস্বীকার্য’ অধিকার। তবে সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ‘আলোচনাযোগ্য’। ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের অধিকার চাপ প্রয়োগ কিংবা যুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ও ধরনের বিষয়ে আমরা সব সময় বলেছি, এই বিষয়টি আলোচনাযোগ্য। আমরা জোর দিয়ে বলেছি, ইরানের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখার সক্ষমতা থাকা উচিত।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়ে বাঘায়ি বলেন, আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কিছু দাবি ছিল ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব’। তিনি পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়ে ইরানের অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‌‌‌‘‘এই অধিকার চাপ প্রয়োগ বা যুদ্ধের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া যাবে না।’’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী দুই দিনের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন। ইরানিরা পাকিস্তানের দিকে ‘বেশি ঝুঁকে আছেন’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, আপনাদের আসলেই সেখানে অবস্থান করা উচিত। কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু একটা ঘটতে পারে এবং আমরা সেখানে যাওয়ার পক্ষেই বেশি আগ্রহী। তিনি নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বলেন, এর সম্ভাবনা বেশি, জানেন কেন? কারণ ফিল্ড মার্শাল দারুণ কাজ করছেন। তিনি অসাধারণ এবং এ কারণেই আমাদের সেখানে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমরা কেন এমন কোনও দেশে যাব যাদের এই বিষয়ের সঙ্গে কোন সম্পর্কই নেই?

বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘প্রায় শেষের পথে’।

সুত্র: আল জাজিরা, ডন, ফক্স নিউজ।

কালের আলো/জেএন

দেড় মাস পর ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
দেড় মাস পর ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রায় দেড় মাস পর আবারও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) একটি ব্যাংকের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি ডলার কেনা হয়।

মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট দুটিই ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

এর আগে সর্বশেষ গত ২ মার্চ দুটি ব্যাংকের কাছ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল। ওই সময় কাট-অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ৫৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার (৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়তে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। চলতি বছরের মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এসেছে ১৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নয়ন প্রবাসী আয় বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও।

সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, ১৫ এপ্রিল দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।

কালের আলো/জেএন

পুলিশে বড় রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
পুলিশে বড় রদবদল

‎পুলিশ বাহিনীতে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) থেকে ‘সুপারনিউমারারি পদোন্নতি’ পাওয়া এক ডিআইজিসহ ১৬ জন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

‎‎বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পুলিশ-১ শাখা) তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

‎‎প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশের (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) কামরুল হাসান মাহমুদকে এসবিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, আরপিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) তোফায়েল আহমেদকে পদস্থ বিভাগেই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে এবং ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) সুফিয়ান আহমেদকে ডিএমপিতেই যুগ্ম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎‎আরও জানান হয়, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মুহাম্মদ বাছির উদ্দিনকে সিআইডিতেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে এসবিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়াকে সিএমপিতেই অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মাহবুবুল করিমকে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরেই রাখা হয়েছে। আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আল মামুনকে আরএমপিতেই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে।

‎শিল্পাঞ্চল পুলিশ-৪ (নারায়ণগঞ্জ) এর পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহা. আসাদুজ্জামানকে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ আনিছুর রহমানকে এসবিতেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) ড. আ ক ম আকতারুজ্জামান বসুনিয়াকে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে একই দপ্তরে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ হায়াতুন নবীকে সিআইডিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পুলিশ সদর দপ্তরেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎‎এছাড়া আরও জানান হয়, পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আফরোজা পারভীনকে একই কর্মস্থলে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) তোফায়েল আহমেদ মিয়াকে নিজ বিভাগেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

‎জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন