খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

বাতাসের মান যাচাইয়ের উদ্যোগ সরকারের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
বাতাসের মান যাচাইয়ের উদ্যোগ সরকারের

কালের আলো রিপোর্ট:

বাংলাদেশ ও রাজধানী শহর ঢাকায় বায়ুদূষণের সমস্যাটি নতুন নয়। বছর বছর বায়ুর মানের অবনতি হচ্ছে। আইকিউএয়ারের হিসাবে, ২০১৬ সালে ঢাকার বায়ুমান সূচক ছিল ১৫০, যা ২০২৩ সালে ১৭১-এ উঠে যায়। মানে হলো বায়ুদূষণ বেড়েছে। শুষ্ক মৌসুমে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকা প্রায়ই ১ নম্বরে থাকে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন হওয়া আওয়ামী সরকারের আমলে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে খুব একটা জোর দেওয়া হয়নি। নামকাওয়াস্তে অভিযান চালানো,কিছু চিঠি–চালাচালি, কয়েকটি গাড়ি দিয়ে পানি ছিটানো এবং নির্মল বায়ু প্রকল্পের নামে নানা অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়া তেমন কিছু করতে দেখা যায়নি। বরং আওয়ামী লীগ সরকার বায়ুদূষণকারী বহু পুরোনো যানবাহন ঢাকায় চলতে দিয়েছে ‘রাজনৈতিক স্বার্থে’। নিম্নমানের জ্বালানি তেল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। উন্নয়নকাজ চলার সময় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো পদক্ষেপও দেখা যায়নি।

তবে এবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের বাতাসের মান যাচাইয়ের উদ্যোগ নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। তিন সিটি করপোরেশনের সড়কের পাশের এলাকাগুলোর বাতাসের গুণগত মান পরীক্ষা এবং যানবাহনের কারণে কী পরিমাণ বায়ুদূষণ হচ্ছে সেটি জানার জন্য ২৪টি মনিটরিং স্টেশন স্থাপন করা হবে। এসব মনিটরিং সরবরাহসহ স্থাপনে খরচ হবে শতকোটি টাকারও বেশি। ‘দ্য প্রজেক্ট ফর দ্য ইমপ্রুভমেন্ট অব ইকুপমেন্ট ফর দ্য এয়ার পলুশন মনিটরিং’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। গত ২০ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদনও দেওয়া হয়।

জানা যায়, ঢাকার রাস্তায় বের হলেই দেখা যায়, খোঁড়াখুঁড়ি অথবা নির্মাণকাজ চলছে; সেখানে ধুলাবালু যথেচ্ছভাবে ছড়াচ্ছে। রাস্তায় বের হলেই দেখা যায়, বহু পুরোনো লক্কড়ঝক্কড় বাস, লেগুনার মতো যানবাহন কালো ধোঁয়া ছেড়ে চলাচল করছে। রাস্তায় বের হলেই দেখা যায়, জমা করে বর্জ্য পোড়ানো হচ্ছে।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) তথ্যানুযায়ী, ঢাকায় বায়ুদূষণের বড় উৎস নির্মাণকাজ। এরপর রয়েছে ইটভাটা ও কারখানা, যানবাহন, আন্তর্দেশীয় দূষিত বায়ু, রান্নার চুলা এবং বর্জ্য পোড়ানো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবদুস সালাম ও তাঁর সহকারীরা ১৩ বছর ধরে ঢাকার বাতাসের ক্ষতিকর উপাদানগুলোর পরিমাপ করে আসছেন। তাঁরা বায়ুর মান পরিবীক্ষণযন্ত্রের সাহায্যে বাতাসের অবস্থা দেখেন। পাশাপাশি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের (নাসা) উপগ্রহ থেকে পাওয়া উপাত্তের সহায়তা নেওয়া হয়। তাঁদের হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ঢাকার বাতাসে অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে চারটি উপাদানের আশঙ্কাজনক উপস্থিতি রয়েছে—নাইট্রোজেন ডাই–অক্সাইড, অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা, সালফার ডাই–অক্সাইড ও ব্ল্যাক কার্বন।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন বলছে, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে কমপক্ষে ২ লাখ ৩৬ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। এ ছাড়া সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর ১ লাখ ২ হাজার ৪৫৬ জন মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ২৫৮ শিশুর কথা বলা হয়েছে। বায়ুদূষণে বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। বলা হচ্ছে, বায়ু ও সিসা দূষণসহ বিভিন্ন দূষণ শিশুদের আইকিউ হ্রাসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

একনেক সূত্র জানায়, ‘দ্য প্রজেক্ট ফর দ্য ইমপ্রুভমেন্ট অব ইকুপমেন্ট ফর দ্য এয়ার পলুশন মনিটরিং’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকেল্পর ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এতে সরকার জোগান (জিওবি) দেবে ৩৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আর জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অনুদান দেবে ৬৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। প্রকল্পটি ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ চট্টগ্রাম শহরে বাস্তবায়িত হবে। এর মধ্যে ঢাকা শহরে রাস্তার পাশের এলাকাগুলোতে ১৯টি কন্টিনিউয়াস এয়ার মনিটরিং স্টেশন (সিএএমএস) এবং চট্টগ্রাম শহরে ৫টি মনিটরিং স্টেশন স্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় মনিটরিং স্টেশন স্থাপন করা হবে মোট ২৪টি।

গত ২০ এপ্রিলের একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণের জন্য বর্তমানে ৩১টি স্টেশন রয়েছে। সেখান থেকে বায়ুদূষণের পরিমাণ জানা যায়। এবার রাস্তার পাশে মনিটরিং স্টেশন স্থাপন করা হবে। যানবাহনের কারণে কতটুকু, কী পরিমাণ বা কীসের কারণে বায়ুদূষণ হচ্ছে সেটি আলাদাভাবে জানা যাবে এসব স্টেশনের মাধ্যমে।

এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের রাস্তার পাশের এলাকাগুলোতে বাতাসের গুণগত মান পরীক্ষা করা এবং পাশাপাশি এসব এলাকার সড়কে যানবাহনের কারণে কী পরিমাণ বায়ুদূষণ হচ্ছে সেটি পরিমাপ করা। আর প্রকল্পের লক্ষ্য হলো- বায়ুদূষণের উৎস ও মাত্রা চিহ্নিত করা। বায়ুদূষণ কমানোর জন্য কার্যকর নীতিমালা এবং বাস্তবায়ন কৌশল প্রণয়ন করা। একই সঙ্গে বায়ুদূষণ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।

কালের আলো/এমএএইচএন

শোক কাটিয়ে শুটিংয়ে রাহুল পত্মী প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
শোক কাটিয়ে শুটিংয়ে রাহুল পত্মী প্রিয়াঙ্কা

ওপার বাংলার অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জির আকস্মিক মৃত্যুর শোক কাটিয়ে কাজে ফিরেছেন তার স্ত্রী, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) তিনি পরিচালক শমীক রায়চৌধুরীর নতুন ওয়েব সিরিজ ‘তারকাটা’-র শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন। বেহালার কাছাকাছি একটি লোকেশনে সিরিজটির দৃশ্যধারণ চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, প্রিয়াঙ্কা এই সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন এবং তার বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা বিক্রম চ্যাটার্জি। সিরিজটির মাত্র কয়েক দিনের শুটিং বাকি রয়েছে।

শুক্রবারের শুটিংয়ে প্রিয়াঙ্কা অংশ নিলেও আগামী দিনগুলোর শিডিউলে থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচালক শমীক রায়চৌধুরী শুটিং শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বর্তমানে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি এদিন দেবেশ রায়চৌধুরী ও আয়ুশ দাসও শুটিংয়ে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি উড়িষ্যার তালসারিতে একটি ধারাবাহিকের আউটডোর শুটিং চলাকালে অভিনেতা রাহুলের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় প্রিয়াঙ্কা কলকাতা ও তালসারি উভয় জায়গাতেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

গত কয়েক দিন নিজেকে সামলে নেওয়ার জন্য সময় নিলেও বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা শেয়ার করেন তিনি। সেখানে তিনি রাহুলের অকাল প্রয়াণকে শুধু শোকের স্মৃতি হিসেবে না রেখে একে বড় কোনো পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

দেশের দুই বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে দেশের অন্যত্র রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আরও বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

দ্বিতীয় দিন, শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরের ডিমলায় ৩১ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা খুলনার যশোরে ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডা. শফিকুরকে সালাহউদ্দিন

আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাসের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাসের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর যদি বলেন আমি কিছু বুঝিলাম না। যদি আপত্তি দিতে হতো তা উত্থাপনের পর, তারপরে সেকেন্ড রিডিংয়ে বিবেচনার সময়।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ধন্যবাদ জানাই বিরোধীদলীয় নেতাকে, সব বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যকে; আপনারা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। ‘হ্যাঁ’ও বুঝে দিয়েছেন, ‘না’ও বুঝে দিয়েছেন। এই অপরিসীম সহযোগিতার জন্য সরকারি দলের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, কার্য উপদেষ্টা কমিটি এসব কর্ম নির্ধারণ করছে। বিশেষ কমিটি যেটা আপনি (স্পিকার) করে দিয়েছেন এই আইনগুলো পর্যালোচনা করার জন্য সংসদে বিশেষ এই কমিটিতে আমাদের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন সভাপতি ছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন সদস্য ছিলেন। আইনমন্ত্রীসহ সবাই এটা আলোচনা পর্যালোচনা করে যেসব অধ্যাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে পাস করার জন্য সিদ্ধান্ত হয় তার মধ্যে এই বিলটাও ছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থবিলসহ আরও কিছু বিলে নোট অব ডিসেন্ট ছিল, আলোচনার দাবি রেখেছিলেন বিরোধীদলীয় সদস্য- সেটি এরই মধ্যে আপনি দুই মিনিটের জায়গায় ১০ মিনিট ১৫ মিনিট, যেভাবে আপনি উপযুক্ত মনে করেছেন আলোচনার জন্য দিয়েছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন