খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নৌবাহিনীতে কমিশন পেলেন ৫২ নবীন কর্মকর্তা, দেশপ্রেমে সর্বোচ্চ গুরুত্বের বার্তা সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনীতে কমিশন পেলেন ৫২ নবীন কর্মকর্তা, দেশপ্রেমে সর্বোচ্চ গুরুত্বের বার্তা সেনাপ্রধানের

কালের আলো রিপোর্ট:

‘শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয়’ তাঁরা। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা জাগ্রত থাকার প্রত্যয় সবার চোখে-মুখে। দীর্ঘ কঠিন সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে গ্রীষ্মকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে অংশ নেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবীন কর্মকর্তারা। রোববার (২২ জুন) বন্দর নগরী চট্টগ্রামের নেভাল একাডেমিতে তখন উৎসবমুখর পরিবেশ। বাদ্যের তালে তালে দৃঢ়পায়ে এগিয়ে চলেন সুসজ্জিত নৌবাহিনীর নবীন কর্মকর্তাদের দল। বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২০২২-বি ব্যাচের ৪৪ জন মিডশিপম্যান এবং ২০২৫-এ ব্যাচের ৮ জন ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসারসহ মোট ৫২ জন নবীন কর্মকর্তা কমিশন লাভ করেন। যেখানে রয়েছেন ৮ জন নারী ও ৪ জন বিদেশি কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে সর্বোচ্চ মান অর্জনকারীদের হাতে তুলে দেন পদক। দেশের বিস্তীর্ণ জলসীমার অতদ্র প্রহরী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবীন নির্ভীক সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আজকের দিনটি সকলের জন্য আনন্দের দিন।  কারণ বিএনএতে দীর্ঘ তিন বছর প্রশিক্ষণ শেষে আজ তোমরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করতে যাচ্ছ। এজন্য তোমাদেরকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তোমাদের কাছে আমার প্রত্যাশা এই যে, নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলী যেমন:  সততা, সত্যবাদিতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম দ্বারা নৌবাহিনীর ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব তোমরা আন্তরিকতার সাথে পালন করবে।’

এই প্যারেডে নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘এজন্য তোমাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তোমাদের এই একাডেমি আমাকে মুগ্ধ করেছে। তোমাদের এই বিল্ডিং এবং পারিপার্শ্বিক সৌন্দর্য এটাতে আমি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছি। নবীন নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে ফোর্সের প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার একাডেমির কমান্ড্যান্ট ও সংশ্লিষ্টদের জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ। আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারগণের গর্বিত মাতা পিতা ও অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

  • দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ নবীন কর্মকর্তাদের
  • একটি দক্ষ ও আধুনিক নৌবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য
  • যেকোন ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে
  • সার্বভৌমত্ব রক্ষা তোমাদের জীবনের প্রথম এবং প্রধানতম ব্রত 
  • চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজের বিবেকের দ্বারস্থ হবে

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, অনুষ্ঠানে কৃতিত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণের জন্য কয়েকজন নবীন কর্মকর্তাকে পদক দেওয়া হয়। সব বিষয়ে সর্বোচ্চ নৈপুণ্যের জন্য মিডশিপম্যান মেহেদী হাসান মৃধা ‘সোর্ড অব অনার’, দ্বিতীয় সেরা হিসেবে মিডশিপম্যান মো. মেহেরাব হক তনি ‘নৌ প্রধান স্বর্ণপদক’ এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য অ্যাক্টিং সাব লেফটেন্যান্ট রাজীব দত্ত ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্বর্ণপদক’ লাভ করেন। এ ছাড়া সুদানের মিডশিপম্যান আবোহোরিরা এলবাদাওয়ি আহমেদ এবদেলনাইম পান ‘বিএনএ আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক’।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ নবীন কর্মকর্তাদের

কুচকাওয়াজ শেষে নবীন কর্মকর্তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ নেন। তারা সুবিশাল সমুদ্র রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সন্তানদের এমন অর্জনে গর্বিত অভিভাবকরাও। অভিন্ন কণ্ঠে তাঁরা বলেন, ‘আমার সন্তান আজকে নেভাল অফিসার হয়েছে। গর্বে বুক ভরে যাচ্ছে। প্রয়োজনে দেশের জন্য প্রাণ দেবে। দেশের নিরাপত্তা ও অগ্রগতির পথে ভূমিকা রাখবে। আপসহীন থাকবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে।

একটি দক্ষ ও আধুনিক নৌবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা জানান মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শাহাদাত বরণকারী বীর যোদ্ধাদের, যাদের সুমহান আত্মত্যাগ সব সময় প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ নৌবাহিনীর গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। এই নৌবাহিনীর নেতৃত্বের দায়িত্ব মূলত অফিসারদের ওপরেই বর্তায়। এই লক্ষ্যে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বের শৃঙ্খলা, আনুগত্য, ন্যায়পরায়ণতা ও কর্তব্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বে অবদান রেখে চলেছে।

যেকোন ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে

নতুন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যেকোন ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে আহ্বান জানান সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘সামরিক চেতনা ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে এবং যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশপ্রেমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তোমাদেরকে সাহসিকতার সাথে সকল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। তোমরা প্রতিনিয়ত নিজের সক্ষমতা বাড়াতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। নৌবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, রীতিনীতি, সুনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন পদ্ধতি মনেপ্রাণে সর্বদা গ্রহণ করবে এবং নিজেদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সর্বদা প্রস্তুত রাখবে। মনে রাখবে তোমাদের ওপর অর্পিত হবে নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।’

সার্বভৌমত্ব রক্ষা তোমাদের জীবনের প্রথম এবং প্রধানতম ব্রত

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মূলমন্ত্র ‘শান্তিতে সংগ্রামী সমুদ্রে দুর্জয়’ এটাতে উজ্জীবিত হয়ে মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হবে তোমাদের জীবনের প্রথম এবং প্রধানতম ব্রত এমনটিই মনে করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশের জন্য নৌবাহিনী একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টায় আছি এই নৌবাহিনীকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ করতে।

বিভিন্ন ধরনের জাহাজ, সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে আমাদের সিলাইনআপ কমিউনিকেশন রক্ষা করার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশ আমদানি-রপ্তানি নির্ভর একটি দেশ। এদেশের সিলাইনআপ কমিউনিকেশন রক্ষার দায়িত্ব তোমাদের। ইনশাআল্লাহ তোমরা তোমাদের চাকরি জীবনে প্রত্যক্ষ করবে নতুন নতুন সরঞ্জাম, জাহাজ ও সাবমেরিন এই নৌবাহিনীতে সংযোজিত হবে। তোমরা এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে ইনশাআল্লাহ।’

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজের বিবেকের দ্বারস্থ হবে

নৌবাহিনী একটি অত্যন্ত স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যেখানে শৃঙ্খলা প্রধান চালিকাশক্তি বলে মনে করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ‘এখানে সকল বিষয় নির্ধারিত নিয়ম, প্রথা ও অনুশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়। যেকোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিজের বিবেকের দ্বারস্থ হবে। তোমরা ভুলে যাবে না, তোমাদের গড়ে তুলতে দেশের খেটে খাওয়া মানুষের অনেক অবদান রয়েছে। মনে রাখবে আমাদের জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। এর মাধ্যমে তোমরা একজন আদর্শবান, মর্যাদাবান ও  উন্নত চরিত্রের নৌ সদস্য হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।’

কালের আলো/এমএএএমকে

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব পুতিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব পুতিনের

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গতকাল সোমবার মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পুতিনের মুখপাত্র ও ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ।

ব্রিফিংয়ে পেসকভ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। আগেও আমরা এমন একটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম।”

সোমবারের ব্রিফিংয়ে পেসকভ আরও জানান, আগের দিন রোববার টেলিফোনে কথা হয়েছে পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে। পেজেশকিয়ান ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠকের বিভিন্ন তথ্য পুতিনকে জানিয়েছেন।

“প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”, বলেছেন পেসকভ।

ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে। এই ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ বা পরিশুদ্ধ। জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী এই বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হলেই পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারবে ইরান।

ইরান অবশ্য বরাবরই পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে বোমা তৈরির প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে, তবে দেশটির পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে বিরোধ চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই বিরোধের জেরেই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ।

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইরানকে ১৫টি পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই প্রস্তাবনার একটি পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে— ইরানের এই ইউরেনিয়াম হয় ধ্বংস করতে হবে, নয়তো অপসারণ করতে হবে।

সূত্র : এএফপি, ফার্স্টনিউজ

কালের আলো/এসএকে

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে