খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

কৃষিজমি রক্ষায় হচ্ছে ভূমি কর্তৃপক্ষ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:১০ অপরাহ্ণ
কৃষিজমি রক্ষায় হচ্ছে ভূমি কর্তৃপক্ষ

কালের আলো রিপোর্ট:

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ শতাংশ করে কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশে কোনো কৃষিজমি থাকবে না। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মোট ২ কোটি ১ লাখ ৫৭ হাজার একর বা ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর আবাদযোগ্য জমি রয়েছে। ফলে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে জমির সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এর অংশ হিসাবে গঠন করা হবে ‘বাংলাদেশ ভূমি জোনিং ও ভূমি সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ’। এটি কৃষিজমি সুরক্ষা ও জোনভিত্তিক ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। ‘ভূমি ব্যবহার ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ায় এ বিষয়টি যুক্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে খসড়াটির ওপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট খসড়াটি মতামতের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, অধ্যাদেশের খসড়ায় আলাদা কর্তৃপক্ষ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় হবে ঢাকায়। তবে তারা প্রয়োজন মনে করলে সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশের যেকোনও স্থানে এর কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে। বাংলাদেশ ভূমি জোনিং ও ভূমি সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠন না হওয়া পর্যন্ত ‘ভূমি সংস্কার বোর্ড’ কর্তৃপক্ষের সব ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবে।

নতুন এই কর্তৃপক্ষ গঠন বিষয়ে বলা হয়েছে, একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য নিয়ে কর্তৃপক্ষ গঠন হবে। চেয়ারম্যান ও সদস্যরা কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক কর্মচারী হবেন। সরকার অন্যূন অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ারম্যান এবং অন্যূন যুগ্মসচিব পদে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে দুই সদস্য নিয়োগ করবে।

কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ কৃষিজমি সুরক্ষা ও জোনভিত্তিক ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করবে। এজন্য সারা দেশে একই সঙ্গে বা পর্যায়ক্রমে একটি সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার বা মৌজার ভূমির বিদ্যমান ব্যবহার, বৈশিষ্ট্য ও ভূমিরূপ যথাযথভাবে পরীক্ষা করবে। এরপর মৌজা, দাগ বা অন্য কোনো চিহ্ন বা সীমারেখা দিয়ে সারা দেশের জন্য ‘ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ’ ও স্থানিক পরিকল্পনা তৈরি করবে। ডেটাবেজ সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করবে। এছাড়া মানুষের কার্যক্রমের কারণে ভূমির উপরিভাগের ক্ষতিকর পরিবর্তন যথাসম্ভব রোধের ব্যবস্থা নেবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইন অনুবিভাগ) মো. আব্দুর রউফ বলেন, ‘ভূমির ব্যবহার এবং কৃষিজমি সুরক্ষার উদ্বেগ আছে। এটি দীর্ঘদিনের চিন্তা। সেদিক থেকে সরকারের এটি উদ্যোগ। আমরা একটি খসড়া করেছি। বিভিন্ন মতামত আসবে, চূড়ান্ত করে ক্যাবিনেটে যাবে।’

কালের আলো/এমএএইচ/এইচএন

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন