খুঁজুন
                               
, ,
           

এনসিপির ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:১৭ অপরাহ্ণ
এনসিপির ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন

কালের আলো রিপোর্ট:

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা বা জোটের পর ভাঙনের ঝাপটার মুখে পড়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির ভবিষ্যত রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। অবশ্য এই জোট নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভালো মন্দ দুটোই দেখছেন।

নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে আর ‘বৃহত্তর ঐক্যের’ প্রয়োজনবোধ এবং বিচার ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে এক থাকাই জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার কারণ বলে জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জানা যায়, তফসিল ঘোষণার দিন থেকে সাবেকের কাতারে নাম লেখানো উপদেষ্টা মাহফুজ রোববার রাতে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি ‘এই এনসিপির’ অংশ হচ্ছেন না। তাঁর এনসিপিতে যোগ না দেওয়ার ঘোষণা বড় খবর হয়ে আলোচনায় এসেছে। এর আগে একই কারণ দেখিয়ে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন দলটির পরিচিত মুখ হয়ে ওঠা তাসনিম জারা। শনিবার দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব জারার সরে দাঁড়ানোর ধাক্কার পরদিনই রোববার যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবিন পদত্যাগের ঘোষণা দেন। নির্বাচন না করার কথাও বলেন তিনি। আরও কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করবেন বলেও গুঞ্জন আছে।

রাজনীতিতে ‘নতুন বন্দোবস্ত’ আনার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এনসিপি এর আগে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের দাবি করে আসছিল। শেষমেষ জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট বাধার বিষয়টি তাদের রাজনীতিতে টিকে থাকার ভবিষ্যত নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ মোহাম্মদ সাহান মনে করছেন জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়া এনসিপির জন্য রাজনৈতিকভাবে সুবিধার হবে না। তিনি বলেন, ‘এটাতে এনসিপির কোন লাভ হয়নি। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী এর থেকে ভালো নির্বাচনি সহযোগী পাবে না। এবং এনসিপি বড় কিছু হারাবে।’

বিএনপি-জামায়াতের পর এনসিপি ইতোমধ্যে ‘বড় দলের তকমা’ পেয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম বলেন, সেক্ষেত্রে জোট করলেও নিজেদের প্রতীকে ভোট করা উচিত।

তার ভাষ্য, ‘এনসিপি এখন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম দল বলা যায়- তাদের ক্ষেত্রে যেটা আমার বিশ্লেষণ যে দলটা মাত্র শুরু হয়েছে, মাত্র গঠন করা হয়েছে। এই দলটা যারা গঠন করেছে তারা সবাই জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিল।

তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট পলিটিক্যাল পার্টি মার্জ হয়ে গেল বড় দলের সঙ্গে; তারা মূলত শুধু নির্বাচনে জেতার জন্যই পলিটিক্স করে এবং বড় দলকে ব্যবহার করতে চায় তার প্রমাণটা কিন্তু এবার হয়ে গেল। তারা তাদের প্রতীককে, দলের নিবন্ধন, তাদের আইডিওলজি এটাকে জনগণের কাছে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়ে গেছে; যে কারণে তারা এই কাজ করেছে।’

জোট গঠন হলেও এটি এনসিপির আদর্শ হারাবে না বলে তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, জোটে যাওয়াটা আদর্শের বিষয় না, এটা রাজনৈতিক সুবিধা-অসুবিধা পাওয়ার বিষয়। আগের যেসব রাজনৈতিক দল জোট করেছে, তাদের আদর্শের কি পরিবর্তন হয়েছে, না হয়নি।’

কালের আলো/এমএএইচ/এইচএন

প্রথমে তুহিন, পরে ফাহাদ-কামরুলের মাথায় আঘাত, দাবি পুলিশের

নিজস্ব/কুমিল্লা সংবাদদাতা:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
প্রথমে তুহিন, পরে ফাহাদ-কামরুলের মাথায় আঘাত, দাবি পুলিশের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই ঘটনায় সিয়াম (১৯) নামে আরও একজনকে আটক করে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।

  • মোবাইল ছিনিয়ে নিতে নির্জন বনে ডেকে নেওয়া
  • ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে লাঠির আঘাত
  • তিনজন গ্রেপ্তার, আরও একজন আটক

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমকে হত্যার আগে তার মোবাইলফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে বাধা দিলে তার সঙ্গে অভিযুক্তদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রথমে সাইফুল ইসলাম তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিসিটিভিতে তুহিন, সেখান থেকেই তদন্তের সূত্র
পুলিশ সুপার জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে সাইফুল ইসলাম তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা একটি নির্জন জঙ্গলের দিকে যান। পরে ওই এলাকা থেকে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতিমের মোবাইলফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তুহিনের তথ্যেই ফাহাদ, ফাহাদের পর কামরুল
পুলিশ জানায়, তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ নামে একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ তার বন্ধু কামরুলের সম্পৃক্ততার কথা জানান। পরে কামরুলকেও হেফাজতে নেয় পুলিশ। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুহিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, তুহিন প্রথমে তিনটি ভিন্ন স্থানে আইফোনটি থাকার কথা জানান। পরে সঠিক তথ্য দিলে তার বাসার তোশকের নিচ থেকে অপ্রতিমের মোবাইলফোনটি উদ্ধার করা হয়।

বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে হত্যাকাণ্ড
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সানন্দা এলাকার নির্জন বনে অপ্রতিমের মোবাইলফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় অপ্রতিম বাধা দিলে তুহিনের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশের দাবি, একপর্যায়ে তুহিন বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করেন। এরপর ফাহাদ ও কামরুলও তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই অপ্রতিমের মৃত্যু হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

লাশ ফেলে মোবাইল নিয়ে চলে যায় তিনজন
পুলিশের দাবি, অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন তার মোবাইলফোন নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসান (১৫)। এ ছাড়া সিয়াম (১৯) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ।

অন্য কেউ জড়িত কি না, তদন্ত চলছে
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এম/এএইচ

জাতিসংঘে ‘নতুন বাংলাদেশ’, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কারের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘে ‘নতুন বাংলাদেশ’, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কারের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক—তারপর সরাসরি বিশ্বমঞ্চ। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম ভাষণের দিকে এখন নজর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের।

  • বাবা জিয়া ও মা খালেদার পর একই পরিবারের তৃতীয় রাজনীতিকের জাতিসংঘ অভিষেক
  • গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক, একাধিক সাইডলাইন মিটিং

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তারেক রহমান কী বার্তা দেন, সেটিই এখন সফরের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভাষণে সরকারের অগ্রাধিকার, সংস্কার কার্যক্রম, গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর পরিকল্পনা তুলে ধরবেন তিনি। নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান এবং দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপরেখাও তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পেতে পারে।

গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক, একাধিক সাইডলাইন মিটিং
নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচিতে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে অবস্থান করার কথা রয়েছে তাঁর। জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতিও রয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর অংশগ্রহণের মতো বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠকের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, কৌশলগত সহযোগিতা ও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ এসব আলোচনায় প্রাধান্য পেতে পারে।

জিয়া-খালেদার পর তারেক রহমান
জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে পারিবারিক রাজনৈতিক ইতিহাসও। একই পরিবারের তৃতীয় রাজনীতিক হিসেবে জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। ১৯৮০ সালের আগস্টে জাতিসংঘের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, উন্নয়নশীল বিশ্বের সংকট, খাদ্য নিরাপত্তা ও বিশ্বশান্তির মতো বিষয় তুলে ধরেছিলেন। ২০০৫ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে খালেদা জিয়াও জাতিসংঘের বিশ্ব সম্মেলনসহ একাধিক উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেন।

এবার সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্বমঞ্চে উঠছেন তারেক রহমান। ফলে তাঁর বক্তব্যে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অবস্থান কীভাবে তুলে ধরা হয়, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।

নিউইয়র্কে স্বাগত প্রস্তুতি
তারেক রহমানের সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যেও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নেতাকর্মীদের নিউইয়র্কে আসার কথা জানিয়েছে দলীয় সূত্র। এদিকে, ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহ শুরু হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর। সাধারণ বিতর্ক চলবে ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর। সব মিলিয়ে জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হতে যাচ্ছে ২৪ সেপ্টেম্বর—যেদিন প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিতর্কের পর হাফেজদের দেওয়া বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
বিতর্কের পর হাফেজদের দেওয়া বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া নোয়াহ হারারির ‘নেক্সাস’ বইয়ের বাংলা অনুবাদ বিতর্কের পর ফেরত নিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার তার দপ্তরে বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইগুলো ফেরত নেন। এ সময় হাফেজদের পাশাপাশি তাদের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজীজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশি হাফেজদের কয়েকটি করে বই উপহার দেওয়া হয়। এসব বইয়ের মধ্যে ছিল ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ নোয়াহ হারারির লেখা ‘নেক্সাস’-এর বাংলা অনুবাদ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে বইগুলো তুলে দেন। পরে বই দেওয়ার ছবি প্রকাশ্যে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সন্ধ্যায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বই ফেরত নেওয়ার তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের পোস্টে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশি হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে। দুপুরে প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইগুলো ফেরত নেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের জন্য ঘোষিত আন্তর্জাতিক সফর, সহায়তা ও অন্যান্য প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সরকারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি