খুঁজুন
                               
, ,
           

খালাফ হত্যা মামলার ফের শুনানি হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭, ১১:২১ অপরাহ্ণ
খালাফ হত্যা মামলার ফের শুনানি হবে

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের করা আপিলের ওপর আজ মঙ্গলবার রায় হয়নি। আদালত মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য ১৭ অক্টোবর তারিখ ধার্য করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ তারিখ ধার্য করেন।

গত ২০ আগস্ট রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে আদালত ১০ অক্টোবর রায়ের দিন রেখেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি রায় ঘোষণার জন্য তালিকায় ওঠে। রাষ্ট্রপক্ষে এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। রায়ে নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির মধ্যে শুধুমাত্র সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. আল আমীন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলামকে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম চৌধুরীকে খালাস দেওয়া হয়। সেলিম চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছে।

২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায়ে ওই পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী। পরদিন ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর গুলশান থানা পুলিশ এ ঘটনায় মামলা করে। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এর আগে সেলিম ছাড়া অপর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

উর্দু কবি ও সমাজসেবক সৈয়দ তাকি মোহাম্মদের ইন্তেকাল

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
উর্দু কবি ও সমাজসেবক সৈয়দ তাকি মোহাম্মদের ইন্তেকাল

উর্দু সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি এবং পুরান ঢাকার সমাজসেবক ও সংগঠক সৈয়দ তাকি মোহাম্মদ, যিনি ‘বুড্ডান সাহেব’ নামে পরিচিত ছিলেন, মারা গেছেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে পুরান ঢাকার সাত রওজা মহল্লায় নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

তিনি স্ত্রী, পাঁচ সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। শনিবার বাদ জোহর পুরান ঢাকার হোসনি দালান ইমামবাড়ায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সাত রওজার পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

১৯৫০ সালের ১৪ জানুয়ারি পুরান ঢাকার সাত রওজা মহল্লায় একটি মুঘল অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ তাকি মোহাম্মদ। তাঁর বাবা নবাব সৈয়দ আলী মোহাম্মদ (ছোট্টন) ছিলেন ঢাকার বিশিষ্ট জমিদার।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন সৈয়দ তাকি মোহাম্মদ। তিনি বিভিন্ন সময়ে হোসনি দালান ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, জাতীয় ওয়াকফ কমিটির পরিচালনা সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দেন।

পুরান ঢাকায় মুঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত মোহাম্মদী বেগ ইমামবাড়া ওয়াকফ এস্টেটের মুতওয়াল্লী হিসেবেও তিনি আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন।

মরহুমের কুলখানি আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বাদ মাগরিব পুরান ঢাকার হোসনি দালানে এবং বাদ এশা সাত রওজা খাজা নেহাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

কালের আলো/এসএ

নিহত যুবদল নেতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
নিহত যুবদল নেতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশের গুলিতে নিহত ফেনীর যুবদল নেতা শহীদ হারুন এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুর্বৃত্তদের আগুনে বসতবাড়ি হারানো এক অসহায় পরিবারকে নতুন বাড়ি উপহার দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যদের হাতে নবনির্মিত বাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ ও নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটির জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা শহীদ হারুনের পরিবার এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুর্বৃত্তদের আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে যাওয়া একটি অসহায় পরিবার রয়েছে।

রোববার চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে নবনির্মিত বাড়ির চাবি তুলে দেবেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত, নির্যাতিত নেতাকর্মী এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পরিবার দুটিকে নতুন বাড়ি দেওয়া হচ্ছে।

‘আমরা বিএনপি পরিবার’ দীর্ঘদিন ধরে দলের ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নতুন বাড়ি উপহার দেওয়ার উদ্যোগও সেই কার্যক্রমের অংশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বৃষ্টির পানিতেও মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

লাইফস্টাইল ডেস্ক:
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
বৃষ্টির পানিতেও মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

মানুষের রক্ত ও বুকের দুধে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি এরই মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এবার বৃষ্টির পানিতেও ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার সন্ধান পেয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার গবেষকেরা। দেশটির ন্যাশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন এজেন্সির (বিআরআইএন) গবেষণায় জাকার্তার বৃষ্টির পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলীয় এলাকা থেকে সংগ্রহ করা বৃষ্টির পানিতে প্রতি বর্গমিটারে প্রায় ১৫টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। অর্থাৎ ১০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি বাড়ির ওপর বৃষ্টির সময় প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা পড়তে পারে।

বিআরআইএনের গবেষক মোহাম্মদ রেজা কর্ডোভা জানান, বাতাসে ভেসে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক বৃষ্টির ফোঁটার সঙ্গে মাটিতে নেমে আসে। বৃষ্টির পরিমাণ যত বাড়ে, বাতাস থেকে তত বেশি প্লাস্টিক কণা ধুয়ে মাটিতে পড়তে পারে।

বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে প্লাস্টিক

গবেষকদের মতে, বৃষ্টির পানিতে পাওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিকের মধ্যে কাপড়ের তৈরি সিনথেটিক ফাইবার ও গাড়ির টায়ারের পলিমার রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্লাস্টিকজাত বস্তু পুড়ে বা ক্ষয় হয়ে তৈরি হওয়া ক্ষুদ্র টুকরোও বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে মাটিতে পড়ছে।

ইন্দোনেশিয়ার বাতাস ও মানুষের শরীরেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। দেশটিতে আবর্জনা পোড়ানোর প্রবণতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি বড় ভাগাড়ে প্রায় ১০ দিন ধরে আগুন জ্বললে সেখানকার ধোঁয়া ও প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

গবেষক মোহাম্মদ রেজা কর্ডোভার ভাষ্য অনুযায়ী, জ্যাতিওয়ারিঙ্গিন ল্যান্ডফিলে আগুন লাগার পর ধোঁয়া ও প্লাস্টিকের টুকরো আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে শত শত মানুষ তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

খাবার ও সামুদ্রিক প্রাণীতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইন্দোনেশিয়ায় মানুষের মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের মাত্রা বিশ্বের সর্বোচ্চগুলোর একটি। গবেষণা অনুযায়ী, দেশটির মানুষ মাসে গড়ে প্রায় ১৫ গ্রাম প্লাস্টিক কণা গ্রহণ করে।

বাতাসে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির দিক থেকেও ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। দেশটির জলসীমায় ধরা পড়া মাছ ও বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর শরীরেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

বিশ্বজুড়েই মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। তবে ইন্দোনেশিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান, ঘনবসতি এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সমস্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

কালের আলো/এসএ