খুঁজুন
                               
, ,
           

সৌদিতে ইরানের হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
সৌদিতে ইরানের হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

যুদ্ধ শুরুর পর গত ১৪ দিনে ইরানের হামলায় সৌদি আরবে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনীর ৫টি যুদ্ধবিমান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়া ৫টি উড়োজাহাজই সৌদির মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের এবং সবগুলোও রি-ফুয়েলিং বিমান। খবর রয়টার্সের।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গত কয়েক দিনে এগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে, তবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি।

উড়োজাহাজগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এই ৫ বিমান বিধ্বস্তের সময় কেউ নিহত কিংবা আহত হয়নি বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

গত শুক্রবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রি-ফুয়েলিং যুদ্ধ বিমান। চালক ও সহ-চালকসহ বিমানটিতে মোট ৬ জন ক্রু ছিলেন। তাদের সবাই নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রি-ফুয়েলিং বিমান ব্যবহার করা হয়। গত শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী নিয়মিত রি-ফুয়েলিং উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে এবং এই উড়োজাহাজ মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বদলে যাচ্ছে এএফএমসি, উন্নত চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ছক

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বদলে যাচ্ছে এএফএমসি, উন্নত চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ছক

চিকিৎসা শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (এএফএমসি)। শুধু পাঠ্যবই আর শ্রেণিকক্ষনির্ভর শিক্ষা নয়—হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, আধুনিক সিমুলেশন প্রযুক্তি, গবেষণা এবং বাস্তবভিত্তিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষাকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব ডেডিকেটেড ট্রেনিং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, ক্লিনিক্যাল স্কিলস অ্যান্ড সিমুলেশন ল্যাবরেটরিকে আরও আধুনিক ও বড় পরিসরে নেওয়া, ক্যাডেট সংখ্যা বাড়ানো, একাডেমিক ভবন ও মহিলা ডরমেটরি সম্প্রসারণ—একসঙ্গে একাধিক উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে এএফএমসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

  • ১৯তম কাউন্সিল সভায় একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত
  • ডেডিকেটেড ট্রেনিং হাসপাতাল, আধুনিক সিমুলেশন ল্যাব ও ক্যাডেট সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ
  • শিক্ষা-গবেষণা-প্রশিক্ষণে একসঙ্গে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান ও কাউন্সিল অব দ্য কলেজের চেয়ারম্যান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এএফএমসির ১৯তম কাউন্সিল অব দ্য কলেজ সভায় এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রেণিকক্ষ থেকে বাস্তব চিকিৎসায়
চিকিৎসা শিক্ষায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়। সেই জায়গাটিতেই জোর দিচ্ছে এএফএমসি। সভায় নিজস্ব ডেডিকেটেড ট্রেনিং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ আরও কাঠামোবদ্ধ ও বাস্তবভিত্তিক করার সুযোগ তৈরি হবে। রোগী ব্যবস্থাপনা, ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণের পরিসরও বাড়বে। অর্থাৎ চিকিৎসক তৈরির প্রক্রিয়ায় শুধু ‘জানা’ নয়, বাস্তবে সেই জ্ঞান প্রয়োগের সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বদলে যাচ্ছে সিমুলেশন ল্যাব
প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণেও বড় পরিবর্তনের প্রস্তুতি রয়েছে। বিদ্যমান ক্লিনিক্যাল স্কিলস অ্যান্ড সিমুলেশন ল্যাবরেটরিকে আরও আধুনিক ও সম্প্রসারিত পরিসরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কাউন্সিল সভা শেষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদ্যমান ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। পরে নতুন স্থানে আধুনিক সিমুলেশন ল্যাবরেটরি নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

চিকিৎসা শিক্ষায় সিমুলেশন প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের বাস্তব রোগীর ওপর কাজ করার আগে বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল পরিস্থিতি অনুশীলনের সুযোগ দেয়। ফলে নতুন ল্যাবরেটরি এএফএমসির ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাড়ছে ক্যাডেট ও পরিসর
শিক্ষার্থী বাড়ানোর পরিকল্পনাও এসেছে নতুন রূপরেখায়। ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্যাডেট সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ২৯তম ব্যাচের ক্যাডেট ভর্তি কার্যক্রম নিয়েও সভায় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ক্যাডেট সংখ্যা বাড়ানোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে একাডেমিক ভবন এবং মহিলা ডরমেটরির বর্ধিতাংশ নির্মাণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ শুধু শিক্ষার্থী বাড়ানো নয়, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও আবাসন অবকাঠামো তৈরির দিকটিও একই সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

গবেষণা ও একাডেমিক উৎকর্ষে নতুন নজর
এএফএমসির শিক্ষার মান আরও আধুনিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেওয়ার বিষয়টি সভায় বিশেষ গুরুত্ব পায়। সাম্প্রতিক পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনার পাশাপাশি একাডেমিক উৎকর্ষ বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়।

চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে গবেষণার সংযোগ আরও জোরালো করার বিষয়টিও এ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবর্তিত চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যসেবার চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির পাশাপাশি জ্ঞান ও গবেষণার পরিসর বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

হাসপাতাল-ল্যাবের পাশাপাশি সবুজ জ্বালানি
এএফএমসির উন্নয়ন পরিকল্পনা শুধু শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রশিক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের সঙ্গে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাকে যুক্ত করার এ উদ্যোগ ভবিষ্যৎ ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

৫৬ ক্যাডেট থেকে এএফএমসি
১৯৯৯ সালের ২০ জুন মাত্র ৫৬ জন মেডিকেল ক্যাডেট নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির মাধ্যমে এএফএমসির একাডেমিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই ছোট পরিসরের প্রতিষ্ঠান এখন চিকিৎসা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণার আরও বিস্তৃত পরিসরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১৯তম কাউন্সিল অব দ্য কলেজ সভার সিদ্ধান্তগুলো সেই পরিবর্তনেরই একটি সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরেছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সভায় ডিজিএমএস মেজর জেনারেল কাজী মো. রশীদ-উন-নবী, অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হোসাইন আল মোরশেদ, এএফএমসি কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. মাসুদুল আলম মজুমদার এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রতিরক্ষা, অর্থ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কাউন্সিলের সদস্য এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

সামনে লক্ষ্য—আরও দক্ষ চিকিৎসক
এএফএমসির সামনের পরিকল্পনায় তাই কয়েকটি বিষয় একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা স্পষ্ট—আধুনিক একাডেমিক শিক্ষা, বাস্তবভিত্তিক ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর সিমুলেশন, গবেষণা, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং বাড়তি ক্যাডেটের জন্য সক্ষমতা তৈরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এএফএমসির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় যেমন পরিবর্তন আসবে, তেমনি ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের দক্ষতা তৈরির পরিসরও বাড়বে। আর সেই লক্ষ্যেই ৫৬ ক্যাডেট দিয়ে শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠানটি এখন প্রবেশ করছে চিকিৎসা শিক্ষার আরও আধুনিক এক অধ্যায়ে।

এম/এএইচ

আইডিএফে ৬৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
আইডিএফে ৬৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনে (আইডিএফ) ৯ ক্যাটাগরির পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ৬৯৩ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উপনির্বাহী পরিচালক, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক ও উপপরিচালক, নিরীক্ষক, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার, ফিল্ড অর্গানাইজার এবং সোলার টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন পদ রাখা হয়েছে।

কোন পদে কত নিয়োগ

উপনির্বাহী পরিচালক পদে একজন এবং পরিচালক (মানবসম্পদ) পদে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে। উপনির্বাহী পরিচালক পদের প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স ৪৫ বছর এবং পরিচালক (মানবসম্পদ) পদের সর্বোচ্চ বয়স ৪০ বছর।

উপপরিচালক (মানবসম্পদ) পদে একজন এবং নিরীক্ষক পদে ১০ জন নেওয়া হবে। উভয় পদের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর।

প্রোগ্রাম অর্গানাইজার (অভিজ্ঞ) পদে ৩০ জন এবং প্রোগ্রাম অর্গানাইজার পদে ৫০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। এ দুটি পদের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর।

প্রোগ্রাম অর্গানাইজার পদে প্রশিক্ষণকাল ছয় মাস। এ সময়ে মাসিক বেতন ২৪ হাজার টাকা। নিয়মিত হওয়ার পর বেতন হবে ৪০ হাজার ৩৮৮ টাকা।

এ ছাড়া ফিল্ড অর্গানাইজার (অভিজ্ঞ) পদে ১০০ জন এবং ফিল্ড অর্গানাইজার পদে ২০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।

অভিজ্ঞ ফিল্ড অর্গানাইজার পদের প্রবেশনকাল তিন মাস এবং এ সময়ে বেতন আলোচনা সাপেক্ষে। এই পদের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর।

ফিল্ড অর্গানাইজার পদে প্রশিক্ষণকাল ছয় মাস। এ সময়ে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। নিয়মিত হওয়ার পর বেতন হবে ২৬ হাজার ৫৩০ টাকা। এ পদের সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর।

সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে সোলার টেকনিশিয়ান পদে। এ পদে নেওয়া হবে ৩০০ জন। প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স ৪০ বছর। দায়িত্ব ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

আবেদনের নিয়ম

আগ্রহী প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সব সনদপত্রের ফটোকপি এবং মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।

আবেদন ডাকযোগে অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো যাবে।

আবেদনের ঠিকানা:
মানবসম্পদ বিভাগ, আইডিএফ
বাড়ি নং-২০, অ্যাভিনিউ-০২, ব্লক-ডি, মিরপুর-০২, ঢাকা-১২১৬।

ই-মেইল: career.idfbd@gmail.com

যেসব শর্ত মানতে হবে

১ থেকে ৫ নম্বর পদের প্রার্থীদের প্রবেশনকাল তিন মাস। এ সময়ে ভাতা আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

৫ থেকে ৮ নম্বর পদের প্রার্থীদের মোটরসাইকেল চালানো বাধ্যতামূলক।

নির্বাচিত প্রার্থীদের বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়

আইডিএফের এসব পদে আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন পাঠাতে হবে।

কালের আলো/এসএ

৬–১০ গ্রেডে চাকরি, নিয়োগ হবে ২২০ জন

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
৬–১০ গ্রেডে চাকরি, নিয়োগ হবে ২২০ জন

বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ১৭ ক্যাটাগরির পদে মোট ২২০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রকৌশলী থেকে শুরু করে আইন, ফিন্যান্স, নিরীক্ষা ও প্রটোকল—বিভিন্ন পেশাগত যোগ্যতার প্রার্থীদের জন্য রয়েছে আবেদনের সুযোগ। এসব পদের মধ্যে গ্রেড-৬, ৯ ও ১০-এর পদ রয়েছে।

৮১ পদ আইন বিভাগে

নিয়োগে সবচেয়ে বেশি পদ রয়েছে সিনিয়র অফিসার (ল)/সিনিয়র অফিসার (আইন)/আইন অফিসার পদে। এ পদে নিয়োগ পাবেন ৮১ জন।

এ ছাড়া সিনিয়র অফিসার (নিরীক্ষা) ২০ জন, সিনিয়র অফিসার (ফিন্যান্সিয়াল এনালিস্ট) ১৪ জন এবং সিভিল প্রকৌশলী সংশ্লিষ্ট পদে ২২ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।

ইলেকট্রিক্যাল, টেক্সটাইল, লেদার, আর্কিটেকচার ও মেকানিক্যাল প্রকৌশলীদের জন্যও রয়েছে বিভিন্ন পদ।

গ্রেড-১০-এও সুযোগ

গ্রেড-১০-এর পদগুলোর মধ্যে সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদে ৩৬ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া মেকানিক্যালে ৯ জন, ইলেকট্রিক্যালে ৮ জন এবং টেক্সটাইলে ৪ জন নেওয়া হবে।

সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার) পদে রয়েছে ১টি পদ। একই গ্রেডে প্রটোকল অফিসার পদেও ১ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।

গ্রেড-১০-এর এসব পদের বেতন স্কেল ১৬,০০০–৩৮,৬৪০ টাকা।

সর্বোচ্চ বেতন আইন কর্মকর্তা পদে

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ১৫ নম্বর পদ আইন কর্মকর্তা। এই পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদটি গ্রেড-৬ এবং বেতন স্কেল ৩৫,৫০০–৬৭,০১০ টাকা।

এ পদের প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর। অন্য সব পদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর।

আবেদন করবেন যেভাবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। পূর্বে আবেদন করা থাকলে বিদ্যমান সিভি আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবেদন করা যাবে।

নতুন প্রার্থীদের প্রথমে ‘Apply Online’-এ ক্লিক করে ‘Register Now’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। এরপর ‘Submit Application’-এ ক্লিক করলে আবেদন সম্পন্ন হবে এবং সিভি আইডি নম্বর পাওয়া যাবে।

এই সিভি আইডি ও পাসওয়ার্ড ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করা জরুরি।

আবেদনের সময়সীমা

আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। আবেদন করা যাবে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

প্রার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএ