খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সিআইডি প্রধান হিসাবে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিনের যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
সিআইডি প্রধান হিসাবে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিনের যোগদান

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

বুধবার (২৫ মার্চ) সিআইডি সদর দফতরে এক সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন সিআইডি প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। সিআইডি প্রধান হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন ডিরেক্টরেটের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং কুষ্টিয়া, ভোলা, শেরপুরসহ বিভিন্ন জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া, জাতিসংঘের African Union-United Nations Hybrid Operation in Darfur (UNAMID)-এ পুলিশ অফিসার (P-4) হিসেবে দায়িত্ব পালন তার পেশাগত জীবনে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

শিক্ষাগত জীবনে তিনি অপারেশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ইএমবিএ এবং Applied Criminology and Police Management বিষয়ে MACPM ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, চীন ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি সিআইডিকে আরও গতিশীল, পেশাদার এবং জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, সিআইডির অর্জিত সুনাম ও ব্র্যান্ডিং ধরে রাখতে হলে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এককভাবে কোনো প্রধান বা ব্যবস্থাপক সফল হতে পারেন না- প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তাই প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাই প্রকৃত সহযোগিতা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বিশেষভাবে সততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শুধু আর্থিক ক্ষেত্রেই নয়, বরং প্রতিটি কাজে সর্বোচ্চ সততা বজায় রাখতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা বা অনুপস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়- যথাযথ কারণ ছাড়া দায়িত্বস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশনাও প্রদান করেন তিনি। একই সঙ্গে সদস্যদের উৎসাহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দক্ষতার ঘাটতি থাকলে তা পূরণের জন্য সিআইডিতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক টুলস বিদ্যমান। তবে এরপরও কেউ দায়িত্ব পালনে অনাগ্রহী থাকলে তার জন্য সিআইডিতে স্থান নেই বলেও তিনি সতর্ক করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কর্মদক্ষতা সন্তোষজনক না হলে সিআইডির স্বার্থে এবং বাংলাদেশ পুলিশের বৃহত্তর স্বার্থে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তিনি সিআইডিকে সাধারণ মানুষের কাছে একটি “এপেক্স ইনভেস্টিগেশন ইউনিট” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যাতে সিআইডির নাম শুনলেই জনগণের মনে আস্থা ও বিশ্বাস জন্মায়।

নবাগত সিআইডি প্রধান তার বক্তব্যে বিদায়ী সিআইডি প্রধান জনাব মো. ছিবগাত উল্লাহর কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তার নেতৃত্বে সিআইডির যে দৃশ্যমান অগ্রগতি ও ব্র্যান্ডিং অর্জিত হয়েছে, তা ভবিষ্যতেও ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বিদায়ী প্রধান বর্তমানে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সেখান থেকেও সিআইডির কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন বলে আশা করি।

বিদায়ী সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ তার বিদায়ী বক্তব্যে আবেগঘনভাবে জানান, ৩১৩ দিন সিআইডিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এই স্বল্প সময়ে একটি দক্ষ, সমন্বিত ও প্রতিশ্রুতিশীল টিম গড়ে তোলাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য। সিআইডি শুধুমাত্র একটি সংস্থা নয়, বরং এটি একটি পরিবার- যেখানে সকল সদস্য আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দলগতভাবে কাজ করে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাজারে চলছে অস্থিরতা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
বাজারে চলছে অস্থিরতা

বাজারে নিতপণ্যের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলে সরকার রেশনিং আরোপ করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামে বাড়তি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। এতে ট্রাক ভাড়া আগের তুলনায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহণ খাতেও খরচ বেড়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। যা এক মাস আগেও ১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৪০ টাকা। যা এক মাস আগে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি। আগে ছিল ৭৫০ টাকা। এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে অস্থিরতা। আরেক দফা মূল্য বাড়াতে বাজার থেকে উধাও হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। পাশাপাশি সংকট দেখিয়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা। যা এক মাস আগে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে চিনির দামও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা। যা ঈদের আগে ১০০ টাকা ছিল।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় বেড়েছে। তাই দেশের বাজারেও দাম বাড়াতে হবে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকায়। বিআর-২৮ জাতের মাঝারি দানার চাল ৬৮ টাকা, সরু চালের মধ্যে মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে দাম না বাড়লেও প্রতি কেজি সরু মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, মাঝারি দানার মসুর ডাল ১২০-১৩০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

নয়াবাজারের ব্যবসায়ী মো. আকবর বলেন, পরিবহণ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সবজি থেকে শুরু করে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জ্বালানি পরিস্থিতির জন্য পণ্যের দাম যেটুকু বাড়ার কথা তার তুলনায় বেশি দাম নেওয়ায় সাধারণ মানুষ বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

কেজিপ্রতি ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এক মাস আগে ছিল ৮০-৯০ টাকা। পটোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। যা আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম ৩ দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কম ছিল। মূলত ট্রাক ভাড়া বাড়ার কারণে সবজির দাম বেড়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুম বলেন, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মাসে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাই। মা-বাবা, স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে আমার সংসার। সেখান আমিসহ তাদের খাবার জোগাড় করতে মাসে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল ৪ হাজার, ৫ লিটার তেল ৮৫০, বাসা ভাড়া ১২ হাজার, সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগিসহ তরকারি রান্নার উপকরণ কিনতে ৮ হাজার, গ্যাস সিলিন্ডার ২০০০, সাবান-ডিটারজেন্ট ও শ্যাম্পু ৫০০, মুদি বাজার আরও ২ হাজার, বিদ্যুৎ বিল ১০০০ ও মোবাইল টকটাইমে খরচ হয় ৫০০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহণ ব্যয় বাড়ার প্রভাব সরাসরি পণ্যের দামে পড়ছে। পাশাপাশি বাজার সিন্ডিকেটের কারণে ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই বাজারে কঠোরভাবে তদারকি দরকার।

কালের আলো/এম/এএইচ

বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমি-ফাইনালে উঠেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

মঙ্গলবার রাতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে শুরুতেই আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। চতুর্থ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল এবং ২৪তম মিনিটে ফেররান তোরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা, ফলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরে। তবে ৩১তম মিনিটে আদেমোলা লুকমান গোল করে আতলেতিকোকে আবারও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন, যা শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।

পুরো ম্যাচে প্রায় ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা আক্রমণ চালালেও দুই দলই নেয় ১৫টি করে শট; লক্ষ্যে ছিল বার্সেলোনার ৮টি ও আতলেতিকোর ৫টি। বারবার সুযোগ তৈরি করেও গোল বাড়াতে পারেনি কাতালানরা, বিপরীতে গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দৃঢ়তায় টিকে থাকে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষ দিকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বার্সেলোনার জন্য। ৭৭তম মিনিটে এরিক গার্সি‌য়া লাল কার্ড দেখলে যোগ করা সময়সহ শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের। প্রথম লেগেও তারা খেলেছিল ১০ জনে।

শেষদিকে রবার্ট লেভানদোভস্কি ও রোনাল্ড আরাওহো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ২-১ ব্যবধানে জিতেও হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

অন্যদিকে প্রায় ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠেই উল্লাসে মাতে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

কালের আলো/এসএকে

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

ইউরোপে যখন অভিবাসননীতি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে তখন ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নিলো স্পেন। প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে দেশটি। অর্থনীতি, জনসংখ্যা আর বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরে এই উদ্যোগকে ন্যায়ের পদক্ষেপ বলছে স্পেন সরকার।

এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তের পর বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উদযাপনের দৃশ্য দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এ ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েছেন তারা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে স্পেন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ এবং পরিচ্ছন্ন অপরাধমুক্ত রেকর্ড দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা কাজের সুযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবেন।

সরকার বলছে, এই অভিবাসীরাই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন। জনসংখ্যার বার্ধক্য মোকাবিলা এবং শ্রমঘাটতি পূরণে তাদের বৈধতা দেওয়া জরুরি। অতীতে স্পেনের নাগরিকদের বিদেশে কাজের জন্য পাড়ি জমানোর ইতিহাসও এই সিদ্ধান্তের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

তবে দেশটির বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগ অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে এবং নতুন করে আরও মানুষের আগমন বাড়াতে পারে।

যদিও ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু মহল এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। ইউরোপজুড়ে কড়াকড়ির প্রবণতার বিপরীতে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসাআর/এএএন