খুঁজুন
                               
, ,
           

জনগণের ম্যান্ডেটকে ‘অপমান করায়’ আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
জনগণের ম্যান্ডেটকে ‘অপমান করায়’ আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

সংবিধানে ‘সংস্কার’-এর পক্ষে গণভোটের রায়কে অবজ্ঞার মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেটকে অপমান করা হয়েছে অভিযোগ করে সংসদ থেকে ওয়াকআউটসহ ফের রাজপথে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণ গণভোটে রায় দিয়েছে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে, সংশোধনের জন্য নয়। কিন্তু সরকার জনগণের সেই চূড়ান্ত রায়কে বেমালুম অগ্রাহ্য করে অপমান করেছে। এর প্রতিবাদেই আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছি।’

বিরোধী দলীয় নেতা জানান, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটের রায় অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একইসঙ্গে সংসদ সদস্য এবং ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী তাদের দুটি শপথ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সরকারি দলের সদস্যরা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

সংসদের ভেতরে বিরোধী দলের পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী গ্যাজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করার কথা থাকলেও সরকার তা করেনি। বাধ্য হয়ে আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে নোটিশ দিই।

শেষ পর্যন্ত গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আলোচনার সুযোগ দেওয়া হলে আইনমন্ত্রী জনগণের সংস্কারের দাবিকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। আমরা তখনই বলেছি, সংস্কার আর সংশোধন এক জিনিস নয়। সরকার জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে প্রতারণা করছে।’

এ সময় বিগত সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত সাড়ে ১৫ বছরে জনগণের ওপর যে ফ্যাসিবাদ চাপানো হয়েছিল, তার ছাঁদাকলে বিনা বিচারে ২৬৬৩ জন মানুষকে খুন করা হয়েছে। গুম হয়েছেন ২৫০ জনের বেশি মানুষ, যাদের খোঁজ আজও মেলেনি। আয়নাঘরের মতো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করে মানুষকে ৮-৯ বছর বন্দি রাখা হয়েছে। সেই অমানবিক ব্যবস্থা থেকে মুক্তির জন্যই জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান এবং সংবিধান সংস্কারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।’

ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়েই আমরা ওয়াকআউট করেছি। তবে আমরা সংসদ ছেড়ে দিইনি (গিভ আপ করিনি)। আমরা এখন আবার সেই জনগণের কাছেই ফিরে যাব। আমাদের ১১টি দলের জোট দ্রুতই একত্রে বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে। জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ এসাআর/এএএন 

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু

রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজকের বৈঠকে রাষ্ট্রপতির মনোনয়ন বিষয়ে আলোচনা, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, দলের সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় এবং আগামী দিনের কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।

বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মানবিক সমাজব্যবস্থা গড়লে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ সম্ভব: ডা. জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
মানবিক সমাজব্যবস্থা গড়লে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ সম্ভব: ডা. জুবাইদা রহমান

Oplus_131072

সবাই মিলে মানবিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলেই থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) আয়োজনে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে ‘রক্তদাতা সম্মাননা-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহায়তা ও প্রয়োজনীয় আশ্বাস দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই জানেন না যে এটি একটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যাধি। সঠিক ও সময়োপযোগী চিকিৎসার মাধ্যমে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারেন।

রোগটি মোকাবিলায় সারা দেশে থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য একটি নির্ভুল ডেটাবেজ (রেজিস্ট্রি) তৈরির প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, দেশজুড়ে এসব রোগীদের একটি কেন্দ্রীয় তালিকা তৈরি করা প্রয়োজন। থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধাদের শতভাগ সুস্থ করা সব সময় সম্ভব না হলেও তাঁদের ও তাঁদের পরিবারকে আন্তরিক সহমর্মিতা ও সেবার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, গর্ভকালীন পরীক্ষা কিংবা যেকোনো বয়সে স্ক্রিনিং টেস্টের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত থ্যালাসেমিয়া শনাক্তকরণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সময় তাদের এই রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জুবাইদা রহমান নিজের কন্যা জাইমা রহমানের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাইমা একজন নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতা এবং এ পর্যন্ত তিনি সাতবার রক্তদান করেছেন।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী এম এ মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। এ ছাড়া বিশেষ আমন্ত্রণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ ও রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

দুই জেলার বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের সাংগঠনিক বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
দুই জেলার বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের সাংগঠনিক বৈঠক

রাজশাহী বিভাগের দুই জেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংগঠনিক আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা শুরু হয়।

দলীয় সূত্র জানায়, তৃণমূল পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এ সভায় আলোচনা হচ্ছে। এতে জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলা বিএনপির নেতারা অংশ নেন।

সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার পাশাপাশি তৃণমূলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ