খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

চলতি বছরের শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৬ হাজার পয়েন্টে উঠতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
চলতি বছরের শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৬ হাজার পয়েন্টে উঠতে পারে

দেশের পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর আস্থা ফিরলে চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬ হাজার পয়েন্টে উঠে আসতে পারে। তবে দৈনিক গড় লেনদেন ৪০০-৬০০ কোটি টাকার মধ্যে থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট সেন্টিমেন্ট সার্ভে ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারীদের মতামতে বিষয়টি উঠে এসেছে। সম্প্রতি লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ এ সার্ভে পরিচালনা করেছে। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, পেশাজীবী, শেয়ার লেনদেনে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী, স্বতন্ত্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ছাত্রসহ অন্যান্য শ্রেণীর মানুষ মতামত দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট সেন্টিমেন্ট সার্ভে ২০২৬-এ দেশের অর্থনীতি, পুঁজিবাজার ও আর্থিক বাজারের বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীরা তাদের মতামত তুলে ধরেছেন। এতে দেশের অর্থনীতি নিয়ে একধরনের মিশ্র ও সতর্ক আশাবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতার মতে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে। রেমিট্যান্স ও রিজার্ভ নিয়ে তারা ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেছেন। ৩৯ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন, রেমিট্যান্স ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এবং ৪৭ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে।

৫৬ দশমিক ৪ শতাংশ উত্তরদাতার মতে, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা হলো অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। এছাড়া মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক অস্থিরতাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৪৪ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন ব্যাংক খাতের সংস্কার কিছুটা উন্নতি ঘটিয়েছে। যুবকদের কর্মসংস্থান এবং দুর্নীতি দমনকে ২০২৬ সালের প্রধান সংস্কারের ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উত্তরদাতাদের বড় একটি অংশ ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ আশা করছেন, ডিএসইএক্স সূচক ২০২৬ সাল শেষে ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়াবে। দৈনিক গড় লেনদেন ৪০০-৬০০ কোটি টাকার মধ্যে থাকার সম্ভাবনা বেশি। পুঁজিবাজারে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যাংক খাত সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে বলে মনে করছেন ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। এর পরেই রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত। ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা সাধারণ শেয়ার বা ইকুইটিকে সেরা সম্পদ হিসেবে মনে করছেন। এছাড়া ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা স্বর্ণে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন। রাজনৈতিক ঝুঁকি (৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ) এবং সুশাসনের অভাবকে (২৩ দশমিক ৮ শতাংশ) পুঁজিবাজারে বিদেশী বিনিয়োগ আসার পথে প্রধান বাধা হিসেবে মনে করছেন উত্তরদাতারা।

জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা ও সততা বাড়বে। ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন, বাজার কারসাজি ও জালিয়াতি হলো বর্তমান বাজারের সবচেয়ে বড় নৈতিক সমস্যা।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা (৩১ দশমিক ৭ শতাংশ) এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের (২৮ দশমিক ৭ শতাংশ) ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন উত্তরদাতারা। প্রায় ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ইটিএফ, গ্রিন বন্ড ও রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্টের মতো নতুন পণ্য বাজারে আসা অত্যন্ত জরুরি।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে