খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্যই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্যই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি

জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও জনগণের ত্যাগের প্রতিফলন ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে একটি পক্ষ ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি বলেন, যে যুক্তিতে জুলাই সনদ বা অন্তর্বর্তী সরকারের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেই একই যুক্তি শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লব, বর্তমান সরকার এবং এই সংসদকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা।

প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, “কাচের ঘরে বসে যদি আপনারা ঢিল ছোড়েন, যেই যুক্তি দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আইনটাকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলছেন, সেই একই যুক্তি দিয়ে জুলাই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। সেই একই যুক্তি দিয়ে এই সংসদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। এই সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। সর্বোপরি জুলাই বিপ্লবটাকে অস্বীকার করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। যেভাবে আপনারা চাচ্ছেন সেভাবে জুলাই সনদকে আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। আপনাদের এখতিয়ার নিয়ে আরও বেশি প্রশ্ন করা হবে। সংস্কার পরিষদ অবিলম্বে গঠন করে এর মাধ্যমে সংবিধানকে সংস্কার করে আসুন সকলে মিলে আমরা এই দেশকে জুলাই পরবর্তী যে ত্যাগ এবং তিতিক্ষা জনগণের রয়েছে, যেই স্বপ্ন রয়েছে তার আলোকে নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি।”

সেমিনারে মোমেন বলেন, “কিছু আইনি প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কিন্তু এই আইনি প্রশ্নের সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা কিংবা উত্তর দেওয়া হচ্ছে না। জুলাই সনদ এবং এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে উল্লেখ করে আমি সংসদে বলেছিলাম– রাষ্ট্রপতির আদেশ আইন কি না? আমরা বলেছি, অনেকেই বলেছেন এটা অবশ্যই আইন। সংবিধানকে যদি মানেন তাহলে এটাকে আপনারা আইন হিসেবে মানতে বাধ্য।”

রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জনগণ জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে সংস্কারের প্রশ্নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ম্যান্ডেট দেওয়ার মাধ্যমে এই এখতিয়ার দিয়েছিল। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা হয়েছে এই এখতিয়ার মাত্র আদালতের। এই আইনকে যদি বেআইনি ঘোষণা করা না হয়, তার মানে এই আইন মানতে সরকার বাধ্য ছিল। রাষ্ট্রপতি বাধ্য ছিলেন।”

সংবিধান প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মোমেন বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনারা কি সংবিধান সংশোধনকে যথেষ্ট মনে করেন নাকি এর জন্য সংস্কার প্রয়োজন? এক্ষেত্রে সংশোধন এবং সংস্কারের বিষয়ে একটি ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ চাইলেও টু-থার্ড মেজরিটি থাকলেও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিবর্তন আনতে পারেন না। অষ্টম সংশোধনীর মামলার রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বিকেন্দ্রীকরণকে অসাংবিধানিক বলেছিল। এজন্য শুধু সংশোধন করলে হবে না, সংবিধানের সংস্কার করতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বলা হচ্ছে আবেগ দিয়ে দেশ চলে না। আমি বলেছিলাম জনগণের আবেগটা হলো সংবিধানের ভাব। সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণের অভিপ্রায়ই প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। আপনাদের কমিটমেন্ট কোথায়? ফ্যাসিবাদী কায়দায় আবার আপনারা কেন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন? জনগণ এটা জানতে চায়।”

সেমিনারে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন– সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এবং জাকসু জিএস মাজহারুল ইসলাম।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

Oplus_131072

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা বাতিলসংক্রান্ত জরুরি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কাতার সরকার। এখন থেকে কাতারে যেসব প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করা হবে, তাদের বাতিলের তারিখ থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় তাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজের।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ আয়োজিত নিরাপদ ভ্রমণবিষয়ক এক ওয়েবিনারে বিমানবন্দর পাসপোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আলি আহমেদ আলি আল কুয়ারি প্রবাসীদের জন্য এই নতুন নির্দেশনা ও নিয়মের কথা জানান। তিনি বলেন, রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের পর প্রবাসীদের কাতার ছাড়ার জন্য আগে যে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হতো, নতুন নিয়মে তা কমিয়ে দুই সপ্তাহ বা ১৪ দিন করা হয়েছে।

আল কুয়ারি প্রবাসীদের সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রবাসী নতুন নির্ধারিত ১৪ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করে কাতারে অবস্থান করলে, তাকে অতিরিক্ত প্রতি দিনের জন্য ১০ কাতারি রিয়াল হারে জরিমানা গুনতে হবে।

একই ওয়েবিনারে কাতার প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের পাসপোর্টে সংযুক্ত ভিসা স্ট্যাম্পে উল্লিখিত ভিসার বৈধতা এবং অবস্থানের মেয়াদ সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়। আল কুয়ারি বলেন, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি কেউ কাতারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল হারে ভারী জরিমানা দিতে হবে।

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর যেকোনো ধরনের ভ্রমণের আগে ‘মেতরাশ’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিজেদের আইনি অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরা কাতার ছাড়ার আগে তাদের কোনো বকেয়া ট্রাফিক জরিমানা, অতিরিক্ত অবস্থানের জরিমানা কিংবা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা সহজেই পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

এ ছাড়া যেসব প্রবাসী তাদের নতুন পাসপোর্টে রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা স্থানান্তর করতে চান, তারাও কোনো সরকারি দপ্তরে না গিয়ে এই মেতরাশ অ্যাপের মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্র

Oplus_131072

স্বাস্থ্যখাতে স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা অথৈ সাগরের ভেতরে সাঁতার কাটছি। তবুও আল্লাহর রহমতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার ডাক্তার নেব। আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসক নতুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন যোগদান করেনি। দুইজন কনসালটেন্ট দেওয়া হয়েছে। আরও যা লাগবে, আমরা আমরা দেব।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে যে ডেপুটেশন ছিল এগুলো আমরা বাতিল করছি। এখানেও একজন নারী ডাক্তার দুই মাস ধরে আসেন না। খবর পেয়েছি তিনি অন্য জায়গায় প্র্যাকটিস করেন। তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে তিনি এখানে যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিছু কিছু কাজ আমরা করছি। ১৭ বছরের জঞ্জাল তো একবারে শেষ করতে পারবো না।

মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা আসলে একটা টিম। ডাক্তার, নার্স, আয়াসহ অন্যান্য যারা রয়েছে, আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। আমাদের সমন্বিতভাবে দেশটাকে গড়তে হবে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি। এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি। আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। বিনা চিকিৎসায় কাউকে মরতে দিতে চাই না। এই জিনিসগুলো বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে মানুষ যাতে সত্যিকারের সেবা পায়, সেজন্য আমরা সবাইকে মোটিভেট করছি। আর ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের জন্য আমরা ডিসিকে বলেছি।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এরপর বলেন, আমাদের আসার উদ্দেশ্য হাসপাতালের নতুন ভবনটি দেখা, এটা খুব শিগগিরই উদ্বোধন করবো। এটাতে কি কি ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতি লাগবে, এগুলো দেখলাম। হাসপাতালের সুপেয় পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আরও আধুনিক করতে হবে, যাতে পানি স্মুথলি চলে যেতে পারে, কোথাও যাতে পানি না জমে। হাসপাতালে একটা ফ্রিজার দিতে হবে। এই বাকি কাজগুলো আমাদের করতে হবে। এগুলো শেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটির ২৫০ শয্যা উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, এই হাসপাতালে সার্ভিসের ব্যবস্থা দেখলাম। কর্মচারীরা বেতন ঠিক মতো পায় কিনা, তাদের উপস্থিতি ঠিক আছে কিনা, ডাক্তাররা নিয়মিত আসেন কিনা, নতুন পদায়নকৃত ডাক্তাররা ঠিকমতো কাজ করছেন কিনা— বিভিন্ন সাইড আমরা দেখলাম। আমি এই হাসপাতালে বড় ধরনের কোনো নোটেবল ত্রুটি পাইনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা চালুসহ ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছি। আমরা এ বিষয়ে মিটিং করেছি, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেকটি জেলায় প্রত্যেকটি হাসপাতালে এমনকি উপজেলা পর্যন্ত গরিব মানুষ যাতে কম টাকায় কিডনি ডায়ালাইসিস করতে পারে, এজন্য আমরা মেশিন ক্রয় করছি। গরিব মানুষ কিডনি ডায়ালাইসিস যাতে কম টাকায় করতে পারে, এজন্য আমরা এবার বাজেটেও কিডনি ডায়ালাইসিসের টাকা কমিয়ে দিয়েছি। গত সপ্তাহেও ১০টি হাসপাতালে আমরা আইসিইউ দিয়েছি।

এর আগে, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ওয়ার্ডের টয়লেট ও রান্নাঘর দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন রোগীদের কাছে খোঁজখবর নেন। এছাড়া, হাসপাতালের নতুন ভবন তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে কর্মরত ডাক্তারদের হাজিরা খাতা চেক করেন। পরে বাইরে এসে হাসপাতালে মাস্টাররোলে নিয়োজিত কর্মচারীদের হাজিরা খাতা নিয়ে তারা উপস্থিতি আছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দালালমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ সময় জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

জয়ের আনন্দে যা বললেন আর্জেন্টিনার ‘লয়্যাল ফ্যান’ প্রভা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
জয়ের আনন্দে যা বললেন আর্জেন্টিনার ‘লয়্যাল ফ্যান’ প্রভা

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। কিংবদন্তি লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিক গোলের উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা আছড়ে পড়েছে এই বদ্বীপেও। কারণ এ দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের অধিকাংশের প্রিয় ফুটবলার তিনি। তেমনই এক ভক্ত সাদিয়া জাহান প্রভা। শোবিজের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রীরও প্রিয় দল আর্জেন্টিনা।

দুদিন আগেই প্রভা জানিয়েছেন, তিনি দুই দশকের বেশি সময় ধরে দলটির সমর্থনে আছেন। দলটির পতাকার সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘দুই দশক ধরে সমর্থন দিয়ে যাওয়া এক বিশ্বস্ত (লয়্যাল) ভক্ত।’

এদিকে আজকের ম্যাচে আলজেরিয়ার সঙ্গে অনিন্দ্য জয়ের পর অন্য অনেকের মতো নিজের উচ্ছ্বাসও আড়াল করতে পারলেন না প্রভা। আর্জেন্টিনার জার্সি পরে দিয়েছেন একটি ভিডিও। সেখানে মজার ছলে জানিয়ছেন প্রতিক্রিয়া। ভিডিওর শুরুতে প্রভা তার অনুসারীদের সালাম দেন, জিজ্ঞেস করেন, সবাই কেমন আছে।

এরপর নিজের জার্সির দিকে এক পলক তাকালেন। মিষ্টি হেসে খোঁচা দিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়লেন, ‘কি রাগ করলা?’

বোঝার বাকি নেই, প্রভার এই খোঁচা সেসব মানুষের প্রতি, যারা আর্জেন্টিনার সমর্থক নয়। ভিডিওটি আপলোডের পর থেকেই বিপুল সাড়া পাচ্ছে। মাত্র দুই ঘণ্টায় এর ভিউ ছাড়িয়েছে দুই লাখ ৬৬ হাজার। রিঅ্যাকশনের সংখ্যা ১৪ হাজারের বেশি।

প্রসঙ্গত, আর্জেন্টিনার জয়ে শোবিজের আরো অনেক তারকাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এ তালিকায় রয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী, পরীমনি, কেয়া পায়েল, নাদিয়া আহমেদ, এফএস নাঈমসহ অনেকে। এমনকি ব্রাজিল ভক্ত তারকাদের মধ্যেও অনেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেসি ও তার সতীর্থদের।

কালের আলো/এম/এএইচ