খুঁজুন
                               
, ,
           

ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্যই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্যই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি

জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও জনগণের ত্যাগের প্রতিফলন ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে একটি পক্ষ ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি বলেন, যে যুক্তিতে জুলাই সনদ বা অন্তর্বর্তী সরকারের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেই একই যুক্তি শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লব, বর্তমান সরকার এবং এই সংসদকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা।

প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, “কাচের ঘরে বসে যদি আপনারা ঢিল ছোড়েন, যেই যুক্তি দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আইনটাকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলছেন, সেই একই যুক্তি দিয়ে জুলাই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। সেই একই যুক্তি দিয়ে এই সংসদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। এই সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। সর্বোপরি জুলাই বিপ্লবটাকে অস্বীকার করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। যেভাবে আপনারা চাচ্ছেন সেভাবে জুলাই সনদকে আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। আপনাদের এখতিয়ার নিয়ে আরও বেশি প্রশ্ন করা হবে। সংস্কার পরিষদ অবিলম্বে গঠন করে এর মাধ্যমে সংবিধানকে সংস্কার করে আসুন সকলে মিলে আমরা এই দেশকে জুলাই পরবর্তী যে ত্যাগ এবং তিতিক্ষা জনগণের রয়েছে, যেই স্বপ্ন রয়েছে তার আলোকে নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি।”

সেমিনারে মোমেন বলেন, “কিছু আইনি প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কিন্তু এই আইনি প্রশ্নের সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা কিংবা উত্তর দেওয়া হচ্ছে না। জুলাই সনদ এবং এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে উল্লেখ করে আমি সংসদে বলেছিলাম– রাষ্ট্রপতির আদেশ আইন কি না? আমরা বলেছি, অনেকেই বলেছেন এটা অবশ্যই আইন। সংবিধানকে যদি মানেন তাহলে এটাকে আপনারা আইন হিসেবে মানতে বাধ্য।”

রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জনগণ জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে সংস্কারের প্রশ্নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ম্যান্ডেট দেওয়ার মাধ্যমে এই এখতিয়ার দিয়েছিল। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা হয়েছে এই এখতিয়ার মাত্র আদালতের। এই আইনকে যদি বেআইনি ঘোষণা করা না হয়, তার মানে এই আইন মানতে সরকার বাধ্য ছিল। রাষ্ট্রপতি বাধ্য ছিলেন।”

সংবিধান প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মোমেন বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনারা কি সংবিধান সংশোধনকে যথেষ্ট মনে করেন নাকি এর জন্য সংস্কার প্রয়োজন? এক্ষেত্রে সংশোধন এবং সংস্কারের বিষয়ে একটি ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ চাইলেও টু-থার্ড মেজরিটি থাকলেও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিবর্তন আনতে পারেন না। অষ্টম সংশোধনীর মামলার রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বিকেন্দ্রীকরণকে অসাংবিধানিক বলেছিল। এজন্য শুধু সংশোধন করলে হবে না, সংবিধানের সংস্কার করতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বলা হচ্ছে আবেগ দিয়ে দেশ চলে না। আমি বলেছিলাম জনগণের আবেগটা হলো সংবিধানের ভাব। সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণের অভিপ্রায়ই প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। আপনাদের কমিটমেন্ট কোথায়? ফ্যাসিবাদী কায়দায় আবার আপনারা কেন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন? জনগণ এটা জানতে চায়।”

সেমিনারে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন– সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এবং জাকসু জিএস মাজহারুল ইসলাম।

কালের আলো/এসএকে

ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ভোলা জেলা শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি দেশের ৬৪ জেলা থেকে ৬ হাজার ৪০০ প্রশিক্ষণার্থীসহ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক, জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত হন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অষ্টম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০ জন এবং ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ব্যাচে ১ হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য তরুণদের কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা। প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের বিষয়েও নজর দেওয়া হবে।

ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে কাজ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও মেন্টরিংয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সার এবং এআই প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচের ছয়জন প্রশিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এছাড়া বরিশাল বিভাগের কয়েকজন সর্বোচ্চ ডলার আয়কারী ফ্রিল্যান্সারকে ল্যাপটপ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নিজ দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
নিজ দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতি হিসেবে আরও এক মেয়াদে থাকার প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা খেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নিজের দেশ সুইজারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএফভি) তাঁর পুনর্নির্বাচনের প্রার্থিতায় দেওয়া সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অথচ চলতি বছরের জুনেই ইনফান্তিনোর প্রার্থিতার পক্ষে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়েছিল সুইস ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কেন সমর্থন প্রত্যাহার করল সুইস ফুটবল

গত ২৫ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় এসএফভির কেন্দ্রীয় কমিটি। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, গত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসএফভির মতে, ফিফার নেতৃত্ব, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু মৌলিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) উদ্যোগের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা এখনো মেলেনি।

বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক

ইনফান্তিনোর প্রার্থিতা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন ফুটবল সংস্থার অবস্থান বদলের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জুলাইয়ে ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার পরিকল্পনা সামনে আসার পর ব্যাপক সমালোচনা হয়।

প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা ছিল। সমালোচনার মুখে পরে উদ্যোগটি স্থগিত করা হয়।

‘গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি’

এসএফভির সভাপতি পিটার ক্নাবেল বলেন, ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজের পটভূমি, দায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। তিনি জানান, এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন অব্যাহত রাখার অবস্থানে নেই সুইস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

ইউরোপে বদলাচ্ছে সমর্থনের চিত্র

সুইজারল্যান্ডের সিদ্ধান্তটি এসেছে ইউরোপের আরও কয়েকটি ফুটবল সংস্থা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্বিবেচনা করার পর। ইংল্যান্ড, ওয়েলস, ফ্রান্স ও সার্বিয়াসহ কয়েকটি দেশের ফুটবল সংস্থা তাঁর প্রার্থিতা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাও নির্বাচনের আগে একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামনে আনার কথা জানিয়েছে।

২০২৭ সালের মার্চে নির্বাচন

২০১৬ সাল থেকে ফিফা সভাপতির দায়িত্বে থাকা ইনফান্তিনো আগামী মেয়াদেও দায়িত্বে থাকার জন্য প্রার্থী হয়েছেন। ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর।

নিজ দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থন প্রত্যাহারের ঘটনা তাই নির্বাচনের আগে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতা ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে সমর্থন প্রত্যাহার করলেও তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হয়নি; নির্বাচন ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়মেই এগোবে।

কালের আলো/জেএন

নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীতে সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে নিজের নানাবাড়িতে যাওয়ার স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বহু বছর পর নানাবাড়ি আসলাম। খুব সম্ভবত ১৯৮৪ সালে এসেছিলাম। এরপর ১৯৯১ সালে এসেছিলাম।’

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, একই সঙ্গে নানাবাড়ির জন্যও কাজ করতে হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর মানুষকে বন্যার হাত থেকে রক্ষায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প এবং নদী খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে তিনি নদীটি খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতেই এখন কাজ শুরু করা হচ্ছে।

ফেনীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এসব দল কয়েকটি আসনে জয়ী হয়ে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করছে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম ফেনী সফর। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে বাসে করে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর ২টার দিকে পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি