খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না, সরকারকে সাদিক কায়েম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না, সরকারকে সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেছেন, প্রতিশ্রুতি ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া থেকে বিএনপি সরকার সরে যাচ্ছে। গণভোটে জনগণের স্পষ্ট সমর্থন থাকা সত্ত্বেও সংবিধান সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো এখন দ্বিচারিতার আশ্রয় নিচ্ছে। দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাদিক কায়েম এসব বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিপীড়ন, গুম-খুন, অবাধ নির্বাচনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই আন্দোলনে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ডাকসু ভিপি বলেন, ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে একাধিক কমিশন গঠন করা হয় এবং পরে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা হয়। এই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে গণভোট আয়োজন করা হয়, যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে মত দেয়। এটি জনগণের স্পষ্ট ম্যান্ডেট হলেও বর্তমানে সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে অনীহা দেখা যাচ্ছে।

সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, যেসব রাজনৈতিক দল ঐকমত্য কমিশনে অংশ নিয়ে সংবিধান সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলেছিল, তারা এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। একদিকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে বাস্তবে তা অস্বীকার করা হচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

এই ছাত্রনেতা বলেন, সাধারণ মানুষ, এমনকি গ্রামের কৃষকরাও গণভোটের বিষয়বস্তু বুঝেছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের একাংশ এখন সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে।

বিএনপি জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে বা বাস্তবতা আড়াল করে এই প্রক্রিয়া থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, অহংকার ও দ্বিচারিতার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না এবং জনগণ শেষ পর্যন্ত তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে, তারা রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামার প্রস্তুতি রয়েছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হবে।

কালের আলো /এসাআর /এএএন 

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

Oplus_131072

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা বাতিলসংক্রান্ত জরুরি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কাতার সরকার। এখন থেকে কাতারে যেসব প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করা হবে, তাদের বাতিলের তারিখ থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় তাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজের।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ আয়োজিত নিরাপদ ভ্রমণবিষয়ক এক ওয়েবিনারে বিমানবন্দর পাসপোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আলি আহমেদ আলি আল কুয়ারি প্রবাসীদের জন্য এই নতুন নির্দেশনা ও নিয়মের কথা জানান। তিনি বলেন, রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের পর প্রবাসীদের কাতার ছাড়ার জন্য আগে যে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হতো, নতুন নিয়মে তা কমিয়ে দুই সপ্তাহ বা ১৪ দিন করা হয়েছে।

আল কুয়ারি প্রবাসীদের সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রবাসী নতুন নির্ধারিত ১৪ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করে কাতারে অবস্থান করলে, তাকে অতিরিক্ত প্রতি দিনের জন্য ১০ কাতারি রিয়াল হারে জরিমানা গুনতে হবে।

একই ওয়েবিনারে কাতার প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের পাসপোর্টে সংযুক্ত ভিসা স্ট্যাম্পে উল্লিখিত ভিসার বৈধতা এবং অবস্থানের মেয়াদ সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়। আল কুয়ারি বলেন, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি কেউ কাতারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল হারে ভারী জরিমানা দিতে হবে।

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর যেকোনো ধরনের ভ্রমণের আগে ‘মেতরাশ’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিজেদের আইনি অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরা কাতার ছাড়ার আগে তাদের কোনো বকেয়া ট্রাফিক জরিমানা, অতিরিক্ত অবস্থানের জরিমানা কিংবা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা সহজেই পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

এ ছাড়া যেসব প্রবাসী তাদের নতুন পাসপোর্টে রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা স্থানান্তর করতে চান, তারাও কোনো সরকারি দপ্তরে না গিয়ে এই মেতরাশ অ্যাপের মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্র

Oplus_131072

স্বাস্থ্যখাতে স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা অথৈ সাগরের ভেতরে সাঁতার কাটছি। তবুও আল্লাহর রহমতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার ডাক্তার নেব। আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসক নতুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন যোগদান করেনি। দুইজন কনসালটেন্ট দেওয়া হয়েছে। আরও যা লাগবে, আমরা আমরা দেব।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে যে ডেপুটেশন ছিল এগুলো আমরা বাতিল করছি। এখানেও একজন নারী ডাক্তার দুই মাস ধরে আসেন না। খবর পেয়েছি তিনি অন্য জায়গায় প্র্যাকটিস করেন। তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে তিনি এখানে যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিছু কিছু কাজ আমরা করছি। ১৭ বছরের জঞ্জাল তো একবারে শেষ করতে পারবো না।

মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা আসলে একটা টিম। ডাক্তার, নার্স, আয়াসহ অন্যান্য যারা রয়েছে, আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। আমাদের সমন্বিতভাবে দেশটাকে গড়তে হবে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি। এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি। আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। বিনা চিকিৎসায় কাউকে মরতে দিতে চাই না। এই জিনিসগুলো বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে মানুষ যাতে সত্যিকারের সেবা পায়, সেজন্য আমরা সবাইকে মোটিভেট করছি। আর ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের জন্য আমরা ডিসিকে বলেছি।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এরপর বলেন, আমাদের আসার উদ্দেশ্য হাসপাতালের নতুন ভবনটি দেখা, এটা খুব শিগগিরই উদ্বোধন করবো। এটাতে কি কি ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতি লাগবে, এগুলো দেখলাম। হাসপাতালের সুপেয় পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আরও আধুনিক করতে হবে, যাতে পানি স্মুথলি চলে যেতে পারে, কোথাও যাতে পানি না জমে। হাসপাতালে একটা ফ্রিজার দিতে হবে। এই বাকি কাজগুলো আমাদের করতে হবে। এগুলো শেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটির ২৫০ শয্যা উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, এই হাসপাতালে সার্ভিসের ব্যবস্থা দেখলাম। কর্মচারীরা বেতন ঠিক মতো পায় কিনা, তাদের উপস্থিতি ঠিক আছে কিনা, ডাক্তাররা নিয়মিত আসেন কিনা, নতুন পদায়নকৃত ডাক্তাররা ঠিকমতো কাজ করছেন কিনা— বিভিন্ন সাইড আমরা দেখলাম। আমি এই হাসপাতালে বড় ধরনের কোনো নোটেবল ত্রুটি পাইনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা চালুসহ ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছি। আমরা এ বিষয়ে মিটিং করেছি, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেকটি জেলায় প্রত্যেকটি হাসপাতালে এমনকি উপজেলা পর্যন্ত গরিব মানুষ যাতে কম টাকায় কিডনি ডায়ালাইসিস করতে পারে, এজন্য আমরা মেশিন ক্রয় করছি। গরিব মানুষ কিডনি ডায়ালাইসিস যাতে কম টাকায় করতে পারে, এজন্য আমরা এবার বাজেটেও কিডনি ডায়ালাইসিসের টাকা কমিয়ে দিয়েছি। গত সপ্তাহেও ১০টি হাসপাতালে আমরা আইসিইউ দিয়েছি।

এর আগে, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ওয়ার্ডের টয়লেট ও রান্নাঘর দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন রোগীদের কাছে খোঁজখবর নেন। এছাড়া, হাসপাতালের নতুন ভবন তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে কর্মরত ডাক্তারদের হাজিরা খাতা চেক করেন। পরে বাইরে এসে হাসপাতালে মাস্টাররোলে নিয়োজিত কর্মচারীদের হাজিরা খাতা নিয়ে তারা উপস্থিতি আছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দালালমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ সময় জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

জয়ের আনন্দে যা বললেন আর্জেন্টিনার ‘লয়্যাল ফ্যান’ প্রভা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
জয়ের আনন্দে যা বললেন আর্জেন্টিনার ‘লয়্যাল ফ্যান’ প্রভা

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। কিংবদন্তি লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিক গোলের উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা আছড়ে পড়েছে এই বদ্বীপেও। কারণ এ দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের অধিকাংশের প্রিয় ফুটবলার তিনি। তেমনই এক ভক্ত সাদিয়া জাহান প্রভা। শোবিজের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রীরও প্রিয় দল আর্জেন্টিনা।

দুদিন আগেই প্রভা জানিয়েছেন, তিনি দুই দশকের বেশি সময় ধরে দলটির সমর্থনে আছেন। দলটির পতাকার সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘দুই দশক ধরে সমর্থন দিয়ে যাওয়া এক বিশ্বস্ত (লয়্যাল) ভক্ত।’

এদিকে আজকের ম্যাচে আলজেরিয়ার সঙ্গে অনিন্দ্য জয়ের পর অন্য অনেকের মতো নিজের উচ্ছ্বাসও আড়াল করতে পারলেন না প্রভা। আর্জেন্টিনার জার্সি পরে দিয়েছেন একটি ভিডিও। সেখানে মজার ছলে জানিয়ছেন প্রতিক্রিয়া। ভিডিওর শুরুতে প্রভা তার অনুসারীদের সালাম দেন, জিজ্ঞেস করেন, সবাই কেমন আছে।

এরপর নিজের জার্সির দিকে এক পলক তাকালেন। মিষ্টি হেসে খোঁচা দিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়লেন, ‘কি রাগ করলা?’

বোঝার বাকি নেই, প্রভার এই খোঁচা সেসব মানুষের প্রতি, যারা আর্জেন্টিনার সমর্থক নয়। ভিডিওটি আপলোডের পর থেকেই বিপুল সাড়া পাচ্ছে। মাত্র দুই ঘণ্টায় এর ভিউ ছাড়িয়েছে দুই লাখ ৬৬ হাজার। রিঅ্যাকশনের সংখ্যা ১৪ হাজারের বেশি।

প্রসঙ্গত, আর্জেন্টিনার জয়ে শোবিজের আরো অনেক তারকাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এ তালিকায় রয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী, পরীমনি, কেয়া পায়েল, নাদিয়া আহমেদ, এফএস নাঈমসহ অনেকে। এমনকি ব্রাজিল ভক্ত তারকাদের মধ্যেও অনেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেসি ও তার সতীর্থদের।

কালের আলো/এম/এএইচ