খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজনীতিতে ফিরতে চাওয়া আ.লীগের জন্য বড় ‘দুঃসংবাদ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
রাজনীতিতে ফিরতে চাওয়া আ.লীগের জন্য বড় ‘দুঃসংবাদ’

প্রায় ২০ মাস ধরে দেশের রাজনীতিতে অনেকটা অনুপস্থিত আওয়ামী লীগ। টানা সাড়ে ১৫ ক্ষমতায় থাকা দলটি চব্বিশের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আর সেভাবে রাজনীতিতে ফিরতে পারেনি। দলটির সিংহভাগ নেতা বিদেশে কিংবা কারাগারে রয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পর কার্যত আওয়ামী লীগ কোথাও নেই। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দলটি রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারে বলে একটা ধারণা ছিল অনেকের। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও আশা করছিলেন রাজনৈতিক সরকার তাদের ফিরে আসার সুযোগ করে দেবে।

তবে দলটির জন্য বড় দুঃসংবাদ- অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে’ আইনে রূপান্তর করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধানও যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ আরও বেশি চাপে পড়বে। ফলে দলটির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও জটিল হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সেদিন গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে ৩০ দিন তথা ১২ এপ্রিলের পর তা কার্যকারিতা হারাবে।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ পরির্বতন ছাড়াই আইনে পরিণত করতে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করেছে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। এর অন্যতম হলো– ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে ।

অধ্যাদেশে বলা হয়নি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন সভা-সমাবেশ করলে কী শাস্তি হবে। ফলে এতদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার শাস্তির বিধান ছিল না। এবার বিএনপি সরকার সেখানে শাস্তির বিধান যুক্ত করতে যাচ্ছে। তবে শাস্তির পরিমাণ কী হবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য আইনের ১৬ ধারায় যেসব সাজার বিধান রয়েছে, সেগুলোই প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ থাইল্যান্ডে চলে গেছেন-এমন খবরে গত বছরের মে মাসের শুরুতে জুলাই আন্দোলনকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। ৯ মে রাতে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার কাছে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল এনসিপির নেতাকর্মীরা। পরে এতে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল যোগ দেয়।

১১ মে রাতে যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের জন্য জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে। একই দিনে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।

তবে ওই আন্দোলনে ছিল না বিএনপি। দলটি শুরু থেকেই বলে আসছে, নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে তারা নন। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পর বিএনপি তা মেনে নিয়েছিল এবং জানিয়েছিল তারা অখুশি নয়। তবে এবার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের সেই অধ্যাদেশ বহাল রাখার পাশাপাশি এতে নতুন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করার উদ্যোগ নিলো।

এদিকে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে অনেকটা ছন্নছাড়া অবস্থায় দিন যাপন করছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। মামলা-হামলা ও জেল-জুলুমের ভয়ে কোণঠাসা এক সময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী দলটির নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন সময় রাজনীতিতে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েও আওয়ামী লীগ তেমন সুবিধা করতে পারেনি। এমনকি বিভিন্ন কর্মসূচি দিলেও রাজপথে তাদের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। এই অবস্থায় গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। তবে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও কার্যত আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশের ভোট বিএনপির বাক্সে যায়। মূলত জামায়াত-এনসিপিকে ঠেকাতে বিএনপিকে মন্দের ভালো হিসেবে গ্রহণ করে আওয়ামী লীগ। দলটির কোনো কোনো নেতার কথায় সেটা প্রকাশ পায়।

আওয়ামী লীগের ধারণা ছিল, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হলেও বিএনপি তাদেরকে রাজনীতিতে স্পেস দেবে। অন্তর্বর্তী সরকারের তুলনায় বিএনপিকে তারা নিরাপদও মনে করছে। বিএনপির বিরোধী বলয় আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগও তুলেছে দলটির ওপর। তবে বিএনপি শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে ছাড় না দিয়ে উল্টো তাদের রাজনীতিতে ফেরার পথ আরও কঠিন করে দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

কালের আলো/ এসাআর /এএএন 

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কারখানার সকল শ্রমিকের জন্য ১ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড’ কারখানায় এ ঘটনাটি ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা শ্রমিকরা ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এ আক্রান্ত হয়েছেন।

শ্রমিকদের দাবি, একটি ফ্লোরে হঠাৎই একে একে শ্রমিকরা বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন। অনেকেই মেঝেতে পড়ে যান। ঘটনার পর কারখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শাহানাজ বেগম  নামে এক শ্রমিক জানান, কিছুদিন আগে একই ফ্লোরে লিজা বেগম নামে এক শ্রমিক মারা যান। এবারও ওই ফ্লোরে অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ শ্রমিক সুমি আক্তার বলেন, কাজ করার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরতে শুরু করে।

এরপর পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা দেয়। পরে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অসুস্থ শ্রমিকদের মাওনা চৌরাস্তার বিভিন্ন প্রাইভেট  হাসপাতাল গুলোতে  চিকিৎসা  দেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়  ৮০ থেকে ৯০ জন শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অনেকেই বাসায় চলে গেছেন।

তবে আরও অসুস্থ শ্রমিক আসছেন। গুরুতর অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন- মোমেনা (২৮), মিনু (২৬), সনিয়া (২১), কাকলি (৩০), মারুফা (৩০), রায়তুন নাহার (২৭) ও মামুন (৩২)।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম  বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রথমে কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরও অনেকে অসুস্থ হন। এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইঞা বলেন, ঘটনার পরপরই অসুস্থ শ্রমিকদের দেখতে হাসপাতালে যাই। অসুস্থ শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরে এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য দেয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

জাতীয় নির্বাচনের পর এই প্রথম আগামী ১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তিনি গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি বিভাগীয় শহর বরিশালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

তিনি বলেন, ১৩ জুলাই সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা দেবেন তারেক রহমান। গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি বরিশাল নগরে আসবেন। বরিশালে এসে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বেলসপার্ক, লেক কিংবা গ্র্যান্ড পার্কের আশপাশে এ কর্মসূচি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, দুপুরের পর বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বরিশাল নগর, জেলা দক্ষিণ ও উত্তর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, গৌরনদীতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের পর বিকেলে কর্মিসভায় জেলা ও মহানগর কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তারেক রহমান। বৃষ্টির জন্য ইনডোরে শিল্পকলায় সভাটি করা হচ্ছে। এ ছাড়া তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ এবং আলেম-ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথাও রয়েছে।

বরিশালবাসীর প্রত্যাশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরিশালে ৬ লেন সড়ক, রেল লাইন, বরিশাল ভোলা সেতু, গ্যাস সরবরাহ, ইপিজেড— এসব দাবির কথা প্রধানমন্ত্রী জানেন। এরপরও বরিশালের জনগণের এসব প্রত্যাশার কথা সুযোগ অনুযায়ী তুলে ধরা হবে।

কালের আলো/এসএকে

ভারী বৃষ্টিতে রেললাইন তলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ভারী বৃষ্টিতে রেললাইন তলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের ষোলশহর সুন্নিয়া মাদরাসা এলাকায় রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় ৮১৬ নম্বর পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে প্রবল বৃষ্টির পর রেললাইনের ওপর পানি উঠে গেলে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে দেয়।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, পানি নেমে যাওয়ার পর প্রকৌশল বিভাগ রেললাইন পরিদর্শন করবে। ট্র্যাক নিরাপদ ঘোষণা করা হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত ঢাকা ও কক্সবাজারগামী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এদিকে ট্রেনটি দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই ট্রেনের ভেতরে অপেক্ষা করছেন বলে জানান যাত্রীরা।

পাহাড়তলী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁঞা বলেন, রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ট্র্যাক নিরাপদ ঘোষণা করা হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি