খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাজনীতিতে ফিরতে চাওয়া আ.লীগের জন্য বড় ‘দুঃসংবাদ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
রাজনীতিতে ফিরতে চাওয়া আ.লীগের জন্য বড় ‘দুঃসংবাদ’

প্রায় ২০ মাস ধরে দেশের রাজনীতিতে অনেকটা অনুপস্থিত আওয়ামী লীগ। টানা সাড়ে ১৫ ক্ষমতায় থাকা দলটি চব্বিশের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আর সেভাবে রাজনীতিতে ফিরতে পারেনি। দলটির সিংহভাগ নেতা বিদেশে কিংবা কারাগারে রয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পর কার্যত আওয়ামী লীগ কোথাও নেই। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দলটি রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারে বলে একটা ধারণা ছিল অনেকের। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও আশা করছিলেন রাজনৈতিক সরকার তাদের ফিরে আসার সুযোগ করে দেবে।

তবে দলটির জন্য বড় দুঃসংবাদ- অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে’ আইনে রূপান্তর করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধানও যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ আরও বেশি চাপে পড়বে। ফলে দলটির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও জটিল হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সেদিন গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে ৩০ দিন তথা ১২ এপ্রিলের পর তা কার্যকারিতা হারাবে।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ পরির্বতন ছাড়াই আইনে পরিণত করতে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করেছে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। এর অন্যতম হলো– ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে ।

অধ্যাদেশে বলা হয়নি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন সভা-সমাবেশ করলে কী শাস্তি হবে। ফলে এতদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার শাস্তির বিধান ছিল না। এবার বিএনপি সরকার সেখানে শাস্তির বিধান যুক্ত করতে যাচ্ছে। তবে শাস্তির পরিমাণ কী হবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য আইনের ১৬ ধারায় যেসব সাজার বিধান রয়েছে, সেগুলোই প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ থাইল্যান্ডে চলে গেছেন-এমন খবরে গত বছরের মে মাসের শুরুতে জুলাই আন্দোলনকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। ৯ মে রাতে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার কাছে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল এনসিপির নেতাকর্মীরা। পরে এতে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল যোগ দেয়।

১১ মে রাতে যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের জন্য জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে। একই দিনে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।

তবে ওই আন্দোলনে ছিল না বিএনপি। দলটি শুরু থেকেই বলে আসছে, নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে তারা নন। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পর বিএনপি তা মেনে নিয়েছিল এবং জানিয়েছিল তারা অখুশি নয়। তবে এবার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের সেই অধ্যাদেশ বহাল রাখার পাশাপাশি এতে নতুন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করার উদ্যোগ নিলো।

এদিকে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে অনেকটা ছন্নছাড়া অবস্থায় দিন যাপন করছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। মামলা-হামলা ও জেল-জুলুমের ভয়ে কোণঠাসা এক সময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী দলটির নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন সময় রাজনীতিতে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েও আওয়ামী লীগ তেমন সুবিধা করতে পারেনি। এমনকি বিভিন্ন কর্মসূচি দিলেও রাজপথে তাদের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। এই অবস্থায় গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। তবে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও কার্যত আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশের ভোট বিএনপির বাক্সে যায়। মূলত জামায়াত-এনসিপিকে ঠেকাতে বিএনপিকে মন্দের ভালো হিসেবে গ্রহণ করে আওয়ামী লীগ। দলটির কোনো কোনো নেতার কথায় সেটা প্রকাশ পায়।

আওয়ামী লীগের ধারণা ছিল, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হলেও বিএনপি তাদেরকে রাজনীতিতে স্পেস দেবে। অন্তর্বর্তী সরকারের তুলনায় বিএনপিকে তারা নিরাপদও মনে করছে। বিএনপির বিরোধী বলয় আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগও তুলেছে দলটির ওপর। তবে বিএনপি শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে ছাড় না দিয়ে উল্টো তাদের রাজনীতিতে ফেরার পথ আরও কঠিন করে দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

কালের আলো/ এসাআর /এএএন 

বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৬’-এর জন্য শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের সন্ধান করছে সরকার। এই লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশি নারীদের মধ্য থেকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছে

বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর দেশব্যাপী ‘বেগম রোকেয়া দিবস’ উদযাপন এবং এ পদক প্রদান করা হয়ে থাকে।

এবারও নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ, পল্লী উন্নয়ন এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন বাংলাদেশি নারীকে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান করবেন।

বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘বেগম রোকেয়া পদক (সংশোধিত) নীতিমালা-২০২৫’ মোতাবেক পদক প্রাপ্তির ক্ষেত্র উল্লেখ করে সফট কপিসহ হার্ড কপি (ই-মেইল: sas_s4@moedu.gov.bd) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সমন্বয় শাখায় পাঠাতে হবে।

আগ্রহীরা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mowca.gov.bd) অথবা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dwa.gov.bd) থেকে আবেদনপত্র ও নির্দিষ্ট ছক ডাউনলোড করে পূরণ করতে পারবেন। নির্ধারিত ছক ব্যতিত অন্য কোনো ফরমে আবেদন বা মনোনয়ন গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নারী শিক্ষা, নারী অধিকার রক্ষা ও সমাজসেবাসহ নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর পাঁচজন নারীকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই মর্যাদাপূর্ণ পদক প্রদান করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল : মজিবুর রহমান মঞ্জু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল : মজিবুর রহমান মঞ্জু

পুশ-ইনের মাধ্যমে ভারত সরকার কূটনৈতিক সৌজন্য, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার চরম লঙ্ঘন করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

তিনি বলেন, পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা উদ্যোগ না নেয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও কাঁটাতারের রাজনীতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এবি পার্টির পক্ষ থেকে ‍’সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও কাঁটাতারের রাজনীতি’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, কোন রাষ্ট্রীয় বাহিনী তার অভিবাসী নাগরিককে অন‍্যদেশের মানুষ বলে জোরপূর্বক সীমান্তের শূন‍্য রেখায় দিনের পর দিন খোলা আকাশের নীচে বসিয়ে রেখে, নির্যাতন করে ঠেলে পার্শ্ববর্তী দেশে ঢুকানোর মতো অমানবিক নিষ্ঠুর আচরণ পৃথিবীর কোথাও আছে বলে আমাদের জানা নাই।

এর আগে মিয়ানমারের জান্তা সরকার তাদের নাগরিকদের উপর নৃশংস গণহত্যা চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিয়েছে। কয়েকযুগ হতে যাচ্ছে বিশ লক্ষাধিক শরণার্থীর হৃদয় বিদারক জীবন চেয়ে চেয়ে দেখছে বিশ্ববাসী। তাদের পুনর্বাসনের কোনো উদ্যোগ নেই।

মঞ্জু বলেন, ভারত সরকার বলেছিল নির্বাচিত সরকার আসলে তারা আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করবে, কিন্তু তাদের সহযোগিতার এই নৃশংস নমুনা অতীতের মতই আমাদের দেখতে হচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ভারতের কাঁটাতারের রাজনীতি, সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের মতো শত্রুসূলভ কার্যক্রম তুলে ধরার জন‍্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সুস্থ ও টেকসই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে ভারতকে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইনের নীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, তবে তা হতে হবে সম্মান, মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে।

ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশ বদলে গেছে। আওয়ামী আমলের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আর চলতে পারে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নতুন বাস্তবতায় স্বাধীন ও কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি গত পাঁচ দশকে সীমান্তে নিহত হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিকের হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একই সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আধুনিকায়ন, সীমান্তবর্তী জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক ও নাগরিক প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে সর্বদলীয় জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান।

ফুয়াদ আরও বলেন, গত ৫৬ বছরে সীমান্তে নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করতে হবে। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করে বিএসএফের অবৈধ ও অমানবিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরারও দাবি জানান তিনি।

সংসদে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে ১৪৭ বিধির আওতায় আলোচনা স্থগিত করাকে তিনি দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ

সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, প্রবাসী নেতা নুরুন্নবী নয়ন, যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ, বরিশালের নেতা জাকির হোসেন ও ইমরান সরদার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন‌।

ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর তবে একই সাথে সরকার জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকেও সুরক্ষা দিতে চায়। এজন্য একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি ড্রাফট কমিটি গঠন করা হবে যারা একটি ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান এর উপর ভিত্তি করেই গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ