খুঁজুন
                               
, ,
           

হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৮ জনের নামে পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৮ জনের নামে পরোয়ানা

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন— চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ।

পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন— সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে। তারা সবাই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

এ মামলায় তিনটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় আনা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে শহীদ করার দায় আনা হয়। এছাড়া জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার কথা উল্লেখ করা হয় তিন নম্বর অভিযোগে। এই তিনটিতেই আসামিদের বিরুদ্ধে গুলি করে হত্যা, নির্দেশ, উসকানি ও সহায়তার অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

এর আগে, ৫ এপ্রিল ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

কালের আলো/এসএকে

জামদানির সাজে পূর্ণিমার স্নিগ্ধ উপস্থিতি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
জামদানির সাজে পূর্ণিমার স্নিগ্ধ উপস্থিতি

ঢাকাই সিনেমার নন্দিত অভিনেত্রী পূর্ণিমা। বিশেষ করে রোমান্টিক সিনেমার নায়িকা হিসেবে একসময় তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘ভালোবাসার লাল গোলাপ’সহ বেশ কিছু সিনেমায় তার অভিনয় এখনো দর্শকের মনে জায়গা করে আছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি পূর্ণিমার সৌন্দর্য ও রুচিশীল ফ্যাশন সেন্সও বরাবরই ভক্তদের নজর কেড়েছে। শাড়িতে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া কিংবা আধুনিক পোশাকে—যেভাবেই হাজির হন, তার উপস্থিতিতে থাকে আলাদা আকর্ষণ। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

ছবি<< সংগৃহীত

জামদানিতে বাঙালি সাজ

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়িতে। মাথার খোপায় ফুলের মালা, সঙ্গে স্নিগ্ধ সাজ—সব মিলিয়ে বাঙালি নারীর চিরচেনা রূপেই ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ছবি<< সংগৃহীত

জামদানি শাড়ির নান্দনিক নকশার সঙ্গে খোপায় ফুলের মালা যোগ করেছে আলাদা সৌন্দর্য। অতিরিক্ত চাকচিক্যের বদলে ঐতিহ্য ও সরলতাকেই সাজের মূল উপজীব্য করেছেন পূর্ণিমা।

‘কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য’

ছবিগুলোর সঙ্গে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘জামদানির আবহ আর কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য…’

ছবি<< সংগৃহীত

তার এই ছোট্ট ক্যাপশনেই যেন ধরা পড়েছে জামদানি নিয়ে তার অনুভূতি। বাঙালি ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক এই শাড়ির সৌন্দর্য যে সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয় না, নিজের সাজের মধ্য দিয়েই যেন সেই বার্তা দিয়েছেন তিনি। পূর্ণিমার প্রকাশ করা ছবিগুলো প্রকাশের পর ভক্তদের মধ্যেও বেশ সাড়া পড়ে। অনেকেই তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও সাদামাটা অথচ আভিজাত্যপূর্ণ সাজের প্রশংসা করেছেন।

ছবি<< সংগৃহীত

ঐতিহ্যেই মুগ্ধতা

পূর্ণিমার এবারের সাজে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে স্বাভাবিকতার ছোঁয়া। আধুনিক ফ্যাশনের নানা আয়োজনের মাঝেও ঐতিহ্যবাহী জামদানি ও খোপায় ফুলের মালা তাকে দিয়েছে এক ধরনের মায়াবী আবহ।

ছবি<< সংগৃহীত

বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজের সৌন্দর্যকে মিলিয়ে পূর্ণিমার এই উপস্থিতি যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—ফ্যাশনের ধরন বদলালেও জামদানির আবেদন কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।

কালের আলো/এসএ

তৃতীয় কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
তৃতীয় কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের পতন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ২০ পয়েন্ট

মঙ্গলবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে অন্য দুই সূচকও নিম্নমুখী ছিল।

শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সূচকের পতনের দিনে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ অবশ্য বেড়েছে। এদিন শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট মিলিয়ে মোট ৫৬৪ কোটি ১৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৫৩৭ কোটি ১১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৭ কোটি টাকা।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর কমেছে

মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৭৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ২৭০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর কমেছে। অপরিবর্তিত ছিল ৪১টির দর।

এদিন লেনদেনের শীর্ষে ছিল প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, সায়হাম টেক্সটাইল, এনভয় টেক্সটাইল, এপেক্স ফুডস, মালেক স্পিনিং, সোনালী লাইফ, ইভেন্সি টেক্সটাইল, সার্প ইন্ডাস্ট্রি, সেনা ইন্স্যুরেন্স ও একমি লিমিটেড।

সিএসইতেও সূচকের পতন

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মঙ্গলবার সূচকের পতন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬২ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন সিএসইতে হাতবদল হওয়া ১৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৭টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ১১০টির দর কমেছে এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকেও সিএসইতে কিছুটা মন্দাভাব ছিল। মঙ্গলবার সেখানে শেয়ার ও ইউনিট মিলিয়ে ১৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন কমেছে প্রায় ১ কোটি টাকা।

সব মিলিয়ে মঙ্গলবার দেশের দুই পুঁজিবাজারেই সূচক ছিল নিম্নমুখী। ডিএসইতে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমায় বাজারে বিক্রির চাপই তুলনামূলক বেশি ছিল।

তথ্যসূত্র: ডিএসই ও সিএসই

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

মোহনীয় সাজে ‘তন্দ্রাবিলাসে’ শরৎ খুঁজলেন পরীমনি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
মোহনীয় সাজে ‘তন্দ্রাবিলাসে’ শরৎ খুঁজলেন পরীমনি

শরতের শুভ্র কাশফুল আর নীল আকাশের টানে এই সময়ে অনেকেই ছুটে যান কাশবনে। তবে সেই সুযোগ হয়নি ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির। তাতে অবশ্য মন খারাপ করেননি তিনি। বরং নীল শাড়িতে নিজেকে সাজিয়ে, প্রিয় বই হাতে ঘরের মাঝেই যেন শরতের আবহ খুঁজে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেন পরীমনি। সেসব ছবিতে নীল রঙের শাড়িতে মোহনীয় সাজে ধরা দিয়েছেন তিনি।

নীল শাড়িতে মুগ্ধতা

ছবিগুলোতে দেখা যায়, পরীমনির পরনে নজরকাড়া নীল শাড়ি। চুল পরিপাটি করে খোঁপা করা। মুখজুড়ে মৃদু হাসি। সব মিলিয়ে বেশ শান্ত ও নান্দনিক এক আবহে দেখা গেছে তাকে।

তবে সাজের পাশাপাশি নজর কেড়েছে তার হাতে থাকা বইটি। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘তন্দ্রাবিলাস’ বইটি কখনো বুকে জড়িয়ে ধরেছেন পরীমনি, আবার কখনো বইয়ের পাতা উল্টাতে উল্টাতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন।

তার নীল শাড়ি, স্নিগ্ধ হাসি ও হাতে বই—সব মিলিয়ে ছবিগুলোতে তৈরি হয়েছে এক ভিন্নধর্মী সৌন্দর্যের আবহ।

‘উপায় হলো এই তন্দ্রাবিলাস’

ছবিগুলোর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনেও শরৎ আর কাশবনের আক্ষেপ ফুটিয়ে তুলেছেন পরীমনি। ছন্দময় ভঙ্গিতে তিনি লিখেছেন, ‘না হলো যাওয়া আর কাশবনে, না হলো দেখা শরতের আকাশ। উপায় হলো এই তন্দ্রাবিলাস।’

অর্থাৎ কাশবনে গিয়ে শরতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে না পারলেও হুমায়ূন আহমেদের ‘তন্দ্রাবিলাস’-এর পাতায় ডুব দিয়েই যেন সেই অপূর্ণতা পূরণ করেছেন অভিনেত্রী।

ভক্তদের প্রশংসা

পরীমনির নতুন ছবিগুলো প্রকাশের পরই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রশংসা। নীল শাড়িতে তার সাজ, মৃদু হাসি এবং বই হাতে শান্ত অভিব্যক্তি নজর কেড়েছে অনুরাগীদের।

কাজের ব্যস্ততার মাঝেও এমন নান্দনিকভাবে নিজেকে মেলে ধরার জন্য অভিনেত্রীর প্রশংসা করছেন অনেকেই। বিশেষ করে নীল শাড়িতে পরীমনির এই স্নিগ্ধ উপস্থিতি সামাজিক মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।

কালের আলো/জেএন