খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই বিজয় দাবি, আসলে জিতলো কে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই বিজয় দাবি, আসলে জিতলো কে?

এক মাসেরও অধিক সময় পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। উভয় পক্ষই এখন দাবি করছে, যুদ্ধে তাদের বিজয় হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমাতে মূলত ইরানই যুদ্ধবিরতির এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন করেছে।

এই চুক্তি নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সম্মতিতে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই যুদ্ধবিরতিকে তারা ‘ইরানের বিজয়’ হিসেবে দেখছে।

পরিষদ জোর দিয়ে উল্লেখ করেছে যে, এটি যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তি নয়, বরং স্থায়ী সমাধানের দিকে একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ মাত্র।

পুরো প্রক্রিয়াটি সফল হয়েছে পাকিস্তানের সক্রিয় মধ্যস্থতায়। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই অস্থায়ী বোঝাপড়া গড়ে উঠেছে। ইরানের বিবৃতিতে পাকিস্তানের এই ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে।

চুক্তি অনুসারে, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে ইসলামাবাদে। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থেকে এই বৈঠক শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা সেখানে মুখোমুখি বসে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় খুঁজবেন।

অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত বিজয় হয়েছে।

মঙ্গলবার ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানানোর পর এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

এএফপিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, এটা আমাদের সম্পূর্ণ এবং সর্বাত্মক বিজয়… একদম শতভাগ। এ ব্যাপারে আর কোনো প্রশ্ন নেই।

এর আগে মার্চের মাঝামাঝি পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানকে ১৫ পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইরান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে পরে তিনি সেটির একটি সংশোধিত সংস্করণ পাঠান। সেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির উল্লেখ ছিল।

ইরান সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার দুই সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির পক্ষে মত দেয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও তা মেনে নেন।

তবে এর আগের দিনগুলোতে ইরানকে ব্যাপক হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না আসে— তাহলে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সেতুসহ সব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তিনি।

নতুন এই ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি যদি ব্যর্থ হয় এবং ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না আসে— সেক্ষেত্রে ট্রাম্প তার হুমকি কার্যকর করবেন কি-না— এএফপির এমন এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। চীন এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে।

অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের দুই সপ্তাহের বিরতিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের জয়’ বলল হোয়াইট হাউসও।

সামাজিক মাধ্যমে এক্সে (আগের টুইটার) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট লিখেছেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বিজয়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী সম্ভব করেছেন।’

তিনি আরো লিখেছেন, আমাদের সামরিক বাহিনীর সফলতা সর্বোচ্চ কূটনৈতিক সুবিধা তৈরি করেছে, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং দলের ‘কঠোর আলোচনার’ মাধ্যমে এখন কূটনৈতিক সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পথ খুলেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আচমকা হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের যৌথ হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়।

দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালায়। তারপর থেকে টানা যুদ্ধ চলছে।

আগামী ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া শান্তি আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরান যে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, তার বিস্তারিত সামনে এসেছে।

এই প্রস্তাবগুলোতে ইরান কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি জানিয়েছে।

এ যুদ্ধবিরতির ফলে কারা বিজয়ী হয়েছে- তা নিয়ে ধন্দে আছে গোটা বিশ্ববাসী, তবে এটা নি:সন্দেহে বলা যায়- এতে মানবতার বিজয় হয়েছে।

কালের আলো/এসাআর/ এএএন 

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ