খুঁজুন
                               
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২
           

তিনদিন অনলাইন ও তিনদিন অফলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
তিনদিন অনলাইন ও তিনদিন অফলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রীর
মহানগরে মাধ্যমিক স্তরের কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য তিনদিন অনলাইন ও বাকি তিনদিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে। অন্যদিকে, শনিবার, সোমবার ও বুধবার শিক্ষার্থীরা স্কুলে উপস্থিত হয়ে অফলাইন ক্লাসে অংশ নেবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, শনিবার স্কুলে ক্লাস হবে, এদিন ট্রাফিক কম। রোববার অনলাইনে ক্লাস করতে চাই, শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস করবেন। সোমবার স্কুলে আনতে চাই। মঙ্গলবার স্কুলে আসব না, অনলাইনে ক্লাস। বুধবার আনতে চাই। বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস। শুক্রবার অনলাইনে ক্লাস করালে বাবা-মায়েদের সমস্যা হবে। আমরা পাইলট হিসেবে চালু করব। কিন্তু শিক্ষকদের স্কুলে এসে ক্লাসে অংশ নিতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা তিন দিন অনলাইনে ও তিন দিন স্কুলে এনে ক্লাস করব। আমরা কাউকে ফোর্স করছি না, বৃহৎ স্কুলগুলো, ভালো স্কুলগুলোকে ব্লেন্ডিং এডুকেশনে যাওয়ার জন্য আমরা এই কাজগুলো হাতে নিয়েছি। স্কুলগুলোকে প্রিভিলেজ দিচ্ছি যে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কিনতে। আর ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে বসে কথা বলব।

অনলাইন ক্লাস কি সারা দেশে শুরু হবে– জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মহানগরে যেখানে যানজট হয়। মহানগর বলতে বরিশালের বা ময়মনসিংহের কথা বলিনি। আমাদের শহরের রিনাউন স্কুলগুলো, যেটাতে গাড়ি নিয়ে আসে যায়, যানজট তৈরি করে। আমরা সারা বাংলাদেশ না, সারা মেট্রোপলিটন না। আমরা যদি প্রস্তুতি নিতে পারি, তাহলে সারা দেশে যাব। হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। আমরা ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নেব।

নতুন এই পদ্ধতিতে কবে থেকে ক্লাস শুরু হবে– জানতে চাইলে এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে এই পদ্ধতিতে ক্লাস হবে।

কোন কোন স্কুলে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস হবে, তার কোনো তালিকা করা হয়েছে কি না– জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, শুনুন, এটা করোনা না যে আমরা জোর করে শুরু করব। এটা ব্লেন্ডিং এডুকেশন। যারা অ্যাফোর্ড করতে পারবে, যাদের অনেক বাচ্চা গাড়িতে করে আসে তারা করবে। আমি কাউকে জোর করে করতে বলিনি।

শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক বলেন, ঢাকা শহরের কিছু নির্দিষ্ট স্কুল, মহানগরীর কিছু নামকরা স্কুলে, যেখানে বাচ্চারা গাড়িতে করে যায়। সেসব স্কুলে অনলাইনে ক্লাস চালু করা হবে।

পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোডের নাজিরাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রোজিনা আক্তার শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার স্কুলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তৃণমূল পর্যায়ের। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সবজি বিক্রেতার সন্তানেরা পড়ে, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর বাসায় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল– প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন পাব কি না? সেক্ষেত্রে আমি কী করতে যাব?

এসব শ্রেণির স্কুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, না। আপনাকে আমরা ইনক্লুড করিনি। আমরা বলছি নামিদামি স্কুলগুলো, যেখানে ৯০ শতাংশের বেশি গাড়ি নিয়ে আসে, সেই স্কুলগুলোর জন্য। আপনাকে আমরা এ ব্যাপারে ইনসিস্ট করছি না। যেগুলো ভালো স্কুল, সেগুলো আস্তে আস্তে শুরু করুক। তালিকাগুলো আমরা দেব।

অন্য স্কুলগুলো সপ্তাহে ৫ দিন না ৬ দিন স্কুল করবে– এমন প্রশ্নে এহছানুল হক মিলন বলেন, তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা তাদের মতো করে ক্লাস করবে। অর্থাৎ আগের মতো পাঁচদিন ক্লাস করবে বলে জানান মন্ত্রী।

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর আগামী জুলাই থেকে ও লেভেল, এ লেভেল পরীক্ষা, তারা অনলাইনে যেতে চাইছে না– এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য কী সিদ্ধান্ত– জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেগুলো আরেকটি বিষয়। পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে তাদের মতামত নেওয়া হয়। এসময় প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইন ক্লাস চালুর জন্য প্রস্তুতি নিতে সময় চান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যা পায়নি, আলোচনায় তা চেয়েছে : ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যা পায়নি, আলোচনায় তা চেয়েছে : ইরান

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিদের বৈঠক। কোনো শান্তি বা সমঝোতা চুক্তি ছড়াই ফিরে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকের ব্যর্থতা নিয়ে ইরানের প্রতিনিধি দল এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো সংবাদ সম্মেলন করেনি। তবে ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদামাধ্যম ফার্স নিউজ জানিয়েছে—হরমুজ প্রণালি, পরমাণু প্রকল্পসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মত পার্থক্যের কারণেই ব্যর্থ হয়েছে বৈঠক।

হরমুজ প্রণালি, ইরানের শান্তিপূর্ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাকাঙ্ক্ষী শর্ত এ বৈঠকের ব্যর্থতার প্রধান কারন। যুদ্ধে তারা যা যা অর্জন করতে পারেনি, আলোচনার মাধ্যমে সেসব তারা দখল করতে চেয়েছিল, ফার্স নিউজকে বলেছে ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্র।

উল্লেখ্য,ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

সংলাপ ও কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের জন্য গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১১ এপ্রিল সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা, যা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে।

সূত্র : আলজাজিরা

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ
শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার কথা জানানোর পরপরই পাকিস্তান ত্যাগ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এয়ার ফোর্স টু বিমানে করে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন ভ্যান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বিমানটি উড্ডয়নের আগে তিনি সিঁড়ির উপর থেকে হাত নাড়েন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় ‘ইসলামাবাদ আলোচনা’ শুরু হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। এর পরেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান ত্যাগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, আমরা ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাও করেছি, এটাই ভালো খবর। তবে ‘খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ যোগ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ‘সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই এসেছিল’ উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় মনোভাব এবং ‘সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই’ আলোচনায় এসেছিল, কিন্তু দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক।

সূত্র : বিবিসি, ডন

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সমঝোতা ছাড়াই ‘ভেস্তে গেল’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
সমঝোতা ছাড়াই ‘ভেস্তে গেল’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

শান্তি আলোচনায় ইরানের নেতৃত্ব দেন স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে প্রায় ২১ ঘণ্টাব্যাপী দীর্ঘ আলোচনার পরও ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা কার্যত ভেস্তে গেছে। আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স জানান, আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল এখন পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। সূত্র: বিবিসি ও ডনের।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা শুরু করে ইরান। একই সঙ্গে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ করে দেয় তেহরান। এতে প্রায় সারা বিশ্বে জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা শুরু হয়। এতে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হয়।

এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এরপর ইরানও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর ধারাবাহিকতায় যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত করতে গতকাল ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে দুই পক্ষ। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি হোটেলে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি এ আলোচনা শুরু হয়।

আলোচনায় লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলা, হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি, ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় দেওয়ার প্রসঙ্গসহ নানা বিষয় উঠে আসে। দীর্ঘ প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, দুই পক্ষের দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে মার্কিন প্রতিনিধি দল এখন পাকিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা করছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বন্ধ করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘সরল সত্য হলো, আমাদের এমন একটি স্পষ্ট অঙ্গীকার দেখতে হবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো উপায়ও অনুসরণ করবে না, যার মাধ্যমে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা সম্ভব।’

এটিকে ট্রাম্পের ‘মূল লক্ষ্য’ হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘ধ্বংস করা হয়েছে’, তবে ভবিষ্যতে তারা যেন পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরি করে এ বিষয়ে ‘সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ প্রয়োজন। কিন্তু এ ধরনের অঙ্গীকার আমরা এখনো দেখিনি। তবে আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে দেখব।’

যুক্তরাষ্ট্র ‘সদিচ্ছা নিয়েই’ আলোচনায় এসেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় নমনীয়তা ও ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে অংশ নিয়েছিল। আমরা একটি খুবই স্পষ্ট প্রস্তাব নিয়ে এখানে এসেছিলাম, এটিই আমাদের চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব। এখন দেখা যাক, ইরান এটি গ্রহণ করে কি না।’

কালের আলো/এসাআর/এএএন