খুঁজুন
                               
, ,
           

সারাদেশে বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
সারাদেশে বৃষ্টির আভাস

সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আগামী পাঁচদিন পর সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির-এর দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (০২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

কালের আলো/এসএকে

১৭ বছরের অসুস্থতার পর মারা গেলেন মিশরীয় অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
১৭ বছরের অসুস্থতার পর মারা গেলেন মিশরীয় অভিনেতা

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্নায়ুতন্ত্রের জটিল রোগ মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের (এমএস) সঙ্গে লড়াইয়ের পর মারা গেলেন মিশরের অভিনেতা আমর মোহাম্মদ আলী। সোমবার (১৭ আগস্ট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫০ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।

অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন মিশরের অভিনেতা সিন্ডিকেটের প্রধান আশরাফ জাকি।

১৯৮০-এর দশকে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে পা রাখেন আমর মোহাম্মদ আলী। জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘আরাবেস্ক’-এ ‘শাকশাক’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান তিনি। তাঁর অভিনয় তখন ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

২০০৬ সালে প্রচারিত টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘হাদায়েক আল শায়তান’-এ অভিনয়ের পর আর পর্দায় দেখা যায়নি তাঁকে। এর পেছনে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায় তাঁর দীর্ঘদিনের অসুস্থতা।

মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস এমন একটি রোগ, যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে স্নায়ুর প্রতিরক্ষামূলক আবরণে আক্রমণ করে। এর ফলে ধীরে ধীরে চলাফেরা, ভারসাম্য ও দৃষ্টিশক্তিসহ শরীরের বিভিন্ন স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

আমর মোহাম্মদ আলীর ক্ষেত্রেও রোগটি ক্রমেই গুরুতর আকার ধারণ করে। অসুস্থতার কারণে একসময় অভিনয়জগৎ থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যেতে বাধ্য হন তিনি।

তাঁর ভাই আহমেদ জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগের কয়েক দিনে অভিনেতার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে তিনি নিজে দাঁড়াতে পারতেন না। এমনকি কথা বলা ও খাওয়াদাওয়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

দীর্ঘদিন পর্দার বাইরে থাকার পর সুস্থ হয়ে আবার অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছা ছিল আমর মোহাম্মদ আলীর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছরের অসুস্থতার কাছে হার মানলেন তিনি।

শিশুশিল্পী থেকে জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা হয়ে ওঠা আমর মোহাম্মদ আলীর অভিনয়জীবন দীর্ঘ না হলেও ‘আরাবেস্ক’-এর ‘শাকশাক’ চরিত্রের মাধ্যমে মিশরের দর্শকদের মনে তিনি আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন।

কালের আলো/এসএ

উপজেলাতেই মিলবে উন্নত চোখের চিকিৎসা, থাকবে অপারেশন থিয়েটার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
উপজেলাতেই মিলবে উন্নত চোখের চিকিৎসা, থাকবে অপারেশন থিয়েটার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি উপজেলায় নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে চোখের চিকিৎসার জন্য আলাদা আউটডোর, ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটার সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

একইসঙ্গে দেশে প্রায় ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’ -এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ চলছে। প্রায় ৫০০টি উপজেলায় চোখের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে তৃণমূলের মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে না হয়।

তৃণমূলের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে ‘প্রাইমারি আই কেয়ার’ বা প্রাথমিক চক্ষু সেবা একটি আবশ্যক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো সমন্বয় করে খুব দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও রিফ্রাকশন সেবা জোরদার করা হবে।

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এনআইওএইচ-এর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে। একইসঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের চক্ষু সেবার সাফল্য তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত জানান, বিগত ছয় মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চক্ষু সেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের তৎপরতায় বাংলাদেশ একটি গ্লোবাল সামিট আয়োজনের বড় প্রতিশ্রুতিও অর্জন করেছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে একটি যুগান্তকারী ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ.এস.এম.এম. কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পে-স্কেলের অনিশ্চয়তায় ভাইরাল ৮০’র দশকের গান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
পে-স্কেলের অনিশ্চয়তায় ভাইরাল ৮০’র দশকের গান

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে আশির দশকের জনপ্রিয় গান ‘তুমি আমার জীবন’। রুনা লায়লা ও এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া গানটির ‘কেউ জানে না’ অংশটি বর্তমান পে-স্কেল পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে মজার ছলে শেয়ার করছেন নেটিজেনরা।

‘অবুঝ হৃদয়’ সিনেমায় ব্যবহৃত গানটিতে জাফর ইকবাল ও ববিতা অভিনয় করেছিলেন। পুরোনো গানটির মাত্র ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ ঘিরেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আলোচনা।

পে-স্কেল কবে ঘোষণা হবে, কবে বাস্তবায়ন হবে- এ নিয়ে নানা সময়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য সময়সীমার খবর প্রকাশ হলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে ‘কবে হবে, কেউ জানে না’- এই অনিশ্চয়তার সঙ্গে গানের কথার মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।

এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, পে-স্কেল নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন খবর এলেও চূড়ান্ত খবর কবে আসবে, সেটিই কেউ জানে না। আরেকজনের মন্তব্য, চলমান অনিশ্চয়তার সঙ্গে গানের কথাগুলো যেন একেবারেই মিলে গেছে।

এদিকে ইউটিউবে গানটির ভিউ ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ ছাড়িয়েছে। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের লেখা এবং মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘অবুঝ হৃদয়’ সিনেমার এই জনপ্রিয় গানটি কয়েক দশক পর ভিন্ন এক বাস্তবতায় এসে আবারও আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে।

কালের আলো/এসএ