খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ম্যাজিস্ট্রেটের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
ম্যাজিস্ট্রেটের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন

ঢাকায় সংঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের মন্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন। গত ৬ এপ্রিল দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্যের সরকারি গাড়ি পার্কিংকে ঘিরে দেওয়া মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি।

সংগঠনটির সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ডাবলু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের ‘পুলিশের উপর জনগণের আস্থা নাই’ ধরনের মন্তব্য শুধু সংশ্লিষ্ট সদস্য নয়, পুরো পুলিশ বাহিনীর পেশাগত মর্যাদা ও আত্মসম্মানে আঘাত করেছে। এতে মাঠপর্যায়ের সদস্যদের মনোবলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

সংগঠনটি বলছে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, টহল কার্যক্রম পরিচালনা এবং জরুরি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনেক সময় পুলিশ সদস্যদের রাস্তায় গাড়ি রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হয়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় না এনে প্রকাশ্যে পুরো বাহিনী সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা দায়িত্বশীল পদে থাকা একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন জানায়, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থা একে অপরের পরিপূরক। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও পেশাগত শিষ্টাচার বজায় রাখা জরুরি। কোনো বিচ্যুতি ঘটলে তা প্রাতিষ্ঠানিক বা আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান করাই শ্রেয়, প্রকাশ্যে নেতিবাচক মন্তব্য পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি বাড়ায়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪-পরবর্তী সময়ে পুলিশ বাহিনী নতুন করে নিজেদের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে। এমন সময়ে বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ন হয়, এ ধরনের বক্তব্য জননিরাপত্তা রক্ষার ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করতে পারে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভবিষ্যতে আরও সংযত ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিফার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় বিটিভি এবার প্রায় বিনা খরচে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করতে পারবে। মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ফিফা থেকে স্বত্ব কিনে নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমদিকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করেছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাবে সম্মত না হয়ে সরাসরি ফিফার সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়।’

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং এর সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে সম্পৃক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং নীতিমালার আলোকে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২৫ টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রচার স্বত্ব বাবদ অর্থের প্রায় পুরোটাই টেলিযোগাযোগ কোম্পানি, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাছে বিজ্ঞাপন ও সম্প্রচার অধিকার বিক্রির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বিটিভির নিজস্ব আর্থিক দায় থাকবে না।’

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনকল্যাণমুখী সেবায় নিয়োজিত রাখা। এ উদ্যোগ তারই একটি উদাহরণ।’

তিনি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘সকল জটিলতা কাটিয়ে দেশের কোটি কোটি দর্শক এবার বিটিভির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের খেলা উপভোগ করতে পারবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে একনেকে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- নতুন ৫টি, সংশোধিত ৩টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধির ২টি প্রকল্প। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

জানা গেছে, অনুমোদিত ১০ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে কক্সবাজারের ঈদমনি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রকল্পটির মাধ্যমে আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা হবে।

এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেয়া হয়েছে ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অনুমোদন পেয়েছে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো—‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন।

এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক বিভাগের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই তথ্য জানান।

এ সময় মন্ত্রী সংসদে আরও জানান, দেশের ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে বড় পরিসরে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংসদে ডাক বিভাগের সেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে সরকারি ডাক সেবার গতি বৃদ্ধি এবং কার্যক্রম সম্প্রসারণের আওতায় বর্তমানে ভূমির ডকুমেন্টস হোম ডেলিভারি, পাসপোর্ট বাল্ক ডেলিভারি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হোম ডেলিভারি কার্যক্রম সফলভাবে চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ই-কমার্স পণ্যের ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবা চালুর বিষয়টিও এখন প্রক্রিয়াধীন আছে।

এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক কার্যক্রমের আওতায় ভিডিও মামলা ও ট্রাফিক নোটিশ সংশ্লিষ্ট প্রাপকের ঠিকানায় ডাকযোগে সফলভাবে পাঠানো হচ্ছে।

ডিজিটাল সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ডিএমএস বা ডমিস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে এখন পণ্যের অনলাইন ভিত্তিক রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং ও ট্রেসিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে সবচেয়ে কম মূল্যে চিঠি ও পার্সেল বিলি এবং ইএমএস বা এক্সপ্রেস মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে সাশ্রয়ী মাশুলে পার্সেল প্রেরণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন ফল উৎপাদনকারী অঞ্চল থেকে সবচেয়ে কম খরচে, নিরাপদে ও দ্রুততম সময়ে মৌসুমি ফল পরিবহনের কাজও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে করা হচ্ছে। চলমান এই পরিকল্পনাগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ডাক বিভাগের সেবা দেশের মানুষের জন্য আরো বেশি কার্যকরী ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে।

এদিকে একই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মহিলা আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশের মোবাইল গ্রাহকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে সক্রিয় ও বৈধ মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা ৪টি।

কোম্পানিগুলো হলো- যথাক্রমে সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বেসরকারি তিন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

মন্ত্রী সংসদে নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে এই ৪টি মোবাইল কোম্পানির অধীনে দেশজুড়ে মোট বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮২ লক্ষে।

কালের আলো/এসএকে