খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দেশের চলমান পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাব দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশনে সরকারি দলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করছি। কমিটির লক্ষ্য হবে, দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বর্তমান সমস্যা সমাধানে কার্যকর পরামর্শ তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নে সরকারকে সহায়তা করা বলে জানান তিনি।

গতকালের অধিবেশনে দেশের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার দেওয়া বক্তব্যের সূত্র ধরে আজ এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমরা সবাই একমত যে এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এর প্রভাব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা গতকাল উনার বক্তব্যে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা যৌক্তিক। তারা প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের স্বার্থে এই আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারি দলের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে পাঁচজন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সদস্যরা হলেন– কমিটির সভাপতি করা হয়েছে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল মোহাম্মদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এবি মাশরাফউদ্দিন নিজান, সংসদ সদস্য (লক্ষ্মীপুর-৪), মইনুল ইসলাম শান্ত, সংসদ সদস্য (মানিকগঞ্জ-২) এবং মিয়া নুরুদ্দিন অপু, সংসদ সদস্য (শরীয়তপুর-৩)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি দলের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন বিরোধীদলীয় নেতা যদি তাদের পক্ষ থেকে আরও পাঁচজনের নাম দ্রুত প্রদান করেন, তবে মোট ১০ সদস্যের এই কমিটি অতিসত্বর কাজ শুরু করতে পারবে। এই ১০ জন আলোচনার মাধ্যমে যে পরামর্শ দেবেন, তার মধ্যে বাস্তবতা থাকলে সরকার অবশ্যই তা কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। দেশের মানুষের স্বার্থে যে কারো সঙ্গে আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে বিরোধী দলকে দ্রুত নাম জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

পরে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা শীঘ্রই পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করবো। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে নামের তালিকা পাওয়ার পরই এই কমিটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু করবে।

কালের আলো/এসএকে

সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (আইসিটি) মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড(বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেমিনারের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজার ( টেকনাফ) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী থেকে ২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ৪ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফনদী এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়।

জেলেরা হলেন- টেকনাফ পৌরসভা জালিয়া বাসিন্দা মো. মনির আহমেদ (৪৫), মো. ইয়াছিন (১৮), আব্দুল মালেক প্রকাশ শফা (৫০) ও জামাল হোসেন (৪০)।

জেলে করিম উল্লাহ জানান, সোমবার দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফ নদীতে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এসময় সশস্ত্র আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি নৌকাসহ ৪ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধাওয়া করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হক বলেন, আরাকান আর্মির হাতে ৪ জেলে আটকের খবর শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো জেলের পরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

কালের আলো/এসআইপি

২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪০৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৯১১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৮৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৮৫৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৬৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এমএইচ/এএএন