খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ফুয়েল পাসে মিলছে বেশি তেল, কমেছে ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
ফুয়েল পাসে মিলছে বেশি তেল, কমেছে ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা

Oplus_131072

রাজধানীর জ্বালানি তেল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। ‘ফুয়েল পাস’ চালুর ফলে গ্রাহকরা একবারে তুলনামূলক বেশি তেল নিতে পারছেন, যা কয়েক দিন ব্যবহার করা যাচ্ছে।

এতে বারবার পাম্পে আসার প্রয়োজন কমে গিয়ে ভিড় ও লাইনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আগে যেখানে ৪-৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন তা কমে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে নেমে এসেছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে সরজমিনে দেখা যায়, বেশকিছু তেলের পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে তেল না থাকার কারণে। তবে আগের দিনের মজুদ থেকে তারা কেউ কেউ বেলা ১টা পর্যন্ত, আবার কোনো পাম্প বেলা ৩টা পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ করে গেছেন। তবে পাম্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের তুলনায় লাইনের দৈর্ঘ্য কম এবং যানবাহনের চাপও নিয়ন্ত্রিত। ছুটির দিন হওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি থাকলেও পাম্পগুলোতে লাইনে দাঁড়ানোর সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে যেখানে গ্রাহকদের ৪-৫ ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হতো, এখন ১-২ ঘণ্টার মধ্যেই জ্বালানি সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

যদিও শুক্রবার সরকারি ছুটির কারণে ডিপো বন্ধ থাকায় তেলের নতুন সরবরাহ আসেনি, তবুও ফুয়েল পাসের প্রবর্তন এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল বিক্রির সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার কারণে পাম্পগুলোতে মানুষের ভোগান্তি আগের চেয়ে অনেক কমেছে।

রমনা পেট্রল পাম্পের স্বত্বাধিকারী সোহাগ বলেন, আজ (শুক্রবার) হওয়ায় আমাদের এখানে কোনো তেলের গাড়ি আসেনি। গতকালের (বৃহস্পতিবার) মজুদ থেকেই দুপুর পর্যন্ত তেল সরবরাহ করতে পেরেছেন। আগামীকাল থেকে আবার গাড়ি এলে তেল সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে শুরু করতে পারব।

শাহবাগ এলাকার মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার পাম্পে গিয়ে সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকালের দিকে ভিড় তুলনামূলক কম ছিল, দুপুরের পর থেকে কিছুটা চাপ বেড়েছে। তবে লাইনের গতি আগের চেয়ে দ্রুত।

তেল নিতে আসা বুয়েটের একজন শিক্ষার্থী শামীম বলেন, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হলেও এখন অপেক্ষার সময় অনেক কমেছে। শেষবার যখন তেল নিতে আসি সে সময় ৪ ঘণ্টা পরে তেল নিতে হয়েছে। আজ মাত্র ১ ঘণ্টাতেই তেল পেয়ে গেছি।

পাম্পের কর্মীরাও জানান, চাহিদা আগের মতোই থাকলেও ব্যবস্থাপনার কারণে লাইনে দাঁড়ানোর সময় কমে এসেছে।

আসাদগেট এলাকার সোনার বাংলা পাম্পে সরজমিনে দেখা গেছে, তেল না থাকায় বন্ধ করে রাখা হয়েছে পাম্প। সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের মতো বিশৃঙ্খলা নেই। মজুদ থাকা তেল দিয়ে বেলা ৩টা পর্যন্ত সরবরাহ চালু রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে নতুন তেল সরবরাহ না আসায় পরে বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে।

রাজধানীর বেশ কয়েকটি পাম্পের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুয়েল পাস ব্যবস্থার কারণে পাম্পে আসা যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে এবং লাইনের চাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

তালুকদার ফিলিং স্টেশনের হিসাবরক্ষক বিমল কৃষ্ণ মৃধা বলেন, ফুয়েল পাসের কারণে তেলের লাইনের দীর্ঘ সময়টা কমে এসেছে। গ্রাহকরা এখন একবারে ১০০০-১২০০ টাকার তেল নিতে পারছেন, যা দিয়ে তাদের দুই-তিনদিন চলে যাচ্ছে। ফলে বারবার পাম্পে আসার প্রয়োজন পড়ছে না এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হচ্ছে।

তবে এ ব্যবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে অসন্তোষও রয়েছে। কয়েকজন গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, ফুয়েল পাস না থাকলে নির্দিষ্ট সীমার বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে জরুরি প্রয়োজনেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে পাসধারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন।

এদিকে শুক্রবার সরকারি ছুটির কারণে ডিপো থেকে নতুন তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক পাম্পে মজুদ তেল দিয়েই বিক্রি চালাতে হয়েছে। কিছু পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়েছে। পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, ব্যাংক ও ডিপো খোলার পর নতুন করে সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীল হবে।

কালের আলো/এসএকে

বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

পশুর হাটে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেও সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে দাবি তার।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই। রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনো পশুর বর্জ্য পড়ে আছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে এবং বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, পশুর হাটগুলোতে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি হয়েছে। কিন্তু এসব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাগুলোতেও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

জামায়াত নেতা বলেন, ‘জুলাইকে অস্বীকার করা মানে ফ্যাসিবাদকে মেনে নেওয়া। যারা এমন অবস্থান নেবে, তাদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর জরুরি।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ১৫

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে অন্তত ১৫ জন আরোহী আহত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে যাচ্ছিল।

পথে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটি মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

এতে বাসে থাকা অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আতাউর রহমান খান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায় এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠায়।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে যাচ্ছিল।

পথে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গুর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। একপর্যায়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় আহত ১৫ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 
 

জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক’ শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, এর মধ্যে যে কোনো একটি অর্জন থাকলেই নির্দ্বিধায় একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে সফল বলা যায়। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক, যাঁর জীবনে গৌরবের এসব মহিমান্বিত পালক একত্রে বিদ্যমান। আমার জানা মতে, বিশ্ব ইতিহাসে এমন কোনো নজির নেই যে, একজন নেতা নিজ দেশের জন্য বহুমাত্রিক ভূমিকা রেখে এভাবে পরিণত হয়েছেন সমগ্র জাতির সত্তা ও অস্তিত্বের অংশে; তথা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতীকে।

বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক নিয়ে মাহদী আমিনের ফেসবুকের স্ট্যাটাস হুবাহু তুলে ধরা হলো-

(১) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, যাঁর আহবানে শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ।

(২) মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, এবং অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত।

(৩) সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মহানায়ক এবং ইতিহাসের সফলতম সেনাপ্রধান।

(৪) দেশের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।

(৫) বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সুমহান আদর্শের প্রবক্তা, যা নিশ্চিত করে প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, মত, পথ ও বিশ্বাসের মানুষ এবং সমতল ও পাহাড়ের প্রতিটি বাংলাদেশির সমান অধিকার ও স্বাধীনতা।

(৬) বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্ন মতের অধিকার স্থাপক।

(৭) গণআকাঙ্খার আলোকে সংবিধানের সংশোধন ও ইসলামী মূল্যবোধের ধারক।

(৮) মুক্তিবাজার অর্থিনীতি চালু, আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গঠন এবং বেসরকারি খাতের বিকাশে যুগান্তকারী উদ্যোগের প্রবর্তক।

(৯) রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের পথিকৃৎ এবং দেশজুড়ে ইপিজেড ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনাকারী।

(১০) মধ্যপ্রাচ্যে ও অন্যান্য দেশে জনশক্তি রপ্তানির পথিকৃৎ, যার ফলে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত প্রবাসীদের রেমিটেন্স আজও দেশের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি।

(১১) কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ভিত্তি নির্মাণ এবং তৃণমূলের উন্নয়নের রূপকার।

(১২) গ্রাম সরকার ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা উদ্যোগের প্রবর্তক।

(১৩) ঐতিহাসিক খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনক।

(১৪) গণশিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচির প্রবর্তক এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে সবার জন্য সহজলভ্য করার কারিগর।

(১৫) নারী ও যুবকদের জন্য দুইটি পৃথক মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

(১৬) শিশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও নতুন কুঁড়ির প্রবক্তা।

(১৭) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সহযোগিতার জন্য সার্কের প্রতিষ্ঠাতা।

(১৮) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের কারিগর।

(১৯) পশ্চিমা বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বহির্বিশ্বের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের রূপকার, ইরান-ইরাক যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী, ফিলিস্তিনি জাতি নির্মাণে আল-কুদস কমিটির সদস্য।

(২০) নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ভেঙে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে শক্তিশালী অবস্থান ও পানির হিস্যা বুঝে নেওয়াসহ বহু সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণকারী।

ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন লেখেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ অর্জন শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কের সাফল্যের গৌরব নয়। বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করার কালজয়ী ইতিহাস। তাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম, পরিকল্পনা, চিন্তা ও নেতৃত্ব আজও কোটি-কোটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে এবং তাঁর হাত ধরেই বদলে গেছে পুরো দেশ ও জাতির কাঠামো। আর ঠিক সেই আদর্শ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতাই আজ বহন করছেন জনগণের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যেমনটি করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ