খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

দ্রুতই স্থানীয় সরকার নির্বাচন, নতুন ২ বিভাগ গঠনের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
দ্রুতই স্থানীয় সরকার নির্বাচন, নতুন ২ বিভাগ গঠনের সুপারিশ

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বর্তমানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলামের (চট্টগ্রাম-১৬) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণত ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে সাধারণত ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগে। ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটের সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও সংস্কার এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে ন্যূনতম ৪৫ দিন সময় প্রয়োজন হয়।

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের (পাবনা-৫) প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনেই আর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মন্ত্রী বলেন, দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য তিন হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৮ থেকে ২০২৪ মেয়াদে একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কেনা ওই প্রকল্পের অডিট আপত্তি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে। অব্যবহৃত ইভিএমগুলো এখন বিভিন্ন গোডাউন ও বিএমটিএফ-এ সংরক্ষিত আছে।

ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লার প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেছে। প্রস্তাবিত ফরিদপুর বিভাগ ঢাকা বিভাগের পাঁচটি জেলা; ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুর নিয়ে গঠিত হবে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এই বিভাগ গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে শাসন করেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ করেছে ৩৯০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ লিড নিয়েছে ৪৩৬ রান। ফলে ৪৩৭ রান করতে হবে পাকিস্তানকে জিততে। রেকর্ড গড়ে না জেতা ছাড়া উপায় নেই সফরকারীদের। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সিলেটে তৃতীয় দিন শেষে ব্যাটার হিসেবে ১৩৭ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিক। সাজিদ খানকে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ আব্বাসকে। তিনই আউট হলে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। অন্যপ্রান্তে ০ রানে অপরাজিত ছিলেন নাহিদ রানা।

লিটন দাসের সঙ্গে মুশফিকের জুটি হয় ১২৩ রানের। এই জুটিই ম্যাচের ভিতটা গড়ে দেয়। ৬৯ রানে হাসান আলীর বলে তিনি বিদায় নিলে ২৩৮ রানে ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে তাইজুল বেশ ভালো সাপোর্ট দেন মুশফিককে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২২ রান। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি হয় ৭২ রানের। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাসকিন ৬ ও শরিফুল করেন ১২ রান। তবে একপ্রান্তে অবিচল থাকা মুশফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি, যা কি না বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে কোনো ব্যাটারের একক সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা। টপকে গেছেন ১৩ সেঞ্চুরি মালিক মুমিনুল হককে। ১৩৭ রানের ইনিংসটি মুশফিক সাজিয়েছেন ১২ চার ও এক ছক্কায়।

তৃতীয় দিনের শুরুতে আউট হয়েছেন শান্ত। ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। খুররম শাহজাদের বলে সাজঘরে ফেরেন তিলি লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। আর প্রথম দিন তানজিদ হাসান তামিম ৪ ও মুমিনুল আউট হন ৩০ রান করে। ওয়ানডে মেজাজে ৫২ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খুররম শাহজাদ। ৩টি সাজিদ খান, দুটি হাসান আলী ও একটি পেয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
‘চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলবে’

এই শহর ও রাষ্ট্রকে সুন্দর ও সচল রাখতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

‎সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহার নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‎সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

‎ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন বলেন, নৌপথে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না। ঈদের এই সময়ে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই। পাশাপাশি, সরকারের সকল সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার জন্য দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানাই।

‎তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্র ও শহর আমাদের সবার। এই শহর ও রাষ্ট্রকে সুন্দর ও সচল রাখতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

সমন্বয় সভায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিগণ, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধিগণ, নৌপরিবহন অধিদফতর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশন, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি, বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, লঞ্চ শ্রমিক সমিতি, বিকেএমইএ, বিজিএমইএ, জিএমপি, বিআইডব্লিউটিএ, সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাস মালিক সমিতি, লঞ্চ মালিক সমিতি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থা ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

‎‎সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।

এ ছাড়াও, সমন্বয় সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

কেন্দুয়ায় নবজাতককে ছুড়ে ফেলে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা,  গ্রেপ্তার-১

নেএকোনা(কেন্দুয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
কেন্দুয়ায় নবজাতককে ছুড়ে ফেলে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা,  গ্রেপ্তার-১

এক মাস ৭ দিন বয়সী নবজাতক শিশুকে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে  ছুঁড়ে ফেলে  নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মদন উপজেলার ৬০ বছর বয়সী মুদি দোকানদার আব্দুর রউফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘঠনাটি ঘটেছে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার তেতুলিয়া কৈজানী নদীর ঘাট সংলগ্ন এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মে ২০২৬, রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে কান্দিউরা ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের কৈজানী নদীর ঘাট সংলগ্ন গিয়ালী খালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী   (২৪) সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রগা ইউনিয়নের নূরনগর গ্রামের বাসিন্দা।

প্রায় এক বছর আগে মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের নায়েকপুর গ্রামের রিপন মিয়ার (৩০) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাদের এক মাস ৭ দিন বয়সী একটি নবজাতক শিশু রয়েছে।

গত ১৫ মে যৌতুক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে স্বামী রিপন মিয়া  এই নারীকে একতরফা ডিভোর্স দেন। ১৭ মে বিকেল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে এই নারী নবজাতক শিশুকে নিয়ে নায়েকপুর থেকে বাবার বাড়ি

সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। কৈজানী নদী পার হয়ে তেতুলিয়া ঘাটে পৌঁছে তিনি ঘাট সংলগ্ন মুদি দোকানদার আব্দুর রউফ মিয়ার (৬০) দোকানে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে আব্দুর রউফ মিয়া আনোয়ারাকে রাতে তার বাড়িতে থেকে সকালে রওনা দেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরামর্শ অনুযায়ী শিশু ও ব্যাগ নিয়ে তার সঙ্গে রওনা হলে পথে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে আব্দুর রউফ শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ। প্রস্থাবে   রাজি না হওয়ায় রউফ নারীর কোল থেকে ১ মাস ৭ দিনের শিশুটিকে ছুড়ে ফেলে দেন এবং দেশীয় অস্ত্র রামদা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।

এ সময় কাছেই বরশি দিয়ে মাছ ধরতে আসা এক ব্যক্তির উপস্থিতি টের পেয়ে  নারী দৌড়ে পালিয়ে যান। নারী ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে চিরাং ইউনিয়নের সাজিউড়া বাজারে গিয়ে চিৎকার করে স্থানীয়দের ঘটনা জানান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনার প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর পাটক্ষেত থেকে নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করে বাজারে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান।

তিনি ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠান।এরপর কেন্দুয়া ও মদন থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আজ সোমবার সকালে অভিযুক্ত আব্দুর রউফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ওসি জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রউফকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। নবজাতক ও ভুক্তভোগী নারীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।  তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকায় এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কালের আলো/এসআইপি