খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বাজার সিন্ডিকেট কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
বাজার সিন্ডিকেট কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাজার সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কেউ যাতে ইচ্ছে মত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়াতে না পারে, মজুদদারি মাধ্যমে বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা কেউ করতে না পারে এইজন্য নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন।

রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসকদের জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানি বা বিলম্বের শিকার না হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।

কৃষকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষক যেন ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় এবং সার, বীজ ও সেচ সুবিধা সহজলভ্য হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষিকে কেবল উৎপাদন হিসেবে নয়, বরং গ্রামীণ অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন তিনি।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পর বিভিন্ন মার্কেট প্লেসগুলোতে যাতে বিদ্যুৎ ব্যবহার না হয়, সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদের খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা আরও কার্যকর, নিয়মিত ও দৃশ্যমান করার নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাজার স্থিতিশীল রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ইচ্ছে মতন যাতে কেউ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়াতে না পারে, কিংবা যে টেন্ডেন্সিটি আমরা দেখি বিভিন্ন সময় মজুদদারি বা কারসাজির মাধ্যমে বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে, কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা কেউ করতে না পারে এইজন্য নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন।

সরকারি কার্যালয়ে সেবা প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি কার্যালয়ে সেবা প্রার্থীরা যেন অপ্রয়োজনীয় হয়রানি না হয় কিংবা বিলম্ব বা অনিয়মের শিকার না হয় দয়া করে সে ব্যাপারেও আপনাদেরকে কঠোর নজর রাখতে হবে। জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি সহজ করা এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাকে ডিসিদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বাল্যবিবাহ ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অবস্থানের পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ডিসিদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধেও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দেন তিনি।

তরুণ সমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করতে বছরজুড়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন খেলাধুলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুধু নির্দিষ্ট দিবস বা ঋতুতে সীমাবদ্ধ থাকবে? তিনি জেলা প্রশাসকদের পরামর্শ দেন যাতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলা সারাবছর চালু রাখা হয়। তরুণদের শারীরিক ও মানসিক এনার্জি সঠিক পথে চালিত করতে জেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও অডিটোরিয়ামগুলোকে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ভালো কাজের রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় স্বীকৃতির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, কোনো সাধারণ মানুষ যদি জীবন বাজি রেখে কাউকে উদ্ধার করে বা সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে, তবে তাদের নাম কেন্দ্রে পাঠালে জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত করা হবে। এমনকি ভালো পারফর্ম করা শিক্ষকদেরও পুরস্কার দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ছোটবেলায় যেসব সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ছিল, এখন তা অনেকটা অনুপস্থিত। মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রকৃতির প্রতি দয়া এই মূল্যবোধগুলো ফিরিয়ে আনতে ছোট ছোট সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

একটি প্রযুক্তি নির্ভর, জ্ঞান ভিত্তিক ও নৈতিক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম, বর্ণ, মত বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য থাকবে না।’ ভাষণের এক পর্যায়ে তিনি বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে বলেন, সমাজে হয়তো শতভাগ বৈষম্য দূর করা কঠিন, যেমন সোনায় কিছু খাদ থাকে, তেমনি মানুষের সমাজে সামান্য কিছু বৈষম্য থেকে যেতে পারে, তবে সরকার তা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর।

পরিশেষে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে, সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু দেশের স্বার্থে সবার আগে বাংলাদেশ।’ এই বক্তব্যের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

প্রবাসী কল্যাণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রী মাররির বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকালে আল মাররি অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘব এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসনে চালু হতে যাচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি’ নামের নতুন একটি সেবা। এটির মাধ্যমে ঢাকা জেলার যেকোনো নাগরিক সরাসরি জেলা প্রশাসনে ফোন করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, তথ্য ও মতামত জানাতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

ফরিদা খানম বলেন, আমরা ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছি, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে গণশুনানি করে থাকি। এর বাইরেও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু থাকবে। এতে নাগরিকেরা সহজেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন নিয়ে কোনো পরামর্শ থাকলেও তা জানাতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরব।

অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো সংকটে না পড়ে, সে জন্য মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বিভিন্ন সেলিব্রিটিকে দিয়ে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারে ঢাকা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

‘গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক এই আয়োজনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সমাজের আয়না। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই সমাজের প্রকৃত চিত্র ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া আমাদের সামনে উঠে আসে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের কোনো দপ্তরে যদি কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হন বা অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম আপনাদের চোখে পড়ে, তবে তা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এবং তেজগাঁও সার্কেলের সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও (ইউএনও) এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সাভারের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম, ধামরাইয়ের ইউএনও মো. আল মামুন, কেরানীগঞ্জের ইউএনও মো. উমর ফারুক এবং নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সভাপতি লিটন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান, সহসভাপতি এমরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক নাইমুর রহমান নাবিল, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত, প্রচার সম্পাদক রকি আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

রাজধানীর মুগদায় বাসার বেজমেন্টে সাত টুকরা করা একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ভবন শাহনাজ ভিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে মান্ডার আব্দুল করিম রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পঁচাগলা ও পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

এসআই রায়হান জানান, নিহত ব্যক্তির গলার নিচ থেকে পেট পর্যন্ত চিরে দেওয়া এবং দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা। ডিএনএ নমুনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি