খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট মূল্যায়ন করে প্রকল্প হাতে নেবে সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট মূল্যায়ন করে প্রকল্প হাতে নেবে সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আগামীতে সরকার যে প্রকল্পগুলো হাতে নেবে, সেখানে ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’ বা বিনিয়োগ থেকে আয়ের পরিমাণ মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি।

তিনি বলেন, প্রতিটি প্রকল্প গ্রহণের আগে কী পরিমাণ কর্মসংস্থান তৈরি হবে, সেটি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। যেহেতু বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য রয়েছে, তাই এ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পে পরিবেশ ও প্রতিবেশের রক্ষা গুরুত্ব পাবে। এর মাধ্যমে সমাজের বৈষম্য কমিয়ে একটি কল্যাণকর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

সোমবার (৪ মে) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ম্যান্ডেট ও জনগণের আস্থা অনুযায়ী একটি বড় লক্ষ্য ও পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও মাঠ প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে মাঠ পর্যায়ে সরকারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হবে, সেজন্য আমরা জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছি। আলোচনার মাধ্যমে আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে কীভাবে আরও কার্যকর প্রশাসন গড়ে তোলা যাবে, যার মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে, সেটি আমরা জানার চেষ্টা করছি। এর মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ খোঁজা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের একটি লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ গড়ে তোলা; যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সমাজের বৈষম্য কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। সরকারের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রশাসনিক সহায়তা জোরদার করতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তুতিগুলো জেলা প্রশাসকদের জানানো হচ্ছে। এই আলোচনায় জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে যেসব বাধার সম্মুখীন তারা হন, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে এবং সেগুলো সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতার পথ সহজ করে নিচ্ছি।

মো. জোনায়েদ সাকি যোগ করেন, আমরা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পঞ্চবার্ষিক একটি পরিকল্পনা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করছি। বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পেয়েছে, সেটি ভীষণভাবে বিপর্যস্ত। অর্থনৈতিক কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোও বিপর্যস্ত। প্রাথমিকভাবে আমাদের লক্ষ্য হলো কীভাবে এগুলো পুনরুদ্ধার করা যায়; পরবর্তীতে আমরা সমৃদ্ধির দিকে যাব। এজন্য আগামী উন্নয়ন বাজেট খুবই গুরুত্বসহকারে বাস্তবায়ন করা হবে। সর্বাধিক গুণগত মান বজায় রেখেই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) জেলা কাঠামোতে কিছু পরিবর্তন আনার জন্য ডিসিরা দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হলো, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এসডিজি লক্ষ্য বাস্তবায়ন ও এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সমন্বয় করেই উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। সেজন্য অতীতের প্রকল্পগুলোকে সংযোজন ও বিয়োজন করে সমন্বয় করা হচ্ছে। আরেকটি হলো, নতুন যেসব প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো পুরোপুরি নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে মিল রেখে করা হচ্ছে। ইশতেহারকে একটি প্রোগ্রামে পরিণত করে সেই প্রোগ্রামের অধীনে প্রকল্পগুলো নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো বাস্তবায়নে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ও সঠিক তথ্য-উপাত্ত নেই। এজন্য এসআইডিকে (পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ) ঢেলে সাজানো হচ্ছে। কোনো তথ্য-উপাত্তের যেন ঘাটতি না থাকে এবং ডেটা ম্যানিপুলেট না হয়, সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইএমইডির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্মেলনে ডিসিদের পক্ষ থেকে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যা, অর্থবছরের ‘ক্যালেন্ডার ইয়ার’ নিয়ে জটিলতা, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সমস্যা এবং বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয়ে গুরুত্বসহকারে জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, তারা (ডিসিরা) যেসব সমস্যার কথা জানিয়েছেন, সেগুলো লিখিত আকারেও দিচ্ছেন। আমরা এগুলো নিয়ে পরবর্তীতে আরও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করব।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

প্রবাসী কল্যাণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রী মাররির বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকালে আল মাররি অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘব এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসনে চালু হতে যাচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি’ নামের নতুন একটি সেবা। এটির মাধ্যমে ঢাকা জেলার যেকোনো নাগরিক সরাসরি জেলা প্রশাসনে ফোন করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, তথ্য ও মতামত জানাতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

ফরিদা খানম বলেন, আমরা ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছি, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে গণশুনানি করে থাকি। এর বাইরেও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু থাকবে। এতে নাগরিকেরা সহজেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন নিয়ে কোনো পরামর্শ থাকলেও তা জানাতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরব।

অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো সংকটে না পড়ে, সে জন্য মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বিভিন্ন সেলিব্রিটিকে দিয়ে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারে ঢাকা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

‘গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক এই আয়োজনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সমাজের আয়না। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই সমাজের প্রকৃত চিত্র ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া আমাদের সামনে উঠে আসে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের কোনো দপ্তরে যদি কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হন বা অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম আপনাদের চোখে পড়ে, তবে তা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এবং তেজগাঁও সার্কেলের সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও (ইউএনও) এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সাভারের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম, ধামরাইয়ের ইউএনও মো. আল মামুন, কেরানীগঞ্জের ইউএনও মো. উমর ফারুক এবং নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সভাপতি লিটন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান, সহসভাপতি এমরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক নাইমুর রহমান নাবিল, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত, প্রচার সম্পাদক রকি আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

রাজধানীর মুগদায় বাসার বেজমেন্টে সাত টুকরা করা একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ভবন শাহনাজ ভিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে মান্ডার আব্দুল করিম রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পঁচাগলা ও পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

এসআই রায়হান জানান, নিহত ব্যক্তির গলার নিচ থেকে পেট পর্যন্ত চিরে দেওয়া এবং দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা। ডিএনএ নমুনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি