খুঁজুন
                               
, ,
           

হাম ও উপসর্গে একদিনে রেকর্ড ১৭ শিশুর মৃত্যু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
হাম ও উপসর্গে একদিনে রেকর্ড ১৭ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে দুইজন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা যায় ১৫ জন। মারা যাওয়া সবাই শিশু। এর আগে একদিনে এতসংখ্যক শিশুর মৃত্যু হয়নি।

সোমবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, হাম নিয়ে গত একদিনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ১৪৫৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৬৭ জন।

১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে আশপাশের অনেকেই সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। প্রথম দিকে জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, এসব উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত তিন থেকে চার দিন পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ ওঠে, যা হামের প্রধান লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত।

টিকার আওতায় আসার কারণে বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি অনেক বছর ধরেই নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টিকাদানে ঘাটতির কারণে রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, ৯৫ শতাংশ মানুষ টিকা পেলে সংক্রমণ ছড়ায় না। কিন্তু আমাদের দেশে গত দেড়-দুই বছরে এই হার নেমে এসেছে প্রায় ৫৭ শতাংশে। হামের টিকা দুই ধাপে দেওয়া হয়, প্রথমটি ৯ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ১৫ মাসে। কিন্তু অনেক শিশু দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে পূর্ণ সুরক্ষা পাচ্ছে না তারা। বিশ্বে প্রথম ডোজের কভারেজ প্রায় ৮৬ শতাংশ হলেও দ্বিতীয় ডোজ ৭৪-৭৫ শতাংশে নেমে যায়। দেশে দুই ডোজ মিলিয়ে গড় হার আরও কম।

জানা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের বড় অংশই ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে। এ কারণে সরকার সম্প্রতি টিকার প্রথম ডোজ ৬ মাসে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

 

রন্ধনশিল্পী মাদিহাকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসানের অভিনন্দন, আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
রন্ধনশিল্পী মাদিহাকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসানের অভিনন্দন, আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ‘ফেভারিট শেফ ২০২৬’ প্রতিযোগিতার সেরা পাঁচ প্রতিযোগীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন কানাডিয়ান-বাংলাদেশি সমসাময়িক রন্ধনশিল্পী শেফ মাদিহা তুরশীন। প্রকৃতি, টেকসই উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যনির্ভর আধুনিক রন্ধনশৈলীর জন্য তিনি এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পের অসাধারণ প্রতিভাকে তুলে ধরার লক্ষে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ায় মাদিহা তুরশিনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি হলেন ফারুক হাসান।

রোববার (২৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি রন্ধনশিল্পী শেফ মাদিহা তুরশীন এর অনন্য এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয় তুলে ধরেছেন। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়-মস্তিষ্ককে নাড়িয়ে দিয়েছেন। ফাইনালে তাকে দেখার প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তাঁর জন্য ভোট প্রার্থনা করেছেন। মাহিদার পরিহিত শেফ-পোশাকটি বাংলাদেশে তৈরি এবং তাঁর বাবা এম এ মোত্তালিব খোকন এবং মা শামীমা নাসরিন চুমকি—উভয়েই দীর্ঘ সময় ধরে বিজিএমইএ-এর গর্বিত সদস্য বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মাদিহার জন্য প্রতিটি ভোট আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্য, প্রকৃতিনির্ভর সমসাময়িক রন্ধনশিল্প এবং টেকসই কুলিনারি দর্শনকে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি হলেন ফারুক হাসান বলেন, ‘একজন আধুনিক ধারার শেফ, রন্ধন-অভিজ্ঞতা পরিকল্পনাকারী ও ফুড আর্টিস্ট হিসেবে মাদিহা ধারাবাহিকভাবে অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তাঁর এই অনন্য যাত্রার মাধ্যমে তিনি কেবল নিজের প্রতিভাই তুলে ধরছেন না, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও করছেন অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে। এই অর্জনের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ তাঁর পরিহিত শেফ-পোশাকটি গর্বের সাথে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বা বাংলাদেশে তৈরি। এটি আমাদের দেশের বিশ্বখ্যাত পোশাক শিল্পের এক শক্তিশালী প্রতীক—যে শিল্প তার গুণমান, কারুকার্য, উদ্ভাবনী শক্তি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।’

তিনি বলেন, ‘এই গর্বের মুহূর্তটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে এই বিষয়টি যে, মাদিহার বাবা এম এ মোত্তালিব খোকন এবং মা শামীমা নাসরিন চুমকি—উভয়েই দীর্ঘ সময় ধরে বিজিএমইএ-এর গর্বিত সদস্য। এটি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সাথে তাঁদের গভীর সম্পৃক্ততারই প্রতিফলন—যে শিল্প বিশ্বজুড়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি প্রতিনিয়ত উজ্জ্বল করে চলেছে। আপনাদের অনেকের ভোটেই তিনি সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন। আজ মাদিহার আবারও আমাদের সমর্থন প্রয়োজন। আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে সহায়তা করার জন্য। প্রতিটি ভোটই হলো বাংলাদেশের জন্য, আমাদের প্রতিভার জন্য এবং আমাদের গর্বের জন্য একটি ভোট।’

ভোটারদের উদ্দেশ্যে ফারুক হাসান আরও বলেন, ‘আপনাদের সমর্থনে তিনি (মাদিহা তুরশীন) নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে পারবেন। অন্যদের এমন উদ্যোগে অনুপ্রাণিত করতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের দেশের সুনাম আরও সুদৃঢ় করতে পারবেন। আমি মাদিহা তুরশিনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। আসুন, আমরা সবাই মিলে তাঁর পাশে দাঁড়াই এবং এই বৈশ্বিক স্বীকৃতিকে বাংলাদেশে বয়ে আনতে সহায়তা করি।’

ভোট দেওয়ার নিয়মাবলী

• কিউআর (QR) কোডটি স্ক্যান করুন অথবা ভোটিং পেজটি ভিজিট করুন (favchef.com/2026/madiha-turshin)।
• কমলা রঙের ‘Vote’ বোতামটিতে ট্যাপ করুন।
• “1 Vote – Free” অপশনটি নির্বাচন করুন।
• ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ভোটটি ভেরিফাই বা নিশ্চিত করুন—এতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগবে।
• প্রতি ২৪ ঘণ্টা পর পর ফিরে আসুন এবং আবারও বিনামূল্যে ভোট দিন।

কালের আলো/জেএন/এএইচ

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ রোমাঞ্চকর পথচলা শেষে পর্দা নামতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরের। আগামীকাল সোমবার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী আয়োজিত এই বিশাল ক্রীড়া উৎসবের জাতীয় পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটায় শুরু হতে যাওয়া এই সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের খুদে ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করতে মাঠের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকেল ৪টায় ভেন্যুতে আগমনের পর প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করবেন। ফুটবল ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত হবে বালক ও বালিকা বিভাগের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল।

খেলা শেষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং থিম সং-এর সাথে শিশু শিল্পীদের মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করবেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের পর বিজয়ী খুদে অ্যাথলেটদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে এবং তাদের সাথে অফিশিয়াল ফটো সেশনে অংশ নেবেন অতিথিবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই ক্রীড়া মেগার আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের সকল উপজেলা ও জেলা থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার শিশু-কিশোর ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টস—এই ৮টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়।

আঞ্চলিক পর্ব পেরিয়ে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হওয়া জাতীয় পর্বে ১০টি অঞ্চলের প্রায় ১,৭০০ ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা অংশ নেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা খেলোয়াড়দের ইতোমধ্যে বিশেষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাছাইকৃত এসব খুদে প্রতিভাকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) বিভিন্ন শাখায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

পাশাপাশি এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোমলমতি শিশুদের ডিজিটাল গ্যাজেট আসক্তি থেকে মুক্ত করে পুনরায় খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনা।

কালের আলো/এসএকে

ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫৮

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪৫৮ জন রোগী।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৯৮ জন।

রোববার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৮ জন, খুলনা বিভাগে ৪৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, রংপুর বিভাগে ১০ জন এবং বরিশালে বিভাগে ৯৯ জন রয়েছেন।

এদিকে চলতি বছরে মোট ১১ হাজার ৯৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এর আগে গত বছর দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন মোট ৪১৩ জন।

কালের আলো/এমএসআইপি