খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

নিরাপদ ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে কাজ করছি : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
নিরাপদ ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে কাজ করছি : ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রাথমিক শিক্ষা শুধু পাঠদান নয়, বরং একটি শিশুর সামগ্রিক বিকাশের ভিত্তি। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি সংযোজন, খেলাধুলা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একটি যুগোপযোগী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্মার্ট প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শহর, গ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য কমিয়ে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ অনুধাবন, শ্রবণ দক্ষতা, কথোপকথন, লেখা এবং ভাষাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ নতুনভাবে কাজ করছে। ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিষয়েও একটি সমন্বিত ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল এডুকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভবিষ্যতের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে প্রযুক্তিনির্ভর। যেখানে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, স্মার্ট অ্যাসেসমেন্ট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, শিক্ষক উপস্থিতি, লেসন প্ল্যান এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সবকিছু একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (পিইডিপি)-৫ প্রকল্প নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পটির বিভিন্ন কম্পোনেন্ট, বাস্তবায়ন কৌশল, মনিটরিং ব্যবস্থা, শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোানা করেন।

উল্লেখ্য, প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে — সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প, বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলায় মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প, নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ আকর্ষণীয়ভাবে সজ্জিতকরণ প্রকল্প, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল প্রকল্প (২য় পর্যায়), নেক্সটজেন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম, পার্বত্য জেলা গুলোর বিদুৎবিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎতায়ন প্রকল্প, ঢাকা মহানগরীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, সারাদেশের সব পিটিআই এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এবং ইউনিয়ন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান এনডিসি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে

তবে ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং বন্দরগুলোতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ২৫ ও ২৬ মে বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুপারভাইজারি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট’ (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) তফসিলি ব্যাংকগুলোর সব শাখা ও উপশাখা স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এর পরদিন অর্থাৎ ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত টানা সাত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

পোশাক শিল্প এলাকায় সীমিত ব্যাংকিং বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্প খাতে নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধ এবং পোশাক খাতের আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চলমান রাখার সুবিধার্থে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে।

ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাক শিল্পের লেনদেন সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ২৫ ও ২৬ মে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই দুই দিন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর অফিস সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং গ্রাহক লেনদেনের সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

বন্দর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা ও ছুটির দিনেও সেবা দেওয়ার বিষয়ে সার্কুলারে বলা হয়, সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। এছাড়া ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান রাখতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংকগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ছুটির দিনগুলোতে ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন, তারা বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাতাদি (অ্যালাউন্স) পাবেন।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কালের আলো/এসআইপি

গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরের অন্তত ১০টি জাহাজ আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সঙ্গে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে থাকা আরও ২৩টি জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বহরটির আয়োজকরা।

সোমবার (১৮ মে) গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নামের সংগঠনটি এক্সে দেওয়া পোস্টে জানায়, ইসরায়েলি সামরিক জাহাজগুলো তাদের বহরের কাছে পৌঁছে জাহাজে ওঠা শুরু করেছে। তারা দাবি করেছে, এটি ছিল একটি “বৈধ ও অহিংস মানবিক মিশন” এবং নিরাপদে গাজায় পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ৫৪টি জাহাজ নিয়ে গঠিত এই বহরে ৩৯টি দেশের মোট ৪২৬ জন অংশ নিয়েছেন। আটক হওয়া জাহাজগুলোর যাত্রীদের মধ্যে অন্তত দুই ডজন তুর্কি নাগরিক রয়েছেন। বহরটি গাজা উপকূল থেকে প্রায় ৪৬৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, “গাজার বৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার কোনো চেষ্টা ইসরায়েল মেনে নেবে না।” একই সঙ্গে তারা বহরে অংশ নেওয়া সবাইকে দ্রুত ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ তুরস্ক থেকে তৃতীয় দফায় যাত্রা শুরু করে এই সহায়তা বহর। এর আগেও গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি জাহাজ আটক করেছিল।

গত ১২ এপ্রিল স্পেন থেকে যাত্রা করা আগের বহরটির জাহাজও ইসরায়েলি বাহিনী থামিয়ে দেয়। সে সময় শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আরও দুজনকে ইসরায়েলে আটক রাখা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে শাসন করেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ করেছে ৩৯০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ লিড নিয়েছে ৪৩৬ রান। ফলে ৪৩৭ রান করতে হবে পাকিস্তানকে জিততে। রেকর্ড গড়ে না জেতা ছাড়া উপায় নেই সফরকারীদের। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সিলেটে তৃতীয় দিন শেষে ব্যাটার হিসেবে ১৩৭ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিক। সাজিদ খানকে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ আব্বাসকে। তিনই আউট হলে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। অন্যপ্রান্তে ০ রানে অপরাজিত ছিলেন নাহিদ রানা।

লিটন দাসের সঙ্গে মুশফিকের জুটি হয় ১২৩ রানের। এই জুটিই ম্যাচের ভিতটা গড়ে দেয়। ৬৯ রানে হাসান আলীর বলে তিনি বিদায় নিলে ২৩৮ রানে ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে তাইজুল বেশ ভালো সাপোর্ট দেন মুশফিককে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২২ রান। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি হয় ৭২ রানের। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাসকিন ৬ ও শরিফুল করেন ১২ রান। তবে একপ্রান্তে অবিচল থাকা মুশফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি, যা কি না বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে কোনো ব্যাটারের একক সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা। টপকে গেছেন ১৩ সেঞ্চুরি মালিক মুমিনুল হককে। ১৩৭ রানের ইনিংসটি মুশফিক সাজিয়েছেন ১২ চার ও এক ছক্কায়।

তৃতীয় দিনের শুরুতে আউট হয়েছেন শান্ত। ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। খুররম শাহজাদের বলে সাজঘরে ফেরেন তিলি লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। আর প্রথম দিন তানজিদ হাসান তামিম ৪ ও মুমিনুল আউট হন ৩০ রান করে। ওয়ানডে মেজাজে ৫২ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খুররম শাহজাদ। ৩টি সাজিদ খান, দুটি হাসান আলী ও একটি পেয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস।

কালের আলো/এসআর/এএএন