খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়নে সমন্বয়ের আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়নে সমন্বয়ের আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

ঢাকা মহানগরী ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প’ বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে তা অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, তাই পরিকল্পনা ও কমিটমেন্ট অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৩৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকাকে বাইপাস করে হেমায়েতপুর থেকে নারায়ণগঞ্জকে সংযুক্ত করবে, যার মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যানবাহনের গতি বাড়বে এবং ঢাকার যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। প্রকল্পটির হালনাগাদ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও অর্থ অপচয়ের অভিযোগের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে অতীতে অনেক প্রকল্পে ব্যয় বেড়েছে। সময়মতো জমি অধিগ্রহণ ও কাজ সম্পন্ন না হলে প্রকল্পের সুফল কমে যায়। এ কারণে পরিকল্পিতভাবে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ঢালাওভাবে মেগা প্রকল্প নিতে চাই না। প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট, মাঝারি বা বড়—যে প্রকল্পই হোক, সেটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই, যাতে জনগণ সরাসরি উপকৃত হয় এবং অর্থের অপচয় না হয়।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রস্তাবিত এক্সপ্রেসওয়েটি প্রায় ৩৮.৯৮ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এবং এটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর থেকে শুরু হয়ে নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। পথে এটি বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদী অতিক্রম করবে এবং বিভিন্ন মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার ওপর দিয়ে আন্তঃজেলা যানবাহনের চাপ কমবে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।

প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে নির্মাণ ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা এবং ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা। অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ইতিবাচক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত কয়েকজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত কয়েকজন

রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি হাসপাতালটিতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের একটি ভবনে অবৈধ বিস্কুট কারখানা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টাফ নার্সদের সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান।

একপর্যায়ে তারা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করেন। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। হামলার শিকার হওয়াদের মধ্যে টাইমস অফ বাংলাদেশ স্টাফ রির্পোটার কাজী জাহিদ, দীপ্ত টিভির ক্যামেরাপারসন আহত, বৈশাখী টিভির ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

তিনি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছকে বাঁধা নয় মোটেও। সবার উর্ধ্বে দায়িত্ব ও মানবিকতাকে স্থান দিয়ে মন্ত্রীত্বের পুরাতন সব রীতি ভেঙে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। সব সময় নিজ নির্বাচনী এলাকার ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে মানুষের কাছাকাছি তিনি। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এই সংসদ সদস্য এলাকার সাধারণ মানুষের শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজের কাঁধেই তিনি লাশ বহন করেছেন। দাফন কাজে নিজের সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি কবরে শায়িত করতে নেমে গেছেন। প্রকৃত মনুষ্যত্ববোধের পরিচয় দিচ্ছেন।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ থেকে ২৯ মে। দেখতে দেখতে কেটে গেছে দু’মাস। এ সময়ে নিজ কাঁধে খাটিয়া বহন করে দুটি মরদেহ দাফন কাজে অংশ নিয়ে অনন্য মানবিক নজির স্থাপন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমটি উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে ২৭ মার্চ। অন্যটি গত ২৯ মে নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায়। প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙেছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায় মরহুম আব্দুল হামিদের জানাজায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় তিনি নিজ কাঁধে খাটিয়া তুলে নেন এবং অন্যদের সঙ্গে মরদেহ বহন করেন। কোনো দ্বিধা বা সংকোচ না করে নিজেই কবরে নেমে পড়েন। মরদেহ খাটিয়া থেকে নামিয়ে কবরে শায়িত করার কাজে সরাসরি শরিক হন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

মৃতের স্বজনদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিকতা ও উদারতা অপার বিস্ময়ে উপভোগ করলেন। মুহুর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লো সোশ্যাল হ্যাণ্ডেলে। নেটিজেনরা সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন অনন্য মানবিকবোধ নিয়ে মেতে উঠলেন প্রশংসায়। কেউ কেউ বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতোই তার এই প্রতিমন্ত্রীও অতি সাধারণ। যোগ্য ব্যক্তিই ক্যাবিনেটে স্থান পেয়েছে।’

সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে দেখে সবাই অভিভূত। অতীতে কোন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে দেখেনি মানুষ। জনতার নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের প্রতি তার এই শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নান্দাইলবাসীর কাছে এক বিমুগ্ধ বিস্ময়।

স্থানীয়রা বলছেন, এখনও অনেক রাজনীতিকের ভেতরে দয়া-মায়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আছে। মনুষ্যত্ববোধ যে টিকে আছে তার বড় এক উদাহরণ প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই মানবিকবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে বাংলাদেশ করে ১৩৩ রান। জবাবে খেলতে নেমে ২৬ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্কটিশরা।

এডিনবার্গে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ওপেনিং জুটিতে আসে ১৬ রান। ১৩ বলে ১২ রান করে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার আউট হওয়ার আগে করেন ১১ রান। আর শারমিন আক্তারের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১০ রান।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন দলনেতা নিগার সুলতানা জ্যোতি। এছাড়া ২২ রান করে করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণ আক্তার। ২ রান করেন রাবেয়া খান।

রান তাড়া করতে নেমে কোনো চাপই নেয়নি স্কটিশরা। দলনেতা ক্যাথরিন ব্রাইসের ফিফটিতে সহজ জয় পেয়ে যায় তারা। সর্বোচ্চ ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্যাথরিন। ২৮ রান করেন ওপেনার ক্যাথেরিন ফ্রেশার। এছাড়া ডার্সি কার্টার ও সারাহ ব্রাইস ২৩ রান করে করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি