খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

অশালীন গান নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন নোরা ফাতেহি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
অশালীন গান নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন নোরা ফাতেহি

প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি। ‘সরকে চুনর তেরী সরকে’ গানটি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটাতেই এই পদক্ষেপ তারকার। বৃহস্পতিবার ভারতের দিল্লিতে জাতীয় নারী কমিশনের সামনে হাজিরা দিয়ে তিনি এই দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অনাথ শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, বিতর্কিত এই গানের কথা ও দৃশ্যায়ন নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র আপত্তি ওঠার পর বিষয়টি আদালত ও কমিশন পর্যন্ত গড়ায়। হাজিরা শেষে নোরা ফাতেহি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। তবে একজন শিল্পী হিসেবে আমি এই ঘটনার দায় নিচ্ছি এবং সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। পরিস্থিতি আমাকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে যে আমি সত্যিই লজ্জিত।

তিনি আরও জানান, এখন থেকে অনাথ মেয়েদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য তাদের পড়াশোনার সব খরচ তিনি নিজে বহন করবেন।

মূলত ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার এই গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। গানের কথা ও নোরার নাচের ভঙ্গি অশালীন ও কুরুচিকর বলে দাবি করেন অনেকে। ব্যাপক বিতর্কের মুখে গানটি নিষিদ্ধও করা হয়েছিল। এই গানে নোরার সঙ্গে অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকেও দেখা যায়, যার ফলে জাতীয় নারী কমিশন তাকেও তলব করে।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল সঞ্জয় দত্ত কমিশনে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেই সময় তার আইনজীবী হেমন্ত শাহ দাবি করেছিলেন, গানটি যে ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল সেটি সঞ্জয় দত্ত বুঝতেন না। ফলে গানের কথা বা অর্থ সম্পর্কে অবগত না থেকেই তিনি সেখানে পারফর্ম করেছিলেন। দুই তারকার এমন বক্তব্যের পর আলোচিত এই গানটি নিয়ে জলঘোলা কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি

সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (আইসিটি) মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড(বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেমিনারের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজার ( টেকনাফ) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী থেকে ২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ৪ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফনদী এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়।

জেলেরা হলেন- টেকনাফ পৌরসভা জালিয়া বাসিন্দা মো. মনির আহমেদ (৪৫), মো. ইয়াছিন (১৮), আব্দুল মালেক প্রকাশ শফা (৫০) ও জামাল হোসেন (৪০)।

জেলে করিম উল্লাহ জানান, সোমবার দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফ নদীতে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এসময় সশস্ত্র আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি নৌকাসহ ৪ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধাওয়া করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হক বলেন, আরাকান আর্মির হাতে ৪ জেলে আটকের খবর শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো জেলের পরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

কালের আলো/এসআইপি

২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪০৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৯১১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৮৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৮৫৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৬৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এমএইচ/এএএন