খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তাদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের নতুন সংগ্রামে নামতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো- আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন করা।

শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দিনব্যাপী এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে-পরতে সেটা অনুভব করেছেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।

নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেওয়া ইশতেহার ছিল- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। কারণ ভোট দেওয়া দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ মূলত আমাদের এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। কাজেই এই ম্যানিফেস্টোতে যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দেব। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে। নারী পুরুষ শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।

তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম যে, আমাদের ওপরে যে রকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে তাতে আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করব।

তারেক রহমান বলেন, আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না।

দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত আছেন।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।

কালের আলো/এসএকে

এবার পদক পাচ্ছেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
এবার পদক পাচ্ছেন যারা

Oplus_131072

পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে রোববার (১০ মে)। চার দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত সাহসী, বীরত্বপূর্ণ ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হবে।

রোববার ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে তাদের পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সপ্তাহ শুরুর আগেই আগামী ২ মে পদকের জন্য মনোনীতদের রাজারবাগ পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) এ সংক্রান্ত চিঠিতে ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) মো. কামরুল আহসান সই করেছেন। চিঠিতে পদকপ্রাপ্ত ১০৭ জন সদস্যের নাম, পদবি ও ঠিকানাও সংযুক্ত রয়েছে।

এর আগে, ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ ৪০০ জনকে বিপিএম ও পিপিএম পদক দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১৭ জন এবং তার আগের বছর ২৩০ জন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছর সাত দিনের পরিবর্তে তিন দিনে সীমিত আকারে পুলিশ সপ্তাহ আয়োজন করা হয়।

কালের আলো/এসএকে

সৌদি পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
সৌদি পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী

Oplus_131072

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে এ পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইটে মোট ৫০ হাজার ১১১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সবচেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে।

শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আজ (শনিবার) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে।

হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১২ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী রয়েছে। হজযাত্রীদের ১০ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা গেছেন।

বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি মেডিকেল টিম গতকাল পর্যন্ত ১৮ হাজার ৯৮৭ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এ ছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে চিকিৎসা পেয়েছেন ১৩ হাজার ১১ জন হজযাত্রী।

পরিচালক জানান, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

এয়ারলাইনসভিত্তিক তথ্যে জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৫৬৩ জন; সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৭টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৯২ জন এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৫৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন।

তিনি আরও জানান, অবশিষ্ট ২৮ হাজার ২৬২ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইনসগুলোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সৌদি আরব যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১ টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হজ অফিসের তথ্যমতে, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত ৭৮ হাজার ৩৭৩টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৪টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯১৯টি ভিসা দেওয়া হয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬শে মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। হজ শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায়  প্রায় এক লাখ বেশি কোরবানির পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায়  প্রায় এক লাখ বেশি কোরবানির পশু

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীতে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস। তাদের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এবার মোট কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১টি। বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫৮টি। সে হিসেবে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৯১ হাজার ৯৫৩টি পশু বেশি রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অবস্থায় ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশুর সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা পশুর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৪১টি গরু, ৩ হাজার ৪২৫টি মহিষ, ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৯টি ছাগল এবং ৪৩ হাজার ৪০৬টি ভেড়া। সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ছাগল। এরপর রয়েছে গরু, ভেড়া ও মহিষ।একসময় সীমান্তবর্তী রাজশাহী অঞ্চলের কোরবানির হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। বছরের পর বছর ভারত থেকে গরু আসায় স্থানীয়ভাবে গরু-ছাগল পালনে আগ্রহ কমে গিয়েছিল অনেকের। তবে গত কয়েক বছরে সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে ভারতীয় গরুর প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় আবারও স্থানীয় খামারিদের আগ্রহ বেড়েছে।বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের প্রায় সব জেলাতেই বাড়িভিত্তিক ও বাণিজ্যিকভাবে গরু-ছাগল পালন করা হচ্ছে। অনেকে নতুন করে খামার গড়ে তুলেছেন। ফলে কোরবানির জন্য বাইরের পশুর ওপর নির্ভরশীলতা প্রায় নেই বললেই চলে। একই সঙ্গে বেড়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগও।খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে কয়েক মাস ধরেই তারা পশু মোটাতাজাকরণ, পরিচর্যা ও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন-পালনে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।রাজশাহীর পবা উপজেলার খামারি আবদুল কাদের বলেন, “এবার আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়েছি। দেশীয় পদ্ধতিতে পশু পালন করেছি। খরচও বেড়েছে। তাই বাজারে যেন ন্যায্যমূল্য পাই, সেটাই প্রত্যাশা।”আরেক খামারি বাপ্পি ইসলাম বলেন, “আমাদের বাড়িতেই এখন ছোট পরিসরে খামারের মতো করে পশু পালন হয়। কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ছয় মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছি। এবার আমার ছয়টি ষাঁড় গরু রয়েছে। গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল। তবে আশা করছি ভালো দাম পাব।”মোহনপুর উপজেলার খামারি সেলিনা বেগম বলেন, “হাটে ছোট আকারের পশুর চাহিদা বেশি থাকে। তাই গরুর পাশাপাশি ছাগল ও ভেড়াও পালন করেছি। আমার দুটি গরু ও সাতটি ছাগল রয়েছে। এগুলো কোরবানির জন্য প্রস্তুত করছি।”দুর্গাপুর উপজেলার খামারি রাফিউল বলেন, “আমরা কোরবানিকে কেন্দ্র করেই গরু লালন-পালন করি। আমাদের প্রত্যাশা, পশুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে। সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে, যেন আগের বছরের মতো এবারও ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করতে না পারে। তাহলে দেশীয় খামারিরা লাভবান হবেন।”এদিকে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার রাজশাহী অঞ্চলে পশুর উৎপাদন সন্তোষজনক। খামারিদের প্রশিক্ষণ, রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি এবং পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে। ফলে বাজারে সুস্থ ও নিরাপদ পশু সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতোয়ার রহমান বলেন, “গত কয়েক বছর ধরেই রাজশাহীতে দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এবারও চাহিদার তুলনায় বাড়তি পশু রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও পশুচিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, এবার এই অঞ্চলের খামারিরা ভালো লাভবান হবেন।”

কালের আলো/এসআইপি