খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী দল: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী দল: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, আমরা যে রাস্তার কাজ ও বিভিন্ন খাল খননের উদ্বোধন করেছি, তা জাতীয়তাবাদী দলের একটি নিদর্শন। জাতীয়তাবাদী দল সবসময় জনগণের কল্যাণে বিশ্বাস করে। উন্নয়ন ও সেবার রাজনীতির মাধ্যমে আমরা মানুষের পাশে থাকতে চাই। হালুয়াঘাট সহ সারা বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে হালুয়াঘাট উপজেলার আমতৈল ইউনিয়নের বড়বিলায় বড়বিলা-বাহিরশিমূল রাস্তার,কৈচাপুর ইউনিয়নের কড়ইকান্দা খাল পুনঃখনন ও সদর ইউনিয়নের কচুন্দরায় খাল পুন:খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হালুয়াঘাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স,ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু,ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসন সংসদ সদস্য প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু,সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন,ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম ,সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা রোজি,হালুয়াঘাট সার্কেলের এএসপি মিজানুর রহমান, হালুয়াঘাট ওসি ফেরদৌস আলম,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আসলাম মিয়া বাবুল ,সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর,পৌর বিএনপির আহবায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী হালুয়াঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি কার্যালয় পরিদর্শন ও নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

 

শিল্প খাত বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
শিল্প খাত বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

উচ্চ সুদহার, গ্যাস সংকট, ডলারের চাপ ও কমে যাওয়া বাজারচাহিদার কারণে দেশের উৎপাদন খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানায় নতুন করে অর্থায়নের বদলে যেসব কারখানা এখনো টিকে আছে, সেগুলোকে সহায়তা দিলে শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষা করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রস্তাব দেন ব্যবসায়ী নেতারা। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান ব্যবসায়ী নেতা ও বিআইসি সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, শিল্প খাত সচল রাখতে কার্যকর মূলধন সহায়তা, ঋণের সুদহার কমানো, পেনাল ইন্টারেস্ট হ্রাস এবং বিদেশি রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

বৈঠকে এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসাইন ও জসীম উদ্দীন, বিসিআইর সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, বিসিএমইএর চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম স্বপন, বিএমএএমএর সভাপতি মতিউর রহমান, বিজিএপিএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ শাহরিয়ার এবং বিসিআইর সহসভাপতি প্রীতি চক্রবর্তীসহ শীর্ষ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, কোভিড-পরবর্তী সময় থেকেই শিল্প খাতে কার্যকর মূলধনের সংকট তৈরি হয়েছে। পরে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া, সুদহার বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে উৎপাদন খাত বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

তিনি বলেন, সরকারও মনে করে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে শিল্প খাত টিকিয়ে রাখতে হবে। সেই বিবেচনা থেকেই বিদ্যমান শিল্পকারখানাগুলো সচল রাখতে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা এলসি সীমা–সংক্রান্ত জটিলতা কমানোর দাবি জানান। তাঁদের মতে, যেসব এলসি সীমা অতিক্রম করেছে, সেগুলো আলাদাভাবে ব্লক করে মূল সীমা সচল রাখলে ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে। পাশাপাশি বিদেশি তহবিল ও রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানোরও প্রস্তাব দেওয়া হয়, যাতে কম সুদে অর্থায়ন পাওয়া যায়।

সুদহার প্রসঙ্গে পারভেজ বলেন, ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যয় ৮ থেকে ১০ শতাংশের বেশি নয়। এরপরও অতিরিক্ত স্প্রেড যোগ করে ঋণের সুদ ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে নেওয়া হচ্ছে। সরকার চাইলে এই স্প্রেড কমিয়ে শিল্প খাতকে স্বস্তি দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঋণ খেলাপি হওয়ার পর অতিরিক্ত পেনাল ইন্টারেস্ট আরোপ শিল্প খাতের জন্য বড় চাপ তৈরি করছে। শিল্পকারখানাকে শাস্তি না দিয়ে কীভাবে তারা ঋণ পরিশোধে সক্ষম হবে, সেই পরিবেশ তৈরি করা উচিত।

সিআইবি রিপোর্টে ‘গ্রুপ কনসেপ্ট’ নিয়েও আপত্তি তোলেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের অভিযোগ, একই পরিচালক থাকার কারণে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে গ্রুপ হিসেবে দেখানো হয়। ফলে একটি প্রতিষ্ঠান সমস্যায় পড়লে অন্য ভালো প্রতিষ্ঠানও নেতিবাচক সিআইবি রিপোর্টের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে মূল্যায়নের দাবি জানান তাঁরা।

এমএসএমই খাত নিয়েও গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পারভেজ। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে অনাগ্রহী। জটিল কমপ্লায়েন্স প্রক্রিয়া সহজ করা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল চালু এবং স্বল্প সুদে ঋণসুবিধা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে শুনেছে। গভর্নর জানিয়েছেন, কার্যকর মূলধন, বিদেশি রিফাইন্যান্সিং ও পেনাল ইন্টারেস্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ চলছে এবং শিগগিরই কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ব্যবসায়ী নেতা বলেন, একটি শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেলে সেটি পুনরায় সচল করা অত্যন্ত কঠিন। তাই যেসব কারখানা এখনো চালু আছে, সেগুলোকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, গ্যাস সংকট, গ্যাসের মূল্য ২৮৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি, উচ্চ সুদহার ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়েছে। শিল্প শুধু ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটি জাতীয় সম্পদ। তাই সম্ভাবনাময় শিল্পগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন।

তহবিল সহায়তা প্রসঙ্গে পারভেজ জানান, রপ্তানি খাতের ক্যাশ ইনসেনটিভের অর্থ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে গভর্নর জানিয়েছেন। এ ছাড়া গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের বেতন-সহায়তার প্রয়োজনীয়তা কমে এসেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

 

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সোমবার (১২ মে)হতে রাজশাহী মহানগর ও জেলায় স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে।

সকাল ১১টা থেকে নগরীর বিভিন্নস্থানে খোলা ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হয়।

টিসিবির রাজশাহী অফিস প্রধান আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন,  প্রতি কেজি ৭০ টাকা  মসুর ডাল,  প্রতি লিটার ১৩০ টাকা দরে সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। তবে সবগুলো পণ্যের প্যাকেজ মূল্য ৪৮০ টাকা।শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন এসব পণ্য কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। রাজশাহীতে প্রতিদিন ১৫টি ট্রাকে ৬০০০ হাজার গ্রাহক পণ্য কিনতে পারবেন।

এদিকে, টিসিবির পণ্য কিনতে ভীড় জমাচ্ছেন নিম্নআয়ের মানুষ। বাজারের তুলনায় দাম কম হওয়ায় টিসিবির পণ্য কিনছেন তারা। তবে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।   দীর্ঘ সময় লাইনের অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে বয়স্কদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে গেছে।

‘পিরিতি’তে জেলে বিধ্বস্ত শাকিব খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
‘পিরিতি’তে জেলে বিধ্বস্ত শাকিব খান

প্রেমের যেমন আনন্দ আছে, বিচ্ছেদের আছে তেমনি এক গভীর দহন। সেই প্রেম আর বিরহের চিরন্তন হাহাকার নিয়ে হাজির হলেন ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। মুক্তি পেয়েছে তার আসন্ন সিনেমা ‘রকস্টার’-এর নতুন গান ‘পিরিতি’। তবে গানের কথা বা সুরের চেয়েও দর্শক-শ্রোতাদের বেশি চমকে দিয়েছে গানের ভিডিওতে শাকিব খানের উপস্থিতি।

পুরো গানে এক বিধ্বস্ত চেহারায় কারাবন্দী অবস্থায় দেখা গেছে এই মেগাস্টারকে। ৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের এই গানের পুরো চিত্রায়ন হয়েছে জেলখানার ভেতরে। ভিডিওতে শাকিব খানকে অত্যন্ত জীর্ণ ও বিধ্বস্ত লুকে দেখা গেছে। অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তার চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে তীব্র যন্ত্রণা।

তবে রূপালি পর্দার এই নায়ক ঠিক কী কারণে জেলে গেছেন, তা নিয়ে সিনেমার নির্মাতা পক্ষ থেকে এখনও কোনো স্পষ্ট আভাস দেওয়া হয়নি। এই রহস্যই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাকিব ভক্তদের মাঝে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

‘পিরিতি’ গানটি মূলত ফোক এবং অ-ক্যাপেলা ঘরানার মিশ্রণে তৈরি। কবি হাসান রোবায়েতের কাব্যিক শব্দমালায় গানটিতে সুর দিয়েছেন আহমেদ হাসান সানি। আর এতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় ড্রামার ও সংগীতশিল্পী পান্থ কানাই। তার দরাজ কণ্ঠের গায়কী গানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

গানের সংগীত পরিচালনা ও সংগীতায়োজন করেছেন জাহিদ নীরব। লিরিক্সের পরতে পরতে ফুটে উঠেছে তীব্র আকাঙ্ক্ষা আর মানসিক যন্ত্রণার এক নিপুণ মেলবন্ধন। বিশেষ করে গানের একটি অংশ শ্রোতাদের বেশ আপ্লুত করেছে, যেখানে বলা হয়েছে, ‘পিরিতি জানে না কালা কোনও সংগ্রাম, এ প্রাণ ডালিম যেন ফেটে দুই ভাগ।’

‘সান মোশন পিকচার্স’-এর ব্যানারে নির্মিত ‘রকস্টার’ সিনেমার এই গানটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’-তে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর থেকেই গানটি নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ