খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

এআই ক্যামেরায় শৃঙ্খলা ফিরছে রাজধানীর সড়কে

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
এআই ক্যামেরায় শৃঙ্খলা ফিরছে রাজধানীর সড়কে

দীর্ঘদিনের মান্ধাতা আমলের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কাটিয়ে এবার রাজধানীর সড়কে সক্রিয় করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই ক্যামেরা’। ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর এই পথে হাঁটছে সরকার। নতুন এই ব্যবস্থায় সিগন্যাল ভাঙা বা নিয়ম না মানলে পুলিশ না থাকলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ির মালিকের মোবাইল ফোন ও ঠিকানায় মামলা চলে যাচ্ছে। নতুন এই ব্যবস্থা চালুর ফলে চালকদের আচরণেও পরিবর্তন এসেছে। সড়কে বিশৃঙ্খলা যেখানে প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা সেখানে এখন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।

রাজধানীর গুলশান-১, গুলশান-২, উত্তরা, বিমানবন্দর সড়ক, রামপুরা ট্রাফিক বক্স, মহাখালী, শাহবাগ, হাইকোর্ট ক্রসিং, সচিবালয় সিগন্যাল, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, পুলিশ ভবন, পুরাতন রমনা থানা ক্রসিং, বাংলামোটর, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, মিরপুর রোডের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এলাকা, গাবতলী ও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণিসহ গুরুত্বপূর্ণ ১০৫টি ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। গত কয়েকদিন রাজধানীর শাহবাগ, সোনারগাঁও বিজয় সরণি, বাংলামোটর, মৎস্য ভবন ও সচিবালয় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্ত সড়কে যানবাহনের চাপ আগের মতো থাকলেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মোড়ে মোড়ে স্থাপিত এআই ক্যামেরা দিয়ে সিগন্যাল অমান্য, স্টপলাইন ভঙ্গ ও উল্টো পথে চলাচলের মতো ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কেউ আইন ভঙ্গ করছে না। প্রায় সব চালকের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।

এই প্রযুক্তি চালুর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ২৯ এপ্রিল, যখন ডিএমপি সদর দপ্তরে ‘এআই বেজড রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ভায়োলেশন ডিটেকশন সিস্টেম’সহ মোট ৯টি অ্যাপ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেন, এই সিস্টেম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের দ্রুত শনাক্ত করতে সক্ষম হবে, যা সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্ঘটনা কমানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করবে। এরপর ৩ মে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চালক ও মালিকদের সতর্ক করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন ভঙ্গের বিষয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পর দিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এআই সিস্টেমের মাধ্যমে মামলা প্রস্তুতের কার্যক্রম শুরু হয়।

গুলশান-২, বনানীসহ নির্ধারিত এলাকায় হাই-ডেফিনিশন এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলো সড়কে চলা প্রতিটি গাড়ি নজরদারি করছে। কোনো গাড়ি লাল সিগন্যাল অমান্য করলে বা উল্টো পথে চললে ক্যামেরা সঙ্গে সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছে। এরপর বিআরটিএর ডাটাবেজ থেকে গাড়ির মালিকের তথ্য নিয়ে ডিজিটালভাবে মামলা করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি ফুটেজ জমা হয়েছে। এসব ফুটেজ যাচাই-বাছাই করছে আমাদের টেকনিক্যাল টিম। ইতোমধ্যে ৫০০ মামলা পাঠিয়ে দিয়েছি। ডিএমপির ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট (টিটিইউ) মূলত এই ফুটেজগুলো বিশ্লেষণ করছে। এই ইউনিটে বর্তমানে জনবল সংখ্যা সাতজন। ধীরে ধীরে জনবল বাড়াব। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আগামী সাত দিনের মধ্যে চালক ও মালিকদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ও ডাকযোগে নোটিশ চলে যাবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানায়, নোটিশ পাওয়ার পর মালিক বা চালকদের নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। সময়মতো হাজির না হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ব্যবস্থাও রয়েছে। বাংলামোটর মোড়ে অপেক্ষারত এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, ‘পরিবর্তন চোখে পড়ার মতো। আমি ক্রসিংয়ের আগে লাল বাতি দেখে থামছি এবং অন্যদেরও বলছি। কেউ শুনছে, আবার কেউ শুনছে না। সবার বুঝে উঠতে হয়তো সময় লাগবে।’ কারওয়ান বাজার মোড়ে পথচারী আনিকা তাবাসসুম জানান, ক্রসিংয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আগের চেয়ে বেশি গাড়ি থেমে যাচ্ছে বলে তিনি লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম ঢাকার কিছু রাস্তা পার হওয়ার জন্য নিরাপদ মনে হচ্ছে।’

ডিএমপির বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সারোয়ার সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে রাজধানীর বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ ধরনের ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্ট ও পরিদর্শকদের মামলা দেওয়ার সংখ্যা কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

কালের আলো/এম/এএইচ

কারিনা, বাংলাদেশ তোমাকে মনে রাখবে: ফারুকী

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
কারিনা, বাংলাদেশ তোমাকে মনে রাখবে: ফারুকী

অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে আবেগঘন এক স্মৃতিচারণ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জুলাই অভ্যুত্থানপরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

কারিনা কায়সারকে নিয়ে নিজের ফেসবুকে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লেখেন, যখন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ডাক আসছিলো তুমি নির্দ্বিধায় দাঁড়াইছিলা, কারিনা।

বাংলাদেশ তোমাকে মনে রাখবে। আর আমি মনে রাখবো তোমার উইটের কারণে, তোমার ডিলাইটফুল প্রেজেন্সের কারণে। তোমার সঙ্গে করা কাজ ৩৬-২৪-৩৬-য়ের কারণে।

চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারুকী লেখেন, তুমি যেদিন প্রথম আমাদের বাসায় আসো সেদিন তুমি আমার আর তিশার সাথে ছবি তুলতে চাইছিলা।

বলছিলা আমাদের ফ্যান তুমি। আমরা বলছিলাম, আমরা তোমার ফ্যান। তুমি লজ্জা পেয়ে হাসতেছিলা।

তিনি লেখেন, মানুষ মরে গেলে নাকি সব সত্য দেখতে পায়। এখন নিশ্চয়ই তুমি বিশ্বাস করছো আমরা তোমার অনেক বড় ফ্যান ছিলাম। অনেক অনেক কথা মনে পড়ছে।

সাবেক এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, আল্লাহ, তোমাকে বেহেশত নসিব করুক, কারিনা। এই পোস্টে যদি হাহা দেখো, জানবা কিছু লোক শুধু মানুষ হত্যার জন্য বিখ্যাত তা না, মৃত্যুতে উল্লাস করবার জন্যও বিখ্যাত। ইউ নো দেম, বাংলাদেশ নোজ দেম। রেস্ট ইন পিস, মাই সিস্টার!

কালের আলো/এসআর/এএএন

সভামঞ্চে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ক্ষমা চাইতে হলো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে

নওগাঁ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
সভামঞ্চে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ক্ষমা চাইতে হলো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি ‘ভুলবশত’ হয়েছে উল্লেখ করে সভাস্থলেই দুঃখ প্রকাশ করেন।

তবে উপস্থিত মাকলাহাট গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে বিষয়টি নিয়ে বাগবিতণ্ডা ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। আলাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা প্রবীণ ওই মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং একপর্যায়ে তাকে জনসম্মুখে মাইকে পুনরায় ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। পরিস্থিতির কারণে এখন এই স্লোগান দেওয়া হয়ত অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। আমি মুখ ফসকে বলে ফেলার পর সঙ্গে সঙ্গে ভুল স্বীকারও করেছিলাম। তা সত্ত্বেও আমাকে সবার সামনে লাঞ্ছিত ও মাইকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অপমানজনক।’

ঘটনার বিষয়ে হাজিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ জানান, ‘আলাউদ্দিনের বর্তমানে দলে কোনো সাংগঠনিক পদে নেই। অতীতেও তার বিরুদ্ধে ভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে। মূলত রাজনৈতিক সুবিধা নিতেই সে নিজেকে যুবদল নেতা দাবি করছে।’

অন্যদিকে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন নিজেকে যুবদল নেতা দাবি করে বলেন, ‘স্লোগান দেওয়ার পর উপস্থিত সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। শুধু আমি একা নই, অনেকেই প্রতিবাদ করেছে। পরিস্থিতির চাপে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন।’ তবে আলাউদ্দিন তার দলীয় পদের কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি।

নওগাঁ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে অভিহিত করে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মূল স্লোগান ছিল এটি, যদিও পরবর্তী সময়ে এর অপব্যবহার নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে হেনস্তা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

কালের আলো/এসআইপি

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী, বেলা সাড়ে ১১টায় বরুড়ায় পথসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী, বেলা সাড়ে ১১টায় বরুড়ায় পথসভা

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, খাল পুনঃখনন কার্যক্রমসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টার পর সড়ক পথে তিনি গুলশানের বাসা থেকে রওনা দেন। এ সফরে তিনি দুটি খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, পথসভা ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, যাত্রা পথে বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বরুড়ার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত পথ সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।

পরে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুগী গ্রামের ঘোষের হাট সংলগ্ন বিশ্ব খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তা উদ্বোধন করবেন।

দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বিকেল সাড়ে ৩টায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।

পরে বিকেল ৫টায় তিনি চাঁদপুর ক্লাবে আয়োজিত জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার মধ্য দিয়ে এ সফর শেষ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ